, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্য বিহীন চলছে আওয়ামীলীগ?দায়িত্ব কি শুধুই শেখ হাসিনার?

  • প্রকাশের সময় : ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
  • ২৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

শেখ হাসিনা বাঘ ও সিংহ – কিছুই নন; তিনি রক্ত – মাংসে গড়া একজন মানুষ। তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর কন্যা।লুসিড ড্রিম স্বপ্নে এসে শোককে শক্তিতে পরিণত করে প্রত্যাবর্তনের গল্প শুনিয়েছেন।এটা কল্পনা ও আবেগ নয়; এটা বাঙালি ও বাংলাদেশের বাস্তবতা।
♦️ বাংলাদেশে ৮৭,১৯১ টি গ্রাম আছে। প্রতিটি গ্রামে মাত্র একজন বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরী 👉 একজন সাহসী মানুষ চাই। এভাবেই অন্তত এক লক্ষ মানুষকে একদিনে ঢাকায় উপস্থিত করা সম্ভব।
👉 বাংলাদেশে ৪,৫৮১ টি ইউনিয়ন আছে।প্রতিটি ইউনিয়নে আগামী ৫ মাসে মাত্র ৫ জন করে সঠিক নেতা নির্বাচন করা সম্ভব হলে সমগ্র বাংলাদেশে বিশ্বস্ত ২২, ৯০৫ জন মানুষের এক বিশাল কর্মীবাহিনী দিয়ে ৮৭ হাজার গ্রামের এক লক্ষ মানুষকে নেতৃত্ব দেয়া সম্ভব।
👉 বাংলাদেশের মধ্যে ৬৩৯ টি থানা আছে। মাত্র দশজন করে প্রতিটি থানা থেকে আগামী দিনের নেতৃত্ব বাছাই করলে ৬,৩৯০ জন দক্ষ নেতা আগামী তিন মাসের মধ্যে তৈরি করা সম্ভব।
এমন সুন্দর সুন্দর বাণী হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে গত দুই বছর ধরে শুনছেন। কিন্তু এর রেজাল্ট -০০.৫ ছাড়া আর কিছুই নয়। কাজ না করে শুধু কথা বললে পরিণতি এমনি হবে।
♦️ লুসিড ড্রিম স্বপ্নে শেখ হাসিনা আমাকে কিছু সত্য কথা বলেছেন।
বাংলাদেশের ৩৫০ টি সংসদীয় আসন আছে। শেখ হাসিনা আবার প্রধানমন্ত্রী হলে প্রতিটি আসন থেকে নূন্যতম ১০ জন এমপি ও মন্ত্রী হওয়ার জন্য নমিনেশন নিবেন । শুধুমাত্র এই সংখ্যাটা একটি নমিনেশন ফরম নূন্যতম ৫০,০০০ টাকা সহ হিসেব করে দেখেছেন কখনও?
(৩৫০× ১০ ) = ৩,৫০০ প্রার্থী 👉 ৫০ হাজার টাকা করে হিসাব করলে ( ৩,৫০০× ৫০,০০০) = ১৭.৫ কোটি টাকা হয়।
আমার ভাই সোজা হিসাব। এই ৩৫০০ জন শুধুমাত্র ১০০ জন করে মানুষের দায়িত্ব নিলে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের দিন ঢাকা শহরে সমাবেত মানুষের সংখ্যা হবে ( ৩,৫০০× ১০০) = ৩, ৫০,০০০ ( তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার ) । এই শেখ হাসিনাকে ঠেকিয়ে রাখার সামর্থ্য এই দেশে কারো হবে ❓
কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায় । শেখ হাসিনাকে সমস্যার কথা বলতেই তিনি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন , “কী করতে হবে ? লুসিড? “
লুসিড: ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে ১২৯ টি ওয়ার্ড আছে। আগামী এক মাসের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে সকল বয়সের শুধুমাত্র ২০ জন করে ” মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত ” এমন মানুষ তৈরি করতে পারলে ( ১২৯ ×২০) = ২,৫৮০ জন মানুষ হয়। এদেরকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ঢাকা শহরে কমিশনার প্রার্থী আছে ৬৪৫ জন। ওরা কি অদূর ভবিষ্যতে কমিশনার নির্বাচন করবে না ?
ওদের চিন্তা বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ঢাকা শহরের স্থানীয় ৫ হাজার মানুষের তালিকা করে চুপচাপ বসে থাকুন।এটাই হোক সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ঢাকার অলিতে -গলিতে ৫ হাজার পিলার ঠিক করে রাখুন। আপাতত আর কিছুই করতে হবে না। দশ লাখ নেতাকর্মীর কোন দরকার নেই। সমগ্র বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনার জন্য জীবন দিতে পারে এমন মাত্র ২০ হাজার মানুষ বাছাই করুন। বাছাইয়ের দায়িত্ব যেন কোন খন্দকার মোশতাক না পায়।।এই ২০ হাজার মানুষ ঢাকায় নূন্যতম ২০ লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটিয়ে দিতে পারবে।।
👉 কিন্তু এসব আমার কাছে জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা মনে হয়। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে পা দিলেই সমগ্র বাংলাদেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে এতে কোন সন্দেহ নেই । কিন্তু সেই উত্তাল স্রোতের মধ্যে শক্ত পায়ের উপর ভর করে শেখ হাসিনাকে টিকে থাকতে হবে। এজন্য সমগ্র বাংলাদেশ থেকে মাত্র ৫ হাজার আগামী দিনে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো বিচক্ষণ যোদ্ধা আগামী দিনে তৈরি করুন। এই পাঁচ হাজার বিচক্ষণ যোদ্ধা সঠিকভাবে বাছাই করতে পারলে নূন্যতম এক কোটি মানুষের সমাবেশ ঢাকাতেই করা সম্ভব।তাহলে ভয় কোথায় ⁉️
একই সাংগঠনিক সক্ষমতা বিএনপি ও জামায়াতের থাকার পরও তারা গত ১৬ টি বছর শেখ হাসিনার সামনে দাঁড়াতে পারেনি। তাদের শেখ হাসিনার পতন ছাড়া সঠিক কোন লক্ষ্য ছিলো না। তাই তারা সফল হতে পারেনি। গত দুই বছর ধরে একই লক্ষ্য বিহীন চলছে আওয়ামীলীগ।তাই এর ফল কোটি কোটি নেতাকর্মী থাকার পরও কিছুই হয়নি , ভবিষ্যতেও হবে না।
এসব শুনে শেখ হাসিনার চোখে জল গড়িয়ে পড়তে লাগলো। আমাকে বললেন , তোমার তো ৭৫ হাজার ফলোয়ার। তুমি ডাকলে এদের মধ্যে থেকে কয়জনকে রাজপথে পাবে?
এই কথা শুনে আমার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়তে লাগল। গত দুই বছরে শেখ হাসিনার জন্য আমার কিছুই করা হয়নি।বুকের ভেতরে একটা অভিমান ও দীর্ঘদিনের কষ্ট চাপা দিয়ে রেখেছিলাম। আমি উত্তরে শেখ হাসিনাকে বললাম , ” এখনও নূন্যতম দশজন মানুষ নিয়ে শেখ হাসিনার জন্য জীবন দিতে আমি প্রস্তুত ।”
তিনি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন , ” ২৬ বছর রাজনীতি করে মাত্র দশজন ? “
লুসিড ড্রিম: জ্বি, এটাই সত্য। ইচ্ছে করলে আপনার জন্য আমি ৩ শতাধিক মানুষের ব্যবস্থা করতে পারি। কিন্তু মাত্র ১০ জন করবো। বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে কোন মিথ্যা আশ্বাস আমি দিবো না।সময় বলে দিবে আমি কতজন উপস্থিত করাবো। কিন্তু সংখ্যাটা কোনভাবেই দশ জনের কম হবে না।।
আমি আপনার রাজনীতির উপকার ভোগী ও সুবিধাভোগী কেউ নই। আপনি বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া শেষ আমানত। আপনাকে বাঁচানোর দায়িত্ব আমাদের। তাই বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হয়ে আমার বিবেকবোধ ও দেশপ্রেমের জায়গা থেকে আমি আপনাকে রক্ষার জন্য দশজন মানুষ দিতে পারবো। এর মধ্যে আমার বাবা ও আমার ভাই থাকবে। এটাই শেখ হাসিনাকে রক্ষার আমার শপথ।
শেখ হাসিনা: আমি দীর্ঘ ৬০ বছর বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি। তাহলে কি আমাকে বাঁচানোর জন্য এক হাজার মানুষও নেই বাংলাদেশে 😭
সত্য বড় নির্মম ও নিষ্ঠুর। উপরে উপরে সবাই ভালোবাসা দেখালেও সবাই বঙ্গবন্ধু প্রেমিক নয়।এটা এতো দিনে শেখ হাসিনা বুঝে গেছেন।তাই তিনি শোককে শক্তিতে পরিণত করে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে আসার সিদ্ধান্ত দেশের মানুষকে জানিয়েছেন।
👉 আমি লুসিড ড্রিম যদি শেখ হাসিনার জন্য কোন রাজনৈতিক পদে না থেকেও দশজন মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে দেওয়া মানুষ বাছাই করে রাখতে পারি , তবে আপনারা কী করছেন?
সংগঠনের এত বড় বড় পদ , মন্ত্রী , এমপি ও মেয়র হয়ে কী হবে ❓
শেখ হাসিনা বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে । এখন থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করুন । শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশেকে বাঁচাতে আপনাদের নিজ নিজ পরিকল্পনা তৈরি করুন।মনে রাখবেন –
” Plans are nothing ; planning is everything.”
তাই পীঠ দেয়ালে যখন ঠেকেই গেছে , দেশটা বাঁচানোর পরিকল্পনাও শেখ হাসিনাকে করতে হচ্ছে। কিন্তু দায়িত্ব কি শুধুই শেখ হাসিনার? আমাদের কি কোন দায়িত্ব নেই?
চলবে…..।
প্রত্যাবর্তন 2.0- প্রথম পর্ব।।
সত্য সবসময় সুন্দর।
৩১ শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৫ আগষ্ট – ২০২৬

লুসিড ড্রিম’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

লক্ষ্য বিহীন চলছে আওয়ামীলীগ?দায়িত্ব কি শুধুই শেখ হাসিনার?

প্রকাশের সময় : ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

শেখ হাসিনা বাঘ ও সিংহ – কিছুই নন; তিনি রক্ত – মাংসে গড়া একজন মানুষ। তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর কন্যা।লুসিড ড্রিম স্বপ্নে এসে শোককে শক্তিতে পরিণত করে প্রত্যাবর্তনের গল্প শুনিয়েছেন।এটা কল্পনা ও আবেগ নয়; এটা বাঙালি ও বাংলাদেশের বাস্তবতা।
♦️ বাংলাদেশে ৮৭,১৯১ টি গ্রাম আছে। প্রতিটি গ্রামে মাত্র একজন বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরী 👉 একজন সাহসী মানুষ চাই। এভাবেই অন্তত এক লক্ষ মানুষকে একদিনে ঢাকায় উপস্থিত করা সম্ভব।
👉 বাংলাদেশে ৪,৫৮১ টি ইউনিয়ন আছে।প্রতিটি ইউনিয়নে আগামী ৫ মাসে মাত্র ৫ জন করে সঠিক নেতা নির্বাচন করা সম্ভব হলে সমগ্র বাংলাদেশে বিশ্বস্ত ২২, ৯০৫ জন মানুষের এক বিশাল কর্মীবাহিনী দিয়ে ৮৭ হাজার গ্রামের এক লক্ষ মানুষকে নেতৃত্ব দেয়া সম্ভব।
👉 বাংলাদেশের মধ্যে ৬৩৯ টি থানা আছে। মাত্র দশজন করে প্রতিটি থানা থেকে আগামী দিনের নেতৃত্ব বাছাই করলে ৬,৩৯০ জন দক্ষ নেতা আগামী তিন মাসের মধ্যে তৈরি করা সম্ভব।
এমন সুন্দর সুন্দর বাণী হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে গত দুই বছর ধরে শুনছেন। কিন্তু এর রেজাল্ট -০০.৫ ছাড়া আর কিছুই নয়। কাজ না করে শুধু কথা বললে পরিণতি এমনি হবে।
♦️ লুসিড ড্রিম স্বপ্নে শেখ হাসিনা আমাকে কিছু সত্য কথা বলেছেন।
বাংলাদেশের ৩৫০ টি সংসদীয় আসন আছে। শেখ হাসিনা আবার প্রধানমন্ত্রী হলে প্রতিটি আসন থেকে নূন্যতম ১০ জন এমপি ও মন্ত্রী হওয়ার জন্য নমিনেশন নিবেন । শুধুমাত্র এই সংখ্যাটা একটি নমিনেশন ফরম নূন্যতম ৫০,০০০ টাকা সহ হিসেব করে দেখেছেন কখনও?
(৩৫০× ১০ ) = ৩,৫০০ প্রার্থী 👉 ৫০ হাজার টাকা করে হিসাব করলে ( ৩,৫০০× ৫০,০০০) = ১৭.৫ কোটি টাকা হয়।
আমার ভাই সোজা হিসাব। এই ৩৫০০ জন শুধুমাত্র ১০০ জন করে মানুষের দায়িত্ব নিলে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের দিন ঢাকা শহরে সমাবেত মানুষের সংখ্যা হবে ( ৩,৫০০× ১০০) = ৩, ৫০,০০০ ( তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার ) । এই শেখ হাসিনাকে ঠেকিয়ে রাখার সামর্থ্য এই দেশে কারো হবে ❓
কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায় । শেখ হাসিনাকে সমস্যার কথা বলতেই তিনি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন , “কী করতে হবে ? লুসিড? “
লুসিড: ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে ১২৯ টি ওয়ার্ড আছে। আগামী এক মাসের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে সকল বয়সের শুধুমাত্র ২০ জন করে ” মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত ” এমন মানুষ তৈরি করতে পারলে ( ১২৯ ×২০) = ২,৫৮০ জন মানুষ হয়। এদেরকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ঢাকা শহরে কমিশনার প্রার্থী আছে ৬৪৫ জন। ওরা কি অদূর ভবিষ্যতে কমিশনার নির্বাচন করবে না ?
ওদের চিন্তা বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ঢাকা শহরের স্থানীয় ৫ হাজার মানুষের তালিকা করে চুপচাপ বসে থাকুন।এটাই হোক সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ঢাকার অলিতে -গলিতে ৫ হাজার পিলার ঠিক করে রাখুন। আপাতত আর কিছুই করতে হবে না। দশ লাখ নেতাকর্মীর কোন দরকার নেই। সমগ্র বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনার জন্য জীবন দিতে পারে এমন মাত্র ২০ হাজার মানুষ বাছাই করুন। বাছাইয়ের দায়িত্ব যেন কোন খন্দকার মোশতাক না পায়।।এই ২০ হাজার মানুষ ঢাকায় নূন্যতম ২০ লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটিয়ে দিতে পারবে।।
👉 কিন্তু এসব আমার কাছে জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা মনে হয়। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে পা দিলেই সমগ্র বাংলাদেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে এতে কোন সন্দেহ নেই । কিন্তু সেই উত্তাল স্রোতের মধ্যে শক্ত পায়ের উপর ভর করে শেখ হাসিনাকে টিকে থাকতে হবে। এজন্য সমগ্র বাংলাদেশ থেকে মাত্র ৫ হাজার আগামী দিনে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো বিচক্ষণ যোদ্ধা আগামী দিনে তৈরি করুন। এই পাঁচ হাজার বিচক্ষণ যোদ্ধা সঠিকভাবে বাছাই করতে পারলে নূন্যতম এক কোটি মানুষের সমাবেশ ঢাকাতেই করা সম্ভব।তাহলে ভয় কোথায় ⁉️
একই সাংগঠনিক সক্ষমতা বিএনপি ও জামায়াতের থাকার পরও তারা গত ১৬ টি বছর শেখ হাসিনার সামনে দাঁড়াতে পারেনি। তাদের শেখ হাসিনার পতন ছাড়া সঠিক কোন লক্ষ্য ছিলো না। তাই তারা সফল হতে পারেনি। গত দুই বছর ধরে একই লক্ষ্য বিহীন চলছে আওয়ামীলীগ।তাই এর ফল কোটি কোটি নেতাকর্মী থাকার পরও কিছুই হয়নি , ভবিষ্যতেও হবে না।
এসব শুনে শেখ হাসিনার চোখে জল গড়িয়ে পড়তে লাগলো। আমাকে বললেন , তোমার তো ৭৫ হাজার ফলোয়ার। তুমি ডাকলে এদের মধ্যে থেকে কয়জনকে রাজপথে পাবে?
এই কথা শুনে আমার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়তে লাগল। গত দুই বছরে শেখ হাসিনার জন্য আমার কিছুই করা হয়নি।বুকের ভেতরে একটা অভিমান ও দীর্ঘদিনের কষ্ট চাপা দিয়ে রেখেছিলাম। আমি উত্তরে শেখ হাসিনাকে বললাম , ” এখনও নূন্যতম দশজন মানুষ নিয়ে শেখ হাসিনার জন্য জীবন দিতে আমি প্রস্তুত ।”
তিনি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন , ” ২৬ বছর রাজনীতি করে মাত্র দশজন ? “
লুসিড ড্রিম: জ্বি, এটাই সত্য। ইচ্ছে করলে আপনার জন্য আমি ৩ শতাধিক মানুষের ব্যবস্থা করতে পারি। কিন্তু মাত্র ১০ জন করবো। বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে কোন মিথ্যা আশ্বাস আমি দিবো না।সময় বলে দিবে আমি কতজন উপস্থিত করাবো। কিন্তু সংখ্যাটা কোনভাবেই দশ জনের কম হবে না।।
আমি আপনার রাজনীতির উপকার ভোগী ও সুবিধাভোগী কেউ নই। আপনি বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া শেষ আমানত। আপনাকে বাঁচানোর দায়িত্ব আমাদের। তাই বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হয়ে আমার বিবেকবোধ ও দেশপ্রেমের জায়গা থেকে আমি আপনাকে রক্ষার জন্য দশজন মানুষ দিতে পারবো। এর মধ্যে আমার বাবা ও আমার ভাই থাকবে। এটাই শেখ হাসিনাকে রক্ষার আমার শপথ।
শেখ হাসিনা: আমি দীর্ঘ ৬০ বছর বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি। তাহলে কি আমাকে বাঁচানোর জন্য এক হাজার মানুষও নেই বাংলাদেশে 😭
সত্য বড় নির্মম ও নিষ্ঠুর। উপরে উপরে সবাই ভালোবাসা দেখালেও সবাই বঙ্গবন্ধু প্রেমিক নয়।এটা এতো দিনে শেখ হাসিনা বুঝে গেছেন।তাই তিনি শোককে শক্তিতে পরিণত করে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে আসার সিদ্ধান্ত দেশের মানুষকে জানিয়েছেন।
👉 আমি লুসিড ড্রিম যদি শেখ হাসিনার জন্য কোন রাজনৈতিক পদে না থেকেও দশজন মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে দেওয়া মানুষ বাছাই করে রাখতে পারি , তবে আপনারা কী করছেন?
সংগঠনের এত বড় বড় পদ , মন্ত্রী , এমপি ও মেয়র হয়ে কী হবে ❓
শেখ হাসিনা বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে । এখন থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করুন । শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশেকে বাঁচাতে আপনাদের নিজ নিজ পরিকল্পনা তৈরি করুন।মনে রাখবেন –
” Plans are nothing ; planning is everything.”
তাই পীঠ দেয়ালে যখন ঠেকেই গেছে , দেশটা বাঁচানোর পরিকল্পনাও শেখ হাসিনাকে করতে হচ্ছে। কিন্তু দায়িত্ব কি শুধুই শেখ হাসিনার? আমাদের কি কোন দায়িত্ব নেই?
চলবে…..।
প্রত্যাবর্তন 2.0- প্রথম পর্ব।।
সত্য সবসময় সুন্দর।
৩১ শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৫ আগষ্ট – ২০২৬

লুসিড ড্রিম’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।