
অনলাইন শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬,
উপস্থাপকের প্রশ্নটি ছিলোঃ “আপনি তো অনেক সুন্দরী, শিক্ষিত—আপনার ডিভোর্স হলো কেনো?”
উপস্থাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে নাবিলা হাসান তাঁর সাবেক স্বামী সম্পর্কে বলেন—সন্তান জন্ম দেওয়ার পর আমার শারীরিক পরিবর্তন মেনে না নিয়ে আমার স্বামী প্রতিনিয়ত বডি শেমিংয়ের পাশাপাশি ওজন কমানোর চাপ দিতো এবং ঔ সময়ে আগের মতো সঙ্গমে আনন্দ না পাওয়ার অজুহাতে পরকীয়ায় মেতে ওঠে।
এই চরম বিশ্বাসঘাতকতায় আমি স্লিপিং পিল খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে বাধ্য হলেও, সেই নির্লজ্জ স্বামী উপহাস করে বলেছিলো, “আমাকে থ্যাংকস দাও, তোমাকে শুকাতে হেল্প করছি।”
অতিরিক্ত ওষুধ সেবন ও খাওয়া বন্ধ থাকায় মাত্র ছয় দিনে চার কেজি এবং অল্প সময়ে আমার ওজন ৭৭ থেকে ৫৮ কেজিতে নেমে এলেও সেই পাষণ্ডের মনে কোনো অনুশোচনা জন্মায়নি।
সন্তানের জন্য তৈরি হওয়া একজন মায়ের শারীরিক পরিবর্তনকে তুচ্ছ করে যে পুরুষ একজন নারীকে এমন চরম দুর্গতির মুখে ঠেলে দেয়, সে মূলত মানসিকভাবে অসুস্থ এবং যৌন কামুক রোগী। এমন মূর্খ ও অকৃতজ্ঞ পুরুষদের চিরতরে বর্জন করা উচিত, যারা ভালোবাসার চেয়ে শরীরের মাপকাঠিতে একটি পবিত্র সম্পর্ককে বিচার করে।
Mamun’s Rare Collection.’s Post
লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন। mun’s Rare Collection.’s Post




















