, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

স্মিতা পাতিল যেনো এক টুকরো রূপোলী আলো

  • প্রকাশের সময় : ১০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ৭৫ পড়া হয়েছে
স্মিতা পাতিল যেনো এক টুকরো রূপোলী আলো আর এক বুক আক্ষেপের গল্প…🖤 যাঁর চোখের চাউনিতেই যেন লুকিয়ে থাকত হাজারটা না-বলা কথা। মাত্র ৩১ বছর বয়সে যখন তিনি চলে গেলেন, তখন একটা গোটা দেশের মানুষের বুকটা ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যাওয়ার আগে তিনি যে শেষ ইচ্ছেটা প্রকাশ করে গিয়েছিলেন, তা শুনলে আজও চোখে জল ধরে রাখা যায় না। 🥲
সিনেমার পর্দায় স্মিতা পাতিল মানেই ছিল একটা ম্যাজিক! ‘ভূমিকা’, ‘মন্থন’ থেকে শুরু করে ‘নমক হালাল’—আর্ট ফিল্ম হোক বা কমার্শিয়াল, সবখানেই তিনি ছিলেন অনবদ্য। কিন্তু পর্দায় তিনি যতটা সফল ছিলেন, ব্যক্তিগত জীবনে ঠিক ততটাই ঝড়ঝাপটা সইতে হয়েছে তাঁকে। 💦
সেই সময় অভিনেতা রাজ বাব্বারের প্রেমে পড়েন স্মিতা। কিন্তু রাজ তখন বিবাহিত, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার করছেন। স্বাভাবিকভাবেই সমাজ আর ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় অংশ স্মিতাকে নিয়ে কটূক্তি করতে ছাড়েনি। কিন্তু সমস্ত সমালোচনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তাঁরা একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন এবং বিয়ে করেন। 👩‍❤️‍👨
সব ঠিকঠাকই চলছিল। ১৯৮৬ সালের ২৮ নভেম্বর তাঁদের কোল আলো করে আসে ছোট্ট প্রতীক বাব্বর। নতুন মা হওয়ার আনন্দটা কিন্তু বেশিদিন স্থায়ী হলো না। সন্তান জন্মের কয়েকদিন পর থেকেই স্মিতার শরীর খুব খারাপ হতে শুরু করে। হাসপাতালে ভর্তি করা হলো, ডাক্তাররা আপ্রাণ চেষ্টাও করলেন… কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ১৯৮৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর মাত্র ৩১ বছর বয়সে স্মিতা চিরদিনের মতো চোখ বুজলেন। 💔🏥
তবে গল্পটা এখানেই শেষ নয়। স্মিতার চলে যাওয়ার পর সামনে আসে তাঁর এক অদ্ভুত আর আবেগঘন শেষ ইচ্ছের কথা। তাঁর মেকআপ আর্টিস্ট দীপক সাওয়ান্ত পরে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, স্মিতা নাকি একবার বলেছিলেন—তাঁর মৃত্যুর পর তাঁকে যেন একদম নতুন এক সুহাগন বা কনের সাজে সাজানো হয়। 👰‍♀️
ভাবা যায়? মৃত্যুর সেই কঠিন মুহূর্তেও তাঁর শেষ ইচ্ছেকে সম্মান জানানো হয়েছিল। শেষ বিদায়ের দিন স্মিতাকে সাজানো হয়েছিল একজন নতুন কনের সাজে। 😭
স্মিতা পাতিল আজ আমাদের মাঝে নেই সত্যি, কিন্তু তাঁর অভিনয়, তাঁর সেই সরল হাসি আর এই মন কেমন করা গল্পটা ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে চিরকাল রয়ে যাবে

Litu Paul’s Post

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

স্মিতা পাতিল যেনো এক টুকরো রূপোলী আলো

প্রকাশের সময় : ১০:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
স্মিতা পাতিল যেনো এক টুকরো রূপোলী আলো আর এক বুক আক্ষেপের গল্প…🖤 যাঁর চোখের চাউনিতেই যেন লুকিয়ে থাকত হাজারটা না-বলা কথা। মাত্র ৩১ বছর বয়সে যখন তিনি চলে গেলেন, তখন একটা গোটা দেশের মানুষের বুকটা ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যাওয়ার আগে তিনি যে শেষ ইচ্ছেটা প্রকাশ করে গিয়েছিলেন, তা শুনলে আজও চোখে জল ধরে রাখা যায় না। 🥲
সিনেমার পর্দায় স্মিতা পাতিল মানেই ছিল একটা ম্যাজিক! ‘ভূমিকা’, ‘মন্থন’ থেকে শুরু করে ‘নমক হালাল’—আর্ট ফিল্ম হোক বা কমার্শিয়াল, সবখানেই তিনি ছিলেন অনবদ্য। কিন্তু পর্দায় তিনি যতটা সফল ছিলেন, ব্যক্তিগত জীবনে ঠিক ততটাই ঝড়ঝাপটা সইতে হয়েছে তাঁকে। 💦
সেই সময় অভিনেতা রাজ বাব্বারের প্রেমে পড়েন স্মিতা। কিন্তু রাজ তখন বিবাহিত, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার করছেন। স্বাভাবিকভাবেই সমাজ আর ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় অংশ স্মিতাকে নিয়ে কটূক্তি করতে ছাড়েনি। কিন্তু সমস্ত সমালোচনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তাঁরা একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন এবং বিয়ে করেন। 👩‍❤️‍👨
সব ঠিকঠাকই চলছিল। ১৯৮৬ সালের ২৮ নভেম্বর তাঁদের কোল আলো করে আসে ছোট্ট প্রতীক বাব্বর। নতুন মা হওয়ার আনন্দটা কিন্তু বেশিদিন স্থায়ী হলো না। সন্তান জন্মের কয়েকদিন পর থেকেই স্মিতার শরীর খুব খারাপ হতে শুরু করে। হাসপাতালে ভর্তি করা হলো, ডাক্তাররা আপ্রাণ চেষ্টাও করলেন… কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ১৯৮৬ সালের ১৩ ডিসেম্বর মাত্র ৩১ বছর বয়সে স্মিতা চিরদিনের মতো চোখ বুজলেন। 💔🏥
তবে গল্পটা এখানেই শেষ নয়। স্মিতার চলে যাওয়ার পর সামনে আসে তাঁর এক অদ্ভুত আর আবেগঘন শেষ ইচ্ছের কথা। তাঁর মেকআপ আর্টিস্ট দীপক সাওয়ান্ত পরে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, স্মিতা নাকি একবার বলেছিলেন—তাঁর মৃত্যুর পর তাঁকে যেন একদম নতুন এক সুহাগন বা কনের সাজে সাজানো হয়। 👰‍♀️
ভাবা যায়? মৃত্যুর সেই কঠিন মুহূর্তেও তাঁর শেষ ইচ্ছেকে সম্মান জানানো হয়েছিল। শেষ বিদায়ের দিন স্মিতাকে সাজানো হয়েছিল একজন নতুন কনের সাজে। 😭
স্মিতা পাতিল আজ আমাদের মাঝে নেই সত্যি, কিন্তু তাঁর অভিনয়, তাঁর সেই সরল হাসি আর এই মন কেমন করা গল্পটা ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে চিরকাল রয়ে যাবে

Litu Paul’s Post