
অনলাইন বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
হাসিনাকে রক্ষায় দিল্লির ‘গ্রেট সেপ্টেম্বর মিশন:পাল্টে যেতে পারে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ!
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে দিল্লি এক সুদূরপ্রসারী ও কৌশলগত মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করেছে বলে বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট মহলে এই পরিকল্পনাটি ‘দ্য গ্রেট সেপ্টেম্বর মিশন’ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার অবস্থানকে পুনরায় সংহত করা।
সূত্রমতে, অক্টোবর মাস পর্যন্ত শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারত সরকার কোনো ধরণের নতুন বিতর্ক বা পাল্টাপাল্টি অবস্থানে জড়াতে চায় না। ভারতের নীতিনির্ধারকরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সময় পার করছেন এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এই মিশনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বা ‘ডেন নরস্কে কমিটি’ (Den Norske Committee)-র আগামী অক্টোবরের সম্ভাব্য ঘোষণা। ধারণা করা হচ্ছে, এই কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরণের পরিবর্তন আসবে। এই পরিবর্তনটি এমন এক প্রেক্ষাপট তৈরি করতে পারে যেখানে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা বর্তমান অভিযোগগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দিল্লির এই নিভৃত কিন্তু শক্তিশালী কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে ঢাকা শেষ পর্যন্ত তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হতে পারে। পরিস্থিতির চাপে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে বাংলাদেশ সরকার হয়তো শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার দাবি থেকে এক পর্যায়ে নীরবে সরে আসতে পারে।
নয়া দিল্লির এই ‘সেপ্টেম্বর মিশন’ যদি সফল হয়, তবে তা কেবল শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সুরক্ষা নয়, বরং পুরো অঞ্চলের রাজনীতিতে ভারতের প্রভাব ও কৌশলগত জয় হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে আগামী কয়েক সপ্তাহের আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং বৈশ্বিক শক্তিগুলোর অবস্থানের ওপর।
এই মূহূর্তে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু এখন ‘অক্টোবর’ এবং ‘নোবেল কমিটি’র সেই ঘোষণা, যা বদলে দিতে পারে অনেক হিসেব-নিকেশ,
আবু তৌহিদ’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।




















