, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ?

  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
  • ১০ পড়া হয়েছে
অনলাইন বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শ্যামল চক্রবর্তী, সাবেক সহসভাপতি কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগ।
২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। সেখানে জামাত, বিএনপি, এনসিপির সন্ত্রাসীরা তাকে লোহার পাইপ দিয়ে পেটানো শুরু করে। ছবিগুলো সেই আঘাতের। শ্যামল চক্রবর্তীর সামনের ছয়টি দাঁত ভেঙ্গে যায়। মুখে বাইশটি সেলাই দিতে হয়।
আঘাতে অজ্ঞান অবস্থায়ও মুক্তি মেলেনি শ্যামল চক্রবর্তীর। হাসপাতালে যখন চিকিৎসাধীন তখনো জিম্মি করে রাখে বিএনপি, জামাত, এনসিপির (সে সময়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন) সন্ত্রাসীরা। শ্যামলের পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। শ্যামলের ভাই কান্নাকাটি করে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পান।
স্বৈরাচার জামাতিনুস বিরোধী লড়াইয়ের সূচনালগ্নে শ্যামল চক্রবর্তীরা যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন, যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জুলুমবাজ জামাতিনুস সরকার
বিরোধী লড়াইয়ের এই ত্যাগী কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। লড়াইয়ের ময়দানে শ্যামল চক্রবর্তীরাই আসল হিরো।
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ?

প্রকাশের সময় : ১১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
অনলাইন বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শ্যামল চক্রবর্তী, সাবেক সহসভাপতি কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগ।
২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। সেখানে জামাত, বিএনপি, এনসিপির সন্ত্রাসীরা তাকে লোহার পাইপ দিয়ে পেটানো শুরু করে। ছবিগুলো সেই আঘাতের। শ্যামল চক্রবর্তীর সামনের ছয়টি দাঁত ভেঙ্গে যায়। মুখে বাইশটি সেলাই দিতে হয়।
আঘাতে অজ্ঞান অবস্থায়ও মুক্তি মেলেনি শ্যামল চক্রবর্তীর। হাসপাতালে যখন চিকিৎসাধীন তখনো জিম্মি করে রাখে বিএনপি, জামাত, এনসিপির (সে সময়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন) সন্ত্রাসীরা। শ্যামলের পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। শ্যামলের ভাই কান্নাকাটি করে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পান।
স্বৈরাচার জামাতিনুস বিরোধী লড়াইয়ের সূচনালগ্নে শ্যামল চক্রবর্তীরা যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন, যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে জুলুমবাজ জামাতিনুস সরকার
বিরোধী লড়াইয়ের এই ত্যাগী কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। লড়াইয়ের ময়দানে শ্যামল চক্রবর্তীরাই আসল হিরো।
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।