, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২১ আগস্ট, দায় মুক্তি এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি

  • প্রকাশের সময় : ১১ ঘন্টা আগে
  • ৩৫ পড়া হয়েছে

অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির উৎসস্থল হলো ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট। জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যার মাধ্যমে এদেশে সহ অবস্থানের রাজনীতির মৃত্যু হয়। বাংলাদেশের রাজনীতি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি এবং বিপক্ষ শক্তি।
কিন্ত ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে, তিনি প্রতিহিংসার পথে হাঁটেননি। নিজের দলে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল তাদেরকেও এমপি বানিয়েছিলেন। জাতির পিতার হত্যাকারীদের যারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছিল, যারা আত্মস্বীকৃত খুনিদের কূটনৈতিক মিশনে চাকরি দিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি। তাদের বিচার করেননি। রাজনীতিতে পরমত সহিষ্ণুতার এরচেয়ে বড় উদাহরণ আর আছে কিনা আমার জানা নেই।কিন্তু ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে সহ অবস্থানের রাজনীতির চির কবর রচিত হয়।
জর্জ মিয়া নাটক।
শেখ হাসিনা ভ‍্যানিটি ব‍্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন।
কুৎসিত, নোংরা আর বিকৃত রাজনীতির বিভৎস রূপ সেদিন জাতি দেখেছে।
অবাক কাণ্ড, এই বর্বরতার বিচার হলো না। ২০২৪এর ৫ আগস্ট বাংলাদেশে পাকিস্তানি শাসন কায়েম হবার পর এই মামলায় সব আসামিদের খালাস দেয়া হয়।  এখন সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট কোন গ্রেনেড হামলার ঘটনাই ঘটেনি।
১৯৭৫ এর ১৫.আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর যে নির্মম বর্বরতা ও নির্যাতন চালানো হয় তার প্রতিশোধ আওয়ামী লীগ ২১ বছর ক্ষমতায় থেকে নেয়নি। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার প্রতিশোধ আওয়ামী লীগ নেয়নি। কিন্তু ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর থেকে আওয়ামী লীগ এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ওপর যে নৃশংসতা চালানো হয়েছে তা কি দায় মুক্তি পাবে?
একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত সকলের প্রতি শ্রদ্ধা।
বাংলাদেশের রাজনীতি এখন, বাঁচো কিংবা মরো। যদি বেঁচে যাই তাহলে কীভাবে ভুলবো এই নারকীয় দিনরাত্রি?
Borhan kabir post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

২১ আগস্ট, দায় মুক্তি এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি

প্রকাশের সময় : ১১ ঘন্টা আগে

অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির উৎসস্থল হলো ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট। জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যার মাধ্যমে এদেশে সহ অবস্থানের রাজনীতির মৃত্যু হয়। বাংলাদেশের রাজনীতি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি এবং বিপক্ষ শক্তি।
কিন্ত ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে, তিনি প্রতিহিংসার পথে হাঁটেননি। নিজের দলে ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল তাদেরকেও এমপি বানিয়েছিলেন। জাতির পিতার হত্যাকারীদের যারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছিল, যারা আত্মস্বীকৃত খুনিদের কূটনৈতিক মিশনে চাকরি দিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি। তাদের বিচার করেননি। রাজনীতিতে পরমত সহিষ্ণুতার এরচেয়ে বড় উদাহরণ আর আছে কিনা আমার জানা নেই।কিন্তু ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে সহ অবস্থানের রাজনীতির চির কবর রচিত হয়।
জর্জ মিয়া নাটক।
শেখ হাসিনা ভ‍্যানিটি ব‍্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন।
কুৎসিত, নোংরা আর বিকৃত রাজনীতির বিভৎস রূপ সেদিন জাতি দেখেছে।
অবাক কাণ্ড, এই বর্বরতার বিচার হলো না। ২০২৪এর ৫ আগস্ট বাংলাদেশে পাকিস্তানি শাসন কায়েম হবার পর এই মামলায় সব আসামিদের খালাস দেয়া হয়।  এখন সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট কোন গ্রেনেড হামলার ঘটনাই ঘটেনি।
১৯৭৫ এর ১৫.আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর যে নির্মম বর্বরতা ও নির্যাতন চালানো হয় তার প্রতিশোধ আওয়ামী লীগ ২১ বছর ক্ষমতায় থেকে নেয়নি। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার প্রতিশোধ আওয়ামী লীগ নেয়নি। কিন্তু ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর থেকে আওয়ামী লীগ এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ওপর যে নৃশংসতা চালানো হয়েছে তা কি দায় মুক্তি পাবে?
একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত সকলের প্রতি শ্রদ্ধা।
বাংলাদেশের রাজনীতি এখন, বাঁচো কিংবা মরো। যদি বেঁচে যাই তাহলে কীভাবে ভুলবো এই নারকীয় দিনরাত্রি?
Borhan kabir post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।