, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি চুরিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আহত

  • প্রকাশের সময় : ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ৫৮ পড়া হয়েছে

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর এলাকায় স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি চুরি হয়। সাধারণ শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, চালক গাড়িটি রেখে পাশে চা-সিগারেট খেতে যান। পরবর্তীতে ফিরে এসে তিনি দেখেন যে গাড়িটি চুরি হয়ে গেছে। এই বিষয়টি মালিকপক্ষকে জানানো হলে, তারা চালককে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

 

এই মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের অফিস ও বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ সময় সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রুহুল কুদ্দুছ এবং বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটন এবং পুলিশের ওপর হামলার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করতে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ বাসিন্দারা। একই সাথে দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করার জোর দাবি উঠেছে এলাকা জুড়ে।

জনপ্রিয়

স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি চুরিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আহত

প্রকাশের সময় : ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর এলাকায় স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি চুরি হয়। সাধারণ শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, চালক গাড়িটি রেখে পাশে চা-সিগারেট খেতে যান। পরবর্তীতে ফিরে এসে তিনি দেখেন যে গাড়িটি চুরি হয়ে গেছে। এই বিষয়টি মালিকপক্ষকে জানানো হলে, তারা চালককে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

 

এই মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের অফিস ও বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ সময় সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রুহুল কুদ্দুছ এবং বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটন এবং পুলিশের ওপর হামলার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করতে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ বাসিন্দারা। একই সাথে দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করার জোর দাবি উঠেছে এলাকা জুড়ে।