, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনাসহ ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ২৩ পড়া হয়েছে

 

অনলাইন : ১৫ জুলাই, ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর দেশে ও বিদেশে থাকা মোট ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের আদেশে জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন বলেন, জব্দ করা সম্পদের মধ্যে দেশে থাকা সম্পদের পরিমাণ ৫৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশে থাকা সম্পদের পরিমাণ ১৯ হাজার কোটি টাকা।

তিনি জানান, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বছরের শেষ নাগাদ সম্পদ উদ্ধারের বিষয়ে ইতিবাচক খবর দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা দল-মতের ভিত্তিতে কাজ করি না। সন্দেহজনক কার্যক্রমের প্রমাণ মিললেই ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধেও এমন তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়ে শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্প গ্রুপের অবৈধ সম্পদ অর্জন, কর ফাঁকি ও অর্থপাচার খতিয়ে দেখতে যৌথ তদন্ত দল কাজ শুরু করে। গ্রুপগুলো হলো- এস আলম, বেক্সিমকো, নাবিল, সামিট, ওরিয়ন, নাসা, বসুন্ধরা, ডা. ইকবালের প্রিমিয়ার, সিকদার ও সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের আরামিট গ্রুপ।

তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে এরই মধ্যে সম্পদ জব্দ ছাড়াও মামলা, বিদেশ থেকে সম্পদ ফেরত আনতে আন্তর্জাতিক আইনি সহায়তা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ চলছে।

 

 

জনপ্রিয়

শেখ হাসিনাসহ ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

 

অনলাইন : ১৫ জুলাই, ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর দেশে ও বিদেশে থাকা মোট ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের আদেশে জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন বলেন, জব্দ করা সম্পদের মধ্যে দেশে থাকা সম্পদের পরিমাণ ৫৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশে থাকা সম্পদের পরিমাণ ১৯ হাজার কোটি টাকা।

তিনি জানান, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বছরের শেষ নাগাদ সম্পদ উদ্ধারের বিষয়ে ইতিবাচক খবর দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা দল-মতের ভিত্তিতে কাজ করি না। সন্দেহজনক কার্যক্রমের প্রমাণ মিললেই ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধেও এমন তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়ে শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্প গ্রুপের অবৈধ সম্পদ অর্জন, কর ফাঁকি ও অর্থপাচার খতিয়ে দেখতে যৌথ তদন্ত দল কাজ শুরু করে। গ্রুপগুলো হলো- এস আলম, বেক্সিমকো, নাবিল, সামিট, ওরিয়ন, নাসা, বসুন্ধরা, ডা. ইকবালের প্রিমিয়ার, সিকদার ও সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের আরামিট গ্রুপ।

তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে এরই মধ্যে সম্পদ জব্দ ছাড়াও মামলা, বিদেশ থেকে সম্পদ ফেরত আনতে আন্তর্জাতিক আইনি সহায়তা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ চলছে।