
অনলাইন ১৬ জুলাই, ২০২৬
যে নারী জেনেশুনে একজন বিবাহিত পুরুষের জীবনে প্রবেশ করে, সে প্রেম করে না—সে অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করে।
অনেক ক্ষেত্রেই এই সম্পর্কের শুরু হয় ভালোবাসা দিয়ে নয়, স্বার্থের হিসাব দিয়ে। একজন দেয় সময়, অন্যজন খোঁজে আর্থিক নিরাপত্তা। তারপর সেই সুবিধার লেনদেনের নাম দেওয়া হয়—”ভালোবাসা”!
সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো, যে পুরুষ নিজের স্ত্রী, সন্তান আর সংসারের প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে পারেনি, তাকেই আবার “জীবনের সবচেয়ে ভালো মানুষ” বানিয়ে ফেলা হয়। যে মানুষ একটি সম্পর্কের বিশ্বাস রাখতে পারেনি, সে নতুন সম্পর্কে হঠাৎ করেই আদর্শ হয়ে যাবে—এমন কল্পনা সত্যিই বিস্ময়কর।
আর যে নারী অন্যের ভাঙা সংসারের ওপর দাঁড়িয়ে নিজেকে বিজয়ী ভাবেন, তিনি আসলে কোনো যুদ্ধ জেতেন না; তিনি শুধু নিজের আত্মসম্মানকে সস্তায় বিক্রি করেন। অন্যের স্বামীকে কেড়ে নেওয়া কোনো যোগ্যতা নয়, কোনো সাফল্যও নয়।
একজন বিবাহিত পুরুষ যদি নিজের দায়িত্ব ভুলে যায়, তার অপরাধ তার নিজের। কিন্তু জেনেশুনে সেই দুর্বলতার সুযোগ নেওয়া নারীও সমানভাবে দায়ী। একজন বিশ্বাসঘাতকতা করে, আরেকজন সেই বিশ্বাসঘাতকতাকে আশ্রয় দেয়।
সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো লুকিয়ে আসে না, প্রতারণার ওপর দাঁড়ায় না, কিংবা একজন স্ত্রীর চোখের জল আর একটি সন্তানের কষ্টের বিনিময়ে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে না।
অন্যের ভাঙা ঘরের ইট দিয়ে হয়তো একটি নতুন ঘর বানানো যায়, কিন্তু সেখানে বিশ্বাসের ছাদ খুব কমই টেকে। কারণ যে মানুষ একবার বিশ্বাস ভাঙতে পারে, প্রয়োজনে সে আবারও ভাঙতে পারে।–‘——-Adv.Laila
Adv Laila Sultana’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















