, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

,”১৮ বা ১৯ জুলাই শাহবাগে এম্বুলেন্স ব্যবহার করে অ স্ত্র দিয়ে হামলা করবে

  • প্রকাশের সময় : ১১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫২ পড়া হয়েছে

রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

আজকে দেখলাম বিখ্যাত মার্কিন পোষা প্রাণী নুরুল কবির বলেছেন,”মেরিকা ডলার দিয়ে ঘরের মহিলাদের রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে, এটা বোগাস।” এটি দেখে হাসলাম অনেক্ষণ, কেই বা বলছে এরকম হয়েছে, সে নিজে থেকেই এইগুলা বলতেছে।
একটা ঘটনা বলি,”১৮ বা ১৯ জুলাই তখনও শাহবাগ লীগের দখলে। তখন বিএনপি-জামাত নানানভাবে ট্রাই করতেছে শাহবাগে ঢুকার। কোনোভাবে ইনফিল্ট্রেট করতে পারতেছে না। সেদিন সন্ধ্যায় বিএসএমএমইউ “এ” ব্লক থেকে ধরা পড়ে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিকেলের এক রিপ্রেজেন্ন্টেটিভ। দেখা গেলো সেদিন নেট বন্ধ কিন্তু তার মোবাইলে নেট আছে। তার কাছে বাংলাদেশী টাকা অল্প থাকলেও, ডলার দেখলাম বেশ ভালো পরিমাণে আছে। সেদিন তাদের উদ্দেশ্য ছিলো যেহেতু পাশেই বিএসএমএমইউ সো এম্বুলেন্স ব্যবহার করে অ স্ত্র দিয়ে হামলা করবে। সেদিনই বুঝে গেছিলাম এটার পিছনে মার্কিন সিআইএ আছে এন্ড প্রচুর ডলার ঢুকেছে।
এখন আসি জুলাইয়ের স্টার বয় আবু সাইদের কথায়, ১৬ জুলাইয়ের আগের দিন মার্কিন এম্বেসি জানালো বাংলাদেশের আন্দোলনে কয়েকজন মা রা গেছে। বাস্তবে সেদিন কেউ মা রা যায় নাই, এটি ছিলো একটা সিগনাল। এর পরের দিন আবু সাইদ পুলিশের রাবার বু লেটে আহত হয় (আমি কনফিডেন্সের সাথে বলতেছি রাবার বু লেটে মানুষ ম রে না)। সেদিন আবু সাইদকে হাসপাতালে না নিয়ে রাত ৮টার সময় মৃ ত অবস্থায় নেওয়া হয়। আদালতে আবু সাইদের বাবা বলতেছেন,”আমি একবার আমার ছেলেকে দেখেছিলাম, দেখলাম মাথার পিছন থে কে র ক্ত বাহির হচ্ছে, আমার ছেলেকে মাথায় গু লি করা হয়েছে। প্রশ্ন হলো ক্যামেরায় আমরা দেখলাম পুলিশ সামনে থেকে গু লি করতেছে। তাহলে মাথার পিছনে আ গাত বা গু লি আসলো কিভাবে?
বাস্তবে মার্কিন নীলনকশা বাস্তবায়নে জাশির লোক তাকে মে রে ফেলেছে।
১৬ জুলাই সাইন্সল্যাবে ছাত্র নামের মার্কিন দালাল শিভির হ ত্যা করে ঢাকা কলেজের সবুজ আলীকে। অথচ কোথাও এটাকে ফোকাস করা হয় নাই। এখানেই নুরুল কবীররা ভুমিকা রাখছে।
ঐ আগে বললাম তারা সিগনাল পেয়ে গেছিলো। তাই তারা সব ফোকাস দিলো আবু সাইদের ডিজাইনের উপর যেন তাদের মালিক মার্কিনীরা সফল হয়।
মতিউর রহমান, মাহফুন আনাম, নুরুল কবীররা আগাগোড়া মার্কিন গো লাম এটা এখন তারা নিজেরাই স্বীকার করে।
মতিউর রহমান, মাহফুজ আনামরা অলরেডি স্বীকার করেছেন তারা মার্কিনীদেত পক্ষে ছিলেন।
ঘরের মহিলাদের *মারেকি ডিরেক্ট ডলার দিয়ে নামায় নাই এটা সত্য, নুরুল কবীর, এবং এদেশীয় সকল দো সরদের ডলার দিছে মহিলারা যেন রাস্তায় নামে এমন পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য।
এদেশে একদিন ন্যায়বিচার প্রতিষ্টা পাবে। আমরা প্রত্যেককে ন্যায় বিচার দিবো। সবুজ আলী, এমনকি শিবিরের আবু সাইদকেও আমরা ন্যায় বিচার দিবো।
-আনিস খাঁন।

আনিস খাঁন’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

,”১৮ বা ১৯ জুলাই শাহবাগে এম্বুলেন্স ব্যবহার করে অ স্ত্র দিয়ে হামলা করবে

প্রকাশের সময় : ১১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

আজকে দেখলাম বিখ্যাত মার্কিন পোষা প্রাণী নুরুল কবির বলেছেন,”মেরিকা ডলার দিয়ে ঘরের মহিলাদের রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে, এটা বোগাস।” এটি দেখে হাসলাম অনেক্ষণ, কেই বা বলছে এরকম হয়েছে, সে নিজে থেকেই এইগুলা বলতেছে।
একটা ঘটনা বলি,”১৮ বা ১৯ জুলাই তখনও শাহবাগ লীগের দখলে। তখন বিএনপি-জামাত নানানভাবে ট্রাই করতেছে শাহবাগে ঢুকার। কোনোভাবে ইনফিল্ট্রেট করতে পারতেছে না। সেদিন সন্ধ্যায় বিএসএমএমইউ “এ” ব্লক থেকে ধরা পড়ে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিকেলের এক রিপ্রেজেন্ন্টেটিভ। দেখা গেলো সেদিন নেট বন্ধ কিন্তু তার মোবাইলে নেট আছে। তার কাছে বাংলাদেশী টাকা অল্প থাকলেও, ডলার দেখলাম বেশ ভালো পরিমাণে আছে। সেদিন তাদের উদ্দেশ্য ছিলো যেহেতু পাশেই বিএসএমএমইউ সো এম্বুলেন্স ব্যবহার করে অ স্ত্র দিয়ে হামলা করবে। সেদিনই বুঝে গেছিলাম এটার পিছনে মার্কিন সিআইএ আছে এন্ড প্রচুর ডলার ঢুকেছে।
এখন আসি জুলাইয়ের স্টার বয় আবু সাইদের কথায়, ১৬ জুলাইয়ের আগের দিন মার্কিন এম্বেসি জানালো বাংলাদেশের আন্দোলনে কয়েকজন মা রা গেছে। বাস্তবে সেদিন কেউ মা রা যায় নাই, এটি ছিলো একটা সিগনাল। এর পরের দিন আবু সাইদ পুলিশের রাবার বু লেটে আহত হয় (আমি কনফিডেন্সের সাথে বলতেছি রাবার বু লেটে মানুষ ম রে না)। সেদিন আবু সাইদকে হাসপাতালে না নিয়ে রাত ৮টার সময় মৃ ত অবস্থায় নেওয়া হয়। আদালতে আবু সাইদের বাবা বলতেছেন,”আমি একবার আমার ছেলেকে দেখেছিলাম, দেখলাম মাথার পিছন থে কে র ক্ত বাহির হচ্ছে, আমার ছেলেকে মাথায় গু লি করা হয়েছে। প্রশ্ন হলো ক্যামেরায় আমরা দেখলাম পুলিশ সামনে থেকে গু লি করতেছে। তাহলে মাথার পিছনে আ গাত বা গু লি আসলো কিভাবে?
বাস্তবে মার্কিন নীলনকশা বাস্তবায়নে জাশির লোক তাকে মে রে ফেলেছে।
১৬ জুলাই সাইন্সল্যাবে ছাত্র নামের মার্কিন দালাল শিভির হ ত্যা করে ঢাকা কলেজের সবুজ আলীকে। অথচ কোথাও এটাকে ফোকাস করা হয় নাই। এখানেই নুরুল কবীররা ভুমিকা রাখছে।
ঐ আগে বললাম তারা সিগনাল পেয়ে গেছিলো। তাই তারা সব ফোকাস দিলো আবু সাইদের ডিজাইনের উপর যেন তাদের মালিক মার্কিনীরা সফল হয়।
মতিউর রহমান, মাহফুন আনাম, নুরুল কবীররা আগাগোড়া মার্কিন গো লাম এটা এখন তারা নিজেরাই স্বীকার করে।
মতিউর রহমান, মাহফুজ আনামরা অলরেডি স্বীকার করেছেন তারা মার্কিনীদেত পক্ষে ছিলেন।
ঘরের মহিলাদের *মারেকি ডিরেক্ট ডলার দিয়ে নামায় নাই এটা সত্য, নুরুল কবীর, এবং এদেশীয় সকল দো সরদের ডলার দিছে মহিলারা যেন রাস্তায় নামে এমন পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য।
এদেশে একদিন ন্যায়বিচার প্রতিষ্টা পাবে। আমরা প্রত্যেককে ন্যায় বিচার দিবো। সবুজ আলী, এমনকি শিবিরের আবু সাইদকেও আমরা ন্যায় বিচার দিবো।
-আনিস খাঁন।

আনিস খাঁন’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।