, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও তাঁর জাত পরিচয় দিলেন

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ৪৪ পড়া হয়েছে

অনলাইন সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

অবশেষে ড সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীও তাঁর জাত পরিচয় জানান দিলেন।কুকুরের লেশ আমরন বাঁকাই থাকে।।
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী জাতিকে হাসালেন!
জুলাই আমাদের চিনতে শিখিয়েছে কারা গুপ্ত!
তিনি গণতন্ত্র কায়েমের অভিলাষে ডিপস্টেটের একঝাঁক কারিগর নিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি গঠন করেছেন! সেই কমিটি তিন নম্বর ব্যক্তি হচ্ছেন সলিমুল্লাহ খান। যিনি তার নিজ পরিবারেই গণতন্ত্র হত্যা করেছেন। তাঁর সাবেক স্ত্রীর গ্রন্থ থেকেই জানা যায় পুরুষতান্ত্রিক মানষিকতার এই ব্যক্তিটি ফ্যাসিস্ট কায়দায় স্ত্রী ও সন্তানের প্রতি চরম নির্মমতা প্রদর্শন করেছেন।
এই ব্যাক্তি প্রচণ্ড রকমের বাঙালি জাতি অর্থাৎ স্বজাতি বিদ্বেষী। রবীন্দ্রনাথ, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিম, শরৎচন্দ্র থেকে শুরু করে আমাদের দেশের সৈয়দ শামছুল হক, হুমায়ন আজাদ, শামছুর রাহমান, শওকত ওসমান, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও জাফর ইকবালসহ প্রথিতযশা সকল কবি,
সাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, গল্পকার তিনি তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন এবং সকলের ছিদ্র অন্বেষণে তিনি ব্যস্ত! নানাধরণের বানোয়াট ন্যারেটিভ ও অপবাদ দিয়ে তাদের চরিত্র হরণের চেষ্টা করেছেন ও করে যাচ্ছেন। দেশে মৌলবাদ প্রসারের জন্য তিনি এমন এমন ন্যারেটিভ তৈরি করেছেন, যা নেহাতই হাস্যকর। তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের থেকে মাদ্রাসার শিক্ষকরা জ্ঞানী এবং মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা অনুকরণ করেই নাকি ইউরোপ ও পশ্চিমারা জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়েছে। তিনি আমাদের দেশের জ্ঞানী, গুণীজনদের বিরুদ্ধে নানাধরণের কুৎসা রটিয়ে একটি বেয়াদব প্রজন্ম সৃষ্টির প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। ছাব্বিশের জুলাই পরবর্তীতে যার কিছু নমুনা দেখে জাতি ত্যাক্তবিরক্ত।
অবশ্য চিন্তার মিল না থাকলে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী তাঁর গণতন্ত্র ধ্বজাধারী টিমে সলিমুল্লাহ খানকে নিতন না। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ছাত্র জীবনে করতেন সাম্প্রদায়িক তমুদ্দিন মসলিস এখন সেজেছেন মার্কসবাদী তাত্ত্বিক। শিক্ষকতা জীবনেও জামায়াতি শিক্ষক সংগঠনের নেতা ছিলেন। নির্বাচনও করেছেন জামাতিদের প্যানেলে।
১৭ বছর ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু এজন্য উদার ফ্যাসিস্ট কখনও তাঁকে জেলে পুড়েনি। উনি গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগঠন গড়েছেন। অথচ সাবেক প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টের বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, গবেষক, শিক্ষক, হাজার হাজর রাজনীতিবিদ, শত শত সাংবাদিক মব সরকারের আমল থেকে মিথ্যা হত্যা মামলায় কারাগারে দুই বছরের বেশি মানবেতর জীবনযাপন করছেন তখন ওনাদের গণতন্ত্রের বিবেক মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে বন্ধক দিয়ে গভীর গভীর নিদ্রায় মগ্ন আছেন! ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশে পুলিশ হেফাজতে ৩০ জন ও কারা হেফাজতে ২২৭ জন মৃত্যুবরণ করেছে, যার বেশিরভাগেরই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় এসব বিষয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি কানে দিয়েছে তুলো, মুখে দিয়েছে তালা! সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে এদের কোন উচ্চবাচ্য নেই। মব রাজার রাজত্বে টিকার অভাবে গণহারে শিশু মৃত্যুর বিষয়ে এরা নীরব! মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ গুড়িয়ে দেওযার পরও তাদের গণতন্ত্রের ডুগডুগি বাজেনি।
জুলাই আমাদের চিনতে শিখিয়েছে কারা গুপ্ত!
Firozur Rahman Mullah
শ্রদ্ধেয় জনাব সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী স্যার চেতনায় একজন চাইনিং। 71’সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে স্যার ছিলেন মাওসেং এর Two dogs are fighting with a peace of meat তত্বের সমর্থক। বুঝ হে সূজন।

Razzaqul Haider Chowdhury’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

ড সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও তাঁর জাত পরিচয় দিলেন

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

অনলাইন সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

অবশেষে ড সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীও তাঁর জাত পরিচয় জানান দিলেন।কুকুরের লেশ আমরন বাঁকাই থাকে।।
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী জাতিকে হাসালেন!
জুলাই আমাদের চিনতে শিখিয়েছে কারা গুপ্ত!
তিনি গণতন্ত্র কায়েমের অভিলাষে ডিপস্টেটের একঝাঁক কারিগর নিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি গঠন করেছেন! সেই কমিটি তিন নম্বর ব্যক্তি হচ্ছেন সলিমুল্লাহ খান। যিনি তার নিজ পরিবারেই গণতন্ত্র হত্যা করেছেন। তাঁর সাবেক স্ত্রীর গ্রন্থ থেকেই জানা যায় পুরুষতান্ত্রিক মানষিকতার এই ব্যক্তিটি ফ্যাসিস্ট কায়দায় স্ত্রী ও সন্তানের প্রতি চরম নির্মমতা প্রদর্শন করেছেন।
এই ব্যাক্তি প্রচণ্ড রকমের বাঙালি জাতি অর্থাৎ স্বজাতি বিদ্বেষী। রবীন্দ্রনাথ, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিম, শরৎচন্দ্র থেকে শুরু করে আমাদের দেশের সৈয়দ শামছুল হক, হুমায়ন আজাদ, শামছুর রাহমান, শওকত ওসমান, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও জাফর ইকবালসহ প্রথিতযশা সকল কবি,
সাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, গল্পকার তিনি তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন এবং সকলের ছিদ্র অন্বেষণে তিনি ব্যস্ত! নানাধরণের বানোয়াট ন্যারেটিভ ও অপবাদ দিয়ে তাদের চরিত্র হরণের চেষ্টা করেছেন ও করে যাচ্ছেন। দেশে মৌলবাদ প্রসারের জন্য তিনি এমন এমন ন্যারেটিভ তৈরি করেছেন, যা নেহাতই হাস্যকর। তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের থেকে মাদ্রাসার শিক্ষকরা জ্ঞানী এবং মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা অনুকরণ করেই নাকি ইউরোপ ও পশ্চিমারা জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়েছে। তিনি আমাদের দেশের জ্ঞানী, গুণীজনদের বিরুদ্ধে নানাধরণের কুৎসা রটিয়ে একটি বেয়াদব প্রজন্ম সৃষ্টির প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। ছাব্বিশের জুলাই পরবর্তীতে যার কিছু নমুনা দেখে জাতি ত্যাক্তবিরক্ত।
অবশ্য চিন্তার মিল না থাকলে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী তাঁর গণতন্ত্র ধ্বজাধারী টিমে সলিমুল্লাহ খানকে নিতন না। অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ছাত্র জীবনে করতেন সাম্প্রদায়িক তমুদ্দিন মসলিস এখন সেজেছেন মার্কসবাদী তাত্ত্বিক। শিক্ষকতা জীবনেও জামায়াতি শিক্ষক সংগঠনের নেতা ছিলেন। নির্বাচনও করেছেন জামাতিদের প্যানেলে।
১৭ বছর ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু এজন্য উদার ফ্যাসিস্ট কখনও তাঁকে জেলে পুড়েনি। উনি গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগঠন গড়েছেন। অথচ সাবেক প্রধান বিচারপতি, হাইকোর্টের বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, গবেষক, শিক্ষক, হাজার হাজর রাজনীতিবিদ, শত শত সাংবাদিক মব সরকারের আমল থেকে মিথ্যা হত্যা মামলায় কারাগারে দুই বছরের বেশি মানবেতর জীবনযাপন করছেন তখন ওনাদের গণতন্ত্রের বিবেক মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে বন্ধক দিয়ে গভীর গভীর নিদ্রায় মগ্ন আছেন! ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশে পুলিশ হেফাজতে ৩০ জন ও কারা হেফাজতে ২২৭ জন মৃত্যুবরণ করেছে, যার বেশিরভাগেরই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় এসব বিষয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি কানে দিয়েছে তুলো, মুখে দিয়েছে তালা! সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে এদের কোন উচ্চবাচ্য নেই। মব রাজার রাজত্বে টিকার অভাবে গণহারে শিশু মৃত্যুর বিষয়ে এরা নীরব! মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ গুড়িয়ে দেওযার পরও তাদের গণতন্ত্রের ডুগডুগি বাজেনি।
জুলাই আমাদের চিনতে শিখিয়েছে কারা গুপ্ত!
Firozur Rahman Mullah
শ্রদ্ধেয় জনাব সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী স্যার চেতনায় একজন চাইনিং। 71’সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে স্যার ছিলেন মাওসেং এর Two dogs are fighting with a peace of meat তত্বের সমর্থক। বুঝ হে সূজন।

Razzaqul Haider Chowdhury’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।