, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জঙ্গি হামলায় রাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধান কেন নীরব ছিল?

  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ২৭ পড়া হয়েছে
অনলাইন শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
🇧🇩 আগস্টে বাংলাদেশের যে জঙ্গি হামলা হয়েছিল,
সেই জঙ্গি হামলায় রাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধান
কেন নীরব ছিল? বিস্তারিত নিচে পড়ুন 🇧🇩
🇧🇩 রাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর চরম ব্যর্থতা ও অপরাধমূলক নিষ্ক্রিয়তার কারণে ৫ই আগস্টে বাংলাদেশের বুকে যে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলা, পৈশাচিক তাণ্ডব ও ধ্বংসলীলা চালানো হয়েছে, তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে আজ প্রতিটি বিবেকবান মানুষের রক্তক্ষরণ হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনীর প্রধানরা যদি তাঁদের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও শপথের প্রতি একটুও সৎ থেকে দেশ রক্ষার জোরালো উদ্যোগ নিতেন, তবে আজ জনগণের তিল তিল করে গড়া সোনার বাংলাদেশকে এমন ছাইয়ে পরিণত হতে হতো না! তাঁদের এই রহস্যময় ও অপরাধমূলক নীরবতার সুযোগে উগ্র হায়েনার দল দেশের মা-বোনদের ওপর চালিয়েছে পৈশাচিক নির্যাতন, লজ্জিত করেছে সম্মানিত নারী শিক্ষকদের পবিত্র মর্যাদা, অন্যদিকে পেটে ভাত ও মাথার ওপর ছাদ হারিয়ে সাধারণ মানুষ আজ প্রতিনিয়ত তিল তিল করে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছে। তাদের এই অমার্জনীয় উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতাই মূলত এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পথ প্রশস্ত করেছিল, যার ফলে আজ দেশের সাধারণ মানুষ চরম অনিশ্চয়তা, মানবেতর জীবনযাপন এবং বুকের ভেতর চেপে থাকা দীর্ঘশ্বাসে নরকীয় যন্ত্রণা ভোগ করছে। 💧
🇧🇩 ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এবং পাঁচবারের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক দল, স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র গোষ্ঠী, কিছু ভণ্ড কাঠমোল্লা, সুবিধাভোগী ইউটিউবার, ফুড ব্লগার ও বিতর্কিত নর্তকীদের মোটা অঙ্কের বিদেশি ডলারে কিনে নিয়ে দেশের বিভিন্ন ভার্সিটি ও কলেজে ল্যাপটপ, আইফোন, নতুন সিম এবং সিডির মাধ্যমে ইন্টারনেট বন্ধ হলে করণীয় নির্দেশ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই আন্দোলনকে একটি ধ্বংসাত্মক জঙ্গি রূপ দেওয়া হয়েছিল, অথচ এই সুদূরপ্রসারী আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ষড়যন্ত্র এবং অর্থায়নের খেলা থামাতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনী সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে; এই কুচক্রীদের লেলিয়ে দেওয়া উগ্র সন্ত্রাসীদের নির্মম তাণ্ডবে দেশের পবিত্র নারীদের সম্ভ্রম লুণ্ঠিত হয়েছে, আর খেটে খাওয়া মানুষের অন্তহীন কান্না ও হাহাকারে আজ ভারী হয়ে উঠেছে বাংলার আকাশ-বাতাস। একটি কড়া নির্দেশ বা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভাবেই আজ লাখো মানুষের চোখের জল আর বুকফাটা আর্তনাদে দেশের পবিত্র মাটি ভিজে গেছে, অথচ ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে কর্তাব্যক্তিরা কেবল তামাশা দেখেছেন। ✊
🇧🇩 রাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধানগণ যদি সেদিন দেশ ও জাতির স্বার্থে দ্রুত একটি যৌথ জরুরি বৈঠক করে জাতির উদ্দেশ্যে স্পষ্ট, কঠোর ও সাহসী ঘোষণা দিতেন—যে “আর নয়, যা করার করেছো, এবার থামো, জনগণের প্রিয় সম্পদে আর হাত দিও না, যার জন্য আন্দোলন করছো তাকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে নিরাপদে দেশের বাইরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, তোমরা এখন যার যার পড়াশোনা ও কর্মস্থলে ফিরে যাও এবং আমরা কথা দিচ্ছি দ্রুত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করব”—তবে আজকের এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি কোনোভাবেই ঘটত না; যদি সেদিন তাঁরা এই দূরদর্শী ও কালক্ষেপণহীন পদক্ষেপ নিতেন, তবে আজ বাংলার মা-বোনদের অবর্ণনীয় আর্তনাদে বুক ফেটে যেত না এবং সাধারণ মানুষের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে তাদের নিঃস্ব করা হতো না। একটি কড়া নির্দেশ বা সামান্য জোরালো পদক্ষেপই পারে সবকিছু রক্ষা করতে, কিন্তু তাঁদের চরম ব্যর্থতা ও পলায়নপর মানসিকতা তা হতে দেয়নি, যার ফলে আজ গোটা জাতি এক অভিশপ্ত ও মানবেতর জীবনের শিকার হয়েছে। 💧
🇧🇩 এই আত্মঘাতী আন্দোলনের নির্মম পরিণতিতে আমরা দেখলাম, টাকার লোভে পড়ে যে তথাকথিত মাস্টাররা এই অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছিলেন, ৫ই আগস্টের পর তাদের অনেকের ওপরই চরম অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় এবং ১৯৭১ সালের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় পর্যন্ত জুতার মালা পরানোর মতো ধৃষ্টতা দেখানো হয়, অথচ মাঠে পূর্ণ শক্তিতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তৎকালীন সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্রপতি তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন না করে কেবল নীরব দর্শকের মতো সার্কাস খেলা দেখেছেন; সেই অন্ধকার ও বিভীষিকাময় দিনগুলোতে হায়েনারা ঘরের কোণায় লুকিয়ে থাকা অবলা মা-বোনদের ওপর চালিয়েছে পৈশাচিক অত্যাচার, আর ক্ষুধার জ্বালায় অবুঝ শিশুদের বুকফাটা আর্তনাদে ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছে প্রতিটি জনপদ। এই উদাসীনতা ও পলায়নপরতা এক অমার্জনীয় রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধের শামিল, যা কখনো ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য নয়, এবং সাধারণ মানুষের কষ্টের জীবন আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। 📜
🇧🇩 সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮, ৬১ ও ১৪১(ক) অনুযায়ী দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের জানমাল রক্ষা করার চূড়ান্ত সাংবিধানিক শপথ তাঁদের নেওয়া ছিল, কিন্তু রাষ্ট্রপতি এবং প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের প্রধানগণ বিদেশি ডলারের প্রলোভন বা গোপন সমঝোতার কারণে হাত গুটিয়ে বসে থেকে জাতির সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন, যার ফলে একসময় এই রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনীর প্রধানদের প্রতি এদেশের সাধারণ মানুষের যে অগাধ আস্থা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ছিল, তা আজ এক নিমিষেই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে; তাঁদের এই ঐতিহাসিক বিশ্বাসঘাতকতার চড়া মূল্য চুকাতে হয়েছে দেশের লাখো সাধারণ মানুষকে, যেখানে অবলা নারীদের সম্ভ্রম কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং পেটের দায়ে রাস্তায় নামা খেটে খাওয়া মানুষের রক্তে লাল হয়েছে রাজপথ। সাংবিধানিক সুরক্ষার অভাবে সাধারণ মানুষের জানমাল আজ সম্পূর্ণ অরক্ষিত ও বিপর্যস্ত, আর দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে আজ হাহাকার আর কষ্টের কালো ছায়া নেমে এসেছে।
⚖️
🇧🇩 দেশের জনগণ আজ অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিচ্ছে—আজ হয়তো তাঁরা বিভিন্ন রাজনৈতিক সমীকরণে সাময়িকভাবে পার পেয়ে গেছেন, কিন্তু এদেশের মাটি ও মানুষের চোখ ফাঁকি দেওয়া এত সহজ নয়; ভবিষ্যতে যদি কখনো সুযোগ আসে, তবে এই রাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর যেসব উর্ধ্বতন অফিসার আমাদের রাষ্ট্রের জনগণের বুকের ওপর দিয়ে এমন আত্মঘাতী, অসাংবিধানিক ও হঠকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছিলেন, জনগণের আদালতেই তাদের উপযুক্ত, কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ! যাঁরা সেদিন মা-বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠিত হতে দেখেও অন্ধ সেজেছিলেন এবং খেটে খাওয়া মানুষের রক্ত-জল করা কষ্টের ওপর দিয়ে তাণ্ডবের নিষ্ঠুর ঝড় বইয়ে দিয়েছিলেন, তাঁদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই নিশ্চিত করা হবে। ক্ষমতার এই অন্ধ লোভ ও রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব আজ এক ভয়ংকর সর্বনাশের জন্ম দিয়েছে, যার প্রতিটি ফোঁটা চোখের জলের হিসাব একদিন তাদের কড়ায়-গণ্ডায় দিতেই হবে। ✨
🇧🇩 অবশেষে সমস্ত অন্ধকার, কুয়াশা ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে ইনশাআল্লাহ আগামী ডিসেম্বরে আমাদের প্রিয় নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বীরের বেশে আমাদের মাঝে ফিরে আসছেন, আর মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্দি ও রাজপথের লড়াকু ভাই-বোনদের মহান আল্লাহ পাক নিজ দায়িত্বে হেফাজত করুন এবং এই প্রিয় বাংলাদেশকে চিরতরে রক্ষা করুন, অতীতে রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনীর যে জঘন্য ব্যর্থতা দেশকে ধ্বংস করেছে, সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীতে চরম কঠোর ও দায়িত্বশীল হতে হবে; দীর্ঘদিনের এই চরম নির্যাতন, মা-বোনদের বুকফাটা কান্না ও সাধারণ মানুষের না খেয়ে তিল তিল করে মরার হৃদয়বিদারক দৃশ্য আজ আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘтаচ্ছে, যা থেকে মুক্তির একমাত্র ও চূড়ান্ত উপায় হলো নেত্রীর ফিরে আসা। তাদের অতীতের নিষ্ক্রিয়তা দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে এনেছিল, আর সাধারণ মানুষ আজ পরিবর্তনের এক নতুন আলোর অপেক্ষায় দিন গুণছে। ⚡
🇧🇩 হে রাব্বুল আলামিন, আমাদের বুকফাটা কান্না ও চোখের জলের প্রতিটি ফোঁটা তুমি কবুল করে নাও। বিশেষ করে আমাদের তৃণমূল পর্যায়ের যেসব নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মী আজ রাজপথে জনগণের অধিকারের জন্য লড়াই করতে গিয়ে বারবার পুলিশের হয়রানির শিকার হচ্ছে এবং বর্তমান সরকারের অবৈধ ক্যাডার বাহিনীর দ্বারা প্রতিনিয়ত নির্যাতিত ও হয়রান হচ্ছে, হে আল্লাহ, তুমি এই তৃণমূলের সাহসী নেতাকর্মীদেরকে তোমার অশেষ রহমত দিয়ে হেফাজত করো, তাদেরকে সব ধরনের বিপদ থেকে মুক্ত রেখে পূর্ণ সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করো। সেইসাথে হায়েনার দল কর্তৃক নির্যাতিত আমাদের মা-বোনদের ইজ্জতের হেফাজত করো এবং দুবেলা দুমুঠো ভাতের জন্য হাহাকার করা কোটি কোটি সাধারণ মানুষের বুকফাটা কান্নার বিচার তুমি নিজ কুদরতে এই বাংলার মাটিতেই নিশ্চিত করে দাও, আমীন ইয়া রাব্বুল আলামিন! রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনীর কর্তাব্যক্তিদের এই ঐতিহাসিক ব্যর্থতার বিচার কেবল দুনিয়ায় নয়, আল্লাহর দরবারেও অবধারিত। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু! বাংলাদেশ চিরজীবী হোক! 🙏
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

জঙ্গি হামলায় রাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধান কেন নীরব ছিল?

প্রকাশের সময় : ০৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
অনলাইন শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
🇧🇩 আগস্টে বাংলাদেশের যে জঙ্গি হামলা হয়েছিল,
সেই জঙ্গি হামলায় রাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধান
কেন নীরব ছিল? বিস্তারিত নিচে পড়ুন 🇧🇩
🇧🇩 রাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর চরম ব্যর্থতা ও অপরাধমূলক নিষ্ক্রিয়তার কারণে ৫ই আগস্টে বাংলাদেশের বুকে যে নজিরবিহীন জঙ্গি হামলা, পৈশাচিক তাণ্ডব ও ধ্বংসলীলা চালানো হয়েছে, তার চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে আজ প্রতিটি বিবেকবান মানুষের রক্তক্ষরণ হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনীর প্রধানরা যদি তাঁদের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও শপথের প্রতি একটুও সৎ থেকে দেশ রক্ষার জোরালো উদ্যোগ নিতেন, তবে আজ জনগণের তিল তিল করে গড়া সোনার বাংলাদেশকে এমন ছাইয়ে পরিণত হতে হতো না! তাঁদের এই রহস্যময় ও অপরাধমূলক নীরবতার সুযোগে উগ্র হায়েনার দল দেশের মা-বোনদের ওপর চালিয়েছে পৈশাচিক নির্যাতন, লজ্জিত করেছে সম্মানিত নারী শিক্ষকদের পবিত্র মর্যাদা, অন্যদিকে পেটে ভাত ও মাথার ওপর ছাদ হারিয়ে সাধারণ মানুষ আজ প্রতিনিয়ত তিল তিল করে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছে। তাদের এই অমার্জনীয় উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতাই মূলত এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পথ প্রশস্ত করেছিল, যার ফলে আজ দেশের সাধারণ মানুষ চরম অনিশ্চয়তা, মানবেতর জীবনযাপন এবং বুকের ভেতর চেপে থাকা দীর্ঘশ্বাসে নরকীয় যন্ত্রণা ভোগ করছে। 💧
🇧🇩 ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এবং পাঁচবারের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক দল, স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র গোষ্ঠী, কিছু ভণ্ড কাঠমোল্লা, সুবিধাভোগী ইউটিউবার, ফুড ব্লগার ও বিতর্কিত নর্তকীদের মোটা অঙ্কের বিদেশি ডলারে কিনে নিয়ে দেশের বিভিন্ন ভার্সিটি ও কলেজে ল্যাপটপ, আইফোন, নতুন সিম এবং সিডির মাধ্যমে ইন্টারনেট বন্ধ হলে করণীয় নির্দেশ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই আন্দোলনকে একটি ধ্বংসাত্মক জঙ্গি রূপ দেওয়া হয়েছিল, অথচ এই সুদূরপ্রসারী আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ষড়যন্ত্র এবং অর্থায়নের খেলা থামাতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনী সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে; এই কুচক্রীদের লেলিয়ে দেওয়া উগ্র সন্ত্রাসীদের নির্মম তাণ্ডবে দেশের পবিত্র নারীদের সম্ভ্রম লুণ্ঠিত হয়েছে, আর খেটে খাওয়া মানুষের অন্তহীন কান্না ও হাহাকারে আজ ভারী হয়ে উঠেছে বাংলার আকাশ-বাতাস। একটি কড়া নির্দেশ বা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভাবেই আজ লাখো মানুষের চোখের জল আর বুকফাটা আর্তনাদে দেশের পবিত্র মাটি ভিজে গেছে, অথচ ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে কর্তাব্যক্তিরা কেবল তামাশা দেখেছেন। ✊
🇧🇩 রাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধানগণ যদি সেদিন দেশ ও জাতির স্বার্থে দ্রুত একটি যৌথ জরুরি বৈঠক করে জাতির উদ্দেশ্যে স্পষ্ট, কঠোর ও সাহসী ঘোষণা দিতেন—যে “আর নয়, যা করার করেছো, এবার থামো, জনগণের প্রিয় সম্পদে আর হাত দিও না, যার জন্য আন্দোলন করছো তাকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে নিরাপদে দেশের বাইরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, তোমরা এখন যার যার পড়াশোনা ও কর্মস্থলে ফিরে যাও এবং আমরা কথা দিচ্ছি দ্রুত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করব”—তবে আজকের এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি কোনোভাবেই ঘটত না; যদি সেদিন তাঁরা এই দূরদর্শী ও কালক্ষেপণহীন পদক্ষেপ নিতেন, তবে আজ বাংলার মা-বোনদের অবর্ণনীয় আর্তনাদে বুক ফেটে যেত না এবং সাধারণ মানুষের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে তাদের নিঃস্ব করা হতো না। একটি কড়া নির্দেশ বা সামান্য জোরালো পদক্ষেপই পারে সবকিছু রক্ষা করতে, কিন্তু তাঁদের চরম ব্যর্থতা ও পলায়নপর মানসিকতা তা হতে দেয়নি, যার ফলে আজ গোটা জাতি এক অভিশপ্ত ও মানবেতর জীবনের শিকার হয়েছে। 💧
🇧🇩 এই আত্মঘাতী আন্দোলনের নির্মম পরিণতিতে আমরা দেখলাম, টাকার লোভে পড়ে যে তথাকথিত মাস্টাররা এই অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছিলেন, ৫ই আগস্টের পর তাদের অনেকের ওপরই চরম অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় এবং ১৯৭১ সালের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় পর্যন্ত জুতার মালা পরানোর মতো ধৃষ্টতা দেখানো হয়, অথচ মাঠে পূর্ণ শক্তিতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তৎকালীন সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্রপতি তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন না করে কেবল নীরব দর্শকের মতো সার্কাস খেলা দেখেছেন; সেই অন্ধকার ও বিভীষিকাময় দিনগুলোতে হায়েনারা ঘরের কোণায় লুকিয়ে থাকা অবলা মা-বোনদের ওপর চালিয়েছে পৈশাচিক অত্যাচার, আর ক্ষুধার জ্বালায় অবুঝ শিশুদের বুকফাটা আর্তনাদে ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছে প্রতিটি জনপদ। এই উদাসীনতা ও পলায়নপরতা এক অমার্জনীয় রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধের শামিল, যা কখনো ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য নয়, এবং সাধারণ মানুষের কষ্টের জীবন আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। 📜
🇧🇩 সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮, ৬১ ও ১৪১(ক) অনুযায়ী দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের জানমাল রক্ষা করার চূড়ান্ত সাংবিধানিক শপথ তাঁদের নেওয়া ছিল, কিন্তু রাষ্ট্রপতি এবং প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের প্রধানগণ বিদেশি ডলারের প্রলোভন বা গোপন সমঝোতার কারণে হাত গুটিয়ে বসে থেকে জাতির সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন, যার ফলে একসময় এই রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনীর প্রধানদের প্রতি এদেশের সাধারণ মানুষের যে অগাধ আস্থা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ছিল, তা আজ এক নিমিষেই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে; তাঁদের এই ঐতিহাসিক বিশ্বাসঘাতকতার চড়া মূল্য চুকাতে হয়েছে দেশের লাখো সাধারণ মানুষকে, যেখানে অবলা নারীদের সম্ভ্রম কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং পেটের দায়ে রাস্তায় নামা খেটে খাওয়া মানুষের রক্তে লাল হয়েছে রাজপথ। সাংবিধানিক সুরক্ষার অভাবে সাধারণ মানুষের জানমাল আজ সম্পূর্ণ অরক্ষিত ও বিপর্যস্ত, আর দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে আজ হাহাকার আর কষ্টের কালো ছায়া নেমে এসেছে।
⚖️
🇧🇩 দেশের জনগণ আজ অত্যন্ত স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিচ্ছে—আজ হয়তো তাঁরা বিভিন্ন রাজনৈতিক সমীকরণে সাময়িকভাবে পার পেয়ে গেছেন, কিন্তু এদেশের মাটি ও মানুষের চোখ ফাঁকি দেওয়া এত সহজ নয়; ভবিষ্যতে যদি কখনো সুযোগ আসে, তবে এই রাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর যেসব উর্ধ্বতন অফিসার আমাদের রাষ্ট্রের জনগণের বুকের ওপর দিয়ে এমন আত্মঘাতী, অসাংবিধানিক ও হঠকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছিলেন, জনগণের আদালতেই তাদের উপযুক্ত, কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ! যাঁরা সেদিন মা-বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠিত হতে দেখেও অন্ধ সেজেছিলেন এবং খেটে খাওয়া মানুষের রক্ত-জল করা কষ্টের ওপর দিয়ে তাণ্ডবের নিষ্ঠুর ঝড় বইয়ে দিয়েছিলেন, তাঁদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই নিশ্চিত করা হবে। ক্ষমতার এই অন্ধ লোভ ও রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব আজ এক ভয়ংকর সর্বনাশের জন্ম দিয়েছে, যার প্রতিটি ফোঁটা চোখের জলের হিসাব একদিন তাদের কড়ায়-গণ্ডায় দিতেই হবে। ✨
🇧🇩 অবশেষে সমস্ত অন্ধকার, কুয়াশা ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে ইনশাআল্লাহ আগামী ডিসেম্বরে আমাদের প্রিয় নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বীরের বেশে আমাদের মাঝে ফিরে আসছেন, আর মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্দি ও রাজপথের লড়াকু ভাই-বোনদের মহান আল্লাহ পাক নিজ দায়িত্বে হেফাজত করুন এবং এই প্রিয় বাংলাদেশকে চিরতরে রক্ষা করুন, অতীতে রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনীর যে জঘন্য ব্যর্থতা দেশকে ধ্বংস করেছে, সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীতে চরম কঠোর ও দায়িত্বশীল হতে হবে; দীর্ঘদিনের এই চরম নির্যাতন, মা-বোনদের বুকফাটা কান্না ও সাধারণ মানুষের না খেয়ে তিল তিল করে মরার হৃদয়বিদারক দৃশ্য আজ আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘтаচ্ছে, যা থেকে মুক্তির একমাত্র ও চূড়ান্ত উপায় হলো নেত্রীর ফিরে আসা। তাদের অতীতের নিষ্ক্রিয়তা দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে এনেছিল, আর সাধারণ মানুষ আজ পরিবর্তনের এক নতুন আলোর অপেক্ষায় দিন গুণছে। ⚡
🇧🇩 হে রাব্বুল আলামিন, আমাদের বুকফাটা কান্না ও চোখের জলের প্রতিটি ফোঁটা তুমি কবুল করে নাও। বিশেষ করে আমাদের তৃণমূল পর্যায়ের যেসব নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মী আজ রাজপথে জনগণের অধিকারের জন্য লড়াই করতে গিয়ে বারবার পুলিশের হয়রানির শিকার হচ্ছে এবং বর্তমান সরকারের অবৈধ ক্যাডার বাহিনীর দ্বারা প্রতিনিয়ত নির্যাতিত ও হয়রান হচ্ছে, হে আল্লাহ, তুমি এই তৃণমূলের সাহসী নেতাকর্মীদেরকে তোমার অশেষ রহমত দিয়ে হেফাজত করো, তাদেরকে সব ধরনের বিপদ থেকে মুক্ত রেখে পূর্ণ সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করো। সেইসাথে হায়েনার দল কর্তৃক নির্যাতিত আমাদের মা-বোনদের ইজ্জতের হেফাজত করো এবং দুবেলা দুমুঠো ভাতের জন্য হাহাকার করা কোটি কোটি সাধারণ মানুষের বুকফাটা কান্নার বিচার তুমি নিজ কুদরতে এই বাংলার মাটিতেই নিশ্চিত করে দাও, আমীন ইয়া রাব্বুল আলামিন! রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনীর কর্তাব্যক্তিদের এই ঐতিহাসিক ব্যর্থতার বিচার কেবল দুনিয়ায় নয়, আল্লাহর দরবারেও অবধারিত। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু! বাংলাদেশ চিরজীবী হোক! 🙏
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।