, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদেশের মাটিতে কেনো এত নীচুস্বরে কথা বললেন <আঙ্গুলের উপর আঙ্গল তুললেননা।

  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ২৪ পড়া হয়েছে
অনলাইন শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
কিছু সত্য আমাদের কে অবশ্যই বলতে হবে নতুবা বঙ্গবন্ধু কন্যার এবং তৃণমূলের এই অসম ত্যাগ এবং ফিরে আসার সংকল্প বৃথা যাবে এবং ধানমন্ডি ৩২ ভাঙ্গার বেদনা আমাদের আওয়ামী প্রজন্ম হিসাবে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে। জুলাই শেষের দিক থেকে আগষ্টের ৪ তারিখ পর্যন্ত যখন আমরা ধানমন্ডি ৩ এ তে বুক চেতিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে অস্তিত্বের লড়াই করতেছিলাম।
যেখানে কিছু নেতা হঠাৎ একটু আগাইয়ে আবার পিছনে দৌড় দিত এর ফলে আমাদের সাথে যারা সামনের সারিতে থাকত তারা হতাশ হত। হপ খুঁজে পেত না। আবার অধিকাংশই ৩ এবং ৪ তারিখে ১২ টার মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়া তো দূরের কথা আবোল তাবোল বুঝিয়ে পুলিশ প্রটোকলে ভাগছিলো। তারপর ৫ আগষ্ট! বঙ্গবন্ধু কন্যা হাল ধরলেন। কতদিন আপনাদের খুঁজে পাওয়া গেলো না।
আওয়ামী অসহায় বঞ্চিত তৃণমূল তাদের জীবন,পরিবার আর না খেয়ে আওয়ামীলীগ ও শেখ হাসিনা কে প্রাসঙ্গিক করে তুলতে থাকলো। তারপর আপনারা আমাবস্যা চাঁদের মত আসতে থাকলেন। অবশ্যই ভালো জিনিস। কিন্তু ভুলভাল বলে ইগু রেখে আবার ক্রেডিট নেওয়া শুরু করলেন। নিচের ছবি শ ম রেজাউল করিম ভাইয়ের। উনি ইদানীং প্রায় মাঝে মাঝেই ভিডিও বার্তা দেন। খুব পজিটিভ কথা বলেন এবং শতভাগ ফিরে আসার ব্যাপারে হুক্কার দেন। খুব ভালো জিনিস। উনার প্রতি শ্রদ্ধা।
কিছুদিন আগে বঙ্গবন্ধু কন্যার সাথে লন্ডন থেকে এসে দিল্লীতে দেখা করে গেছেন। সবই পজিটিভ। আজ লন্ডনে একটা রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়ার সময় ছাত্রদলের সি গ্রেডের এক নেতা তাঁর সাথে সাউট করছেন, বিভিন্ন ভাবে আওয়ামী সরকার বিভিন্ন দিক নিয়ে একের পর এক ব্লেম করছেন। তারাও দুইজন আপনারাও দুইজন। বিদেশের মাটিতে কেনো এত নীচুস্বরে তাদের সাথে কথা বললেন। কেনো গর্জন দিয়ে সব কথার প্রতিবাদ জানালেন না। কেনো তার আঙ্গুলের উপর আঙ্গল তুললেন না। যেখানে একজন আওয়ামী তৃণমূল থাকলে অবশ্যই তাদের কে প্রতিহত করত।
আপনি কেনো বললেন আপনি জড়িত না। তাহলে অন্যরা জড়িত ছিলো। কমেন্টে ভিডিও দেওয়া হলো কি অসহায় সেল্ফ সাপোর্ট করছে দেখলে বুঝতে পারবেন। আপনার সরকার এবং
আওয়ামীলীগ কে কেনো পজিটিভ ডিফেন্সে নিতে পারলেন না। বঙ্গবন্ধু কন্যার আওয়াজ শুনতে পারেন না। ভয়ডরহীন সেই আওয়াজ। তাহলে বিদেশের মাটিতে সি গ্রেডের এক ছাত্রদল নেতা কে এত ভয় পেলেন।
আমরা যারা দেশে থাকি তারা এখনো তারেক রহমান কে প্রধানমন্ত্রী বলিনা আর ছাত্রদল, এনসিপি এবং জামাত কে অবশ্যই লেস বদার মনে করি। প্লীজ আপনারা ইদানীং যা শুরু করছেন তাতে সব ভুলে ৫ আগষ্টের পর যুদ্ধ করা তৃণমূল আবার হতাশ হচ্ছে। এদের সাথে আবার ডাবল গেইমে যাইয়েন না। আপনারা আগে ঠিক ছিলেন না। আপনি যখন মন্ত্রী তখন আমার থানায় বিএনপির এক বড় নেতার ছেলের চাকরী হয়েছে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে আপনাকে মেসেজ করেছিলাম।
সেই নেতার ছোট ভাই আমার এলাকায় সব চাইতে বেশি অন্যায় অ*ত্যাচার করে আওয়ামী তৃণমূলের প্রতি। যা রিয়েল তাই শো করেন। তাহলে আপনি আমরা সবাই ববঙ্গবন্ধু কন্যার ফিরে আসা কে সহজ এবং কার্যকর করতে পারবো তা না হলে ৫ আগষ্টের মত আবার তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়বে….
সমালোচনা হিসাবে নিবেন আমি আপনার সংগঠনের ছোট ভাই। আপনার জন্য দোয়া ও ভালোবাসা!
Md Nazrul Islam’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

বিদেশের মাটিতে কেনো এত নীচুস্বরে কথা বললেন <আঙ্গুলের উপর আঙ্গল তুললেননা।

প্রকাশের সময় : ১০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
অনলাইন শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
কিছু সত্য আমাদের কে অবশ্যই বলতে হবে নতুবা বঙ্গবন্ধু কন্যার এবং তৃণমূলের এই অসম ত্যাগ এবং ফিরে আসার সংকল্প বৃথা যাবে এবং ধানমন্ডি ৩২ ভাঙ্গার বেদনা আমাদের আওয়ামী প্রজন্ম হিসাবে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে। জুলাই শেষের দিক থেকে আগষ্টের ৪ তারিখ পর্যন্ত যখন আমরা ধানমন্ডি ৩ এ তে বুক চেতিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে অস্তিত্বের লড়াই করতেছিলাম।
যেখানে কিছু নেতা হঠাৎ একটু আগাইয়ে আবার পিছনে দৌড় দিত এর ফলে আমাদের সাথে যারা সামনের সারিতে থাকত তারা হতাশ হত। হপ খুঁজে পেত না। আবার অধিকাংশই ৩ এবং ৪ তারিখে ১২ টার মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়া তো দূরের কথা আবোল তাবোল বুঝিয়ে পুলিশ প্রটোকলে ভাগছিলো। তারপর ৫ আগষ্ট! বঙ্গবন্ধু কন্যা হাল ধরলেন। কতদিন আপনাদের খুঁজে পাওয়া গেলো না।
আওয়ামী অসহায় বঞ্চিত তৃণমূল তাদের জীবন,পরিবার আর না খেয়ে আওয়ামীলীগ ও শেখ হাসিনা কে প্রাসঙ্গিক করে তুলতে থাকলো। তারপর আপনারা আমাবস্যা চাঁদের মত আসতে থাকলেন। অবশ্যই ভালো জিনিস। কিন্তু ভুলভাল বলে ইগু রেখে আবার ক্রেডিট নেওয়া শুরু করলেন। নিচের ছবি শ ম রেজাউল করিম ভাইয়ের। উনি ইদানীং প্রায় মাঝে মাঝেই ভিডিও বার্তা দেন। খুব পজিটিভ কথা বলেন এবং শতভাগ ফিরে আসার ব্যাপারে হুক্কার দেন। খুব ভালো জিনিস। উনার প্রতি শ্রদ্ধা।
কিছুদিন আগে বঙ্গবন্ধু কন্যার সাথে লন্ডন থেকে এসে দিল্লীতে দেখা করে গেছেন। সবই পজিটিভ। আজ লন্ডনে একটা রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়ার সময় ছাত্রদলের সি গ্রেডের এক নেতা তাঁর সাথে সাউট করছেন, বিভিন্ন ভাবে আওয়ামী সরকার বিভিন্ন দিক নিয়ে একের পর এক ব্লেম করছেন। তারাও দুইজন আপনারাও দুইজন। বিদেশের মাটিতে কেনো এত নীচুস্বরে তাদের সাথে কথা বললেন। কেনো গর্জন দিয়ে সব কথার প্রতিবাদ জানালেন না। কেনো তার আঙ্গুলের উপর আঙ্গল তুললেন না। যেখানে একজন আওয়ামী তৃণমূল থাকলে অবশ্যই তাদের কে প্রতিহত করত।
আপনি কেনো বললেন আপনি জড়িত না। তাহলে অন্যরা জড়িত ছিলো। কমেন্টে ভিডিও দেওয়া হলো কি অসহায় সেল্ফ সাপোর্ট করছে দেখলে বুঝতে পারবেন। আপনার সরকার এবং
আওয়ামীলীগ কে কেনো পজিটিভ ডিফেন্সে নিতে পারলেন না। বঙ্গবন্ধু কন্যার আওয়াজ শুনতে পারেন না। ভয়ডরহীন সেই আওয়াজ। তাহলে বিদেশের মাটিতে সি গ্রেডের এক ছাত্রদল নেতা কে এত ভয় পেলেন।
আমরা যারা দেশে থাকি তারা এখনো তারেক রহমান কে প্রধানমন্ত্রী বলিনা আর ছাত্রদল, এনসিপি এবং জামাত কে অবশ্যই লেস বদার মনে করি। প্লীজ আপনারা ইদানীং যা শুরু করছেন তাতে সব ভুলে ৫ আগষ্টের পর যুদ্ধ করা তৃণমূল আবার হতাশ হচ্ছে। এদের সাথে আবার ডাবল গেইমে যাইয়েন না। আপনারা আগে ঠিক ছিলেন না। আপনি যখন মন্ত্রী তখন আমার থানায় বিএনপির এক বড় নেতার ছেলের চাকরী হয়েছে। আমি ব্যক্তিগত ভাবে আপনাকে মেসেজ করেছিলাম।
সেই নেতার ছোট ভাই আমার এলাকায় সব চাইতে বেশি অন্যায় অ*ত্যাচার করে আওয়ামী তৃণমূলের প্রতি। যা রিয়েল তাই শো করেন। তাহলে আপনি আমরা সবাই ববঙ্গবন্ধু কন্যার ফিরে আসা কে সহজ এবং কার্যকর করতে পারবো তা না হলে ৫ আগষ্টের মত আবার তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়বে….
সমালোচনা হিসাবে নিবেন আমি আপনার সংগঠনের ছোট ভাই। আপনার জন্য দোয়া ও ভালোবাসা!
Md Nazrul Islam’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।