, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
  • ৪৩ পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাতে পলাতক শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখতে পারেন বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার এ খবরটিও আলোচনায় উঠে আসে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাইকমিশনারকে জানান, পলাতক শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

ভারতের হাইকমিশনার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

উভয় পক্ষ নিয়মিত সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পারস্পরিক আস্থা ও আলোচনার মাধ্যমেই সব বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান অর্জন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রকাশের সময় : ০৭:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাতে পলাতক শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখতে পারেন বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার এ খবরটিও আলোচনায় উঠে আসে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাইকমিশনারকে জানান, পলাতক শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

ভারতের হাইকমিশনার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

উভয় পক্ষ নিয়মিত সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পারস্পরিক আস্থা ও আলোচনার মাধ্যমেই সব বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান অর্জন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।