, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নিম্নমানের :আবদুল মজিদ

  • প্রকাশের সময় : ৭ ঘন্টা আগে
  • ৪ পড়া হয়েছে
অনলাইন শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬,
গত পরশু বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধীদের মুখপাত্র জিল্লুর রহমানের ‘তৃতীয় মাত্রা’ নামক মার্কিন প্রোপাগান্ডা মেশিনের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়তের প্রোপাগান্ডিস্ট সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান (২০০৭-০৯) ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদের একটি বক্তব্য চোখে পড়ল। যে আলোচনায় তিনি দাবি করেছেন, শেখ হাসিনা নাকি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মূলত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে খুশি করার জন্য এবং রাজনৈতিকভাবে তাঁর সমর্থন পাওয়ার উদ্দেশ্যে। একই আলোচনায় তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পকে সি ক্যাটাগরির একটি নিম্নমানের প্রকল্প বলেও মন্তব্য করেছেন।
অথচ রূপপুরে ব্যবহৃত হয়েছে রাশিয়ার সর্বাধুনিক VVER-1200 প্রযুক্তির রিঅ্যাক্টর। এটি Generation III+ শ্রেণির আধুনিক প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তি। এই নকশায় একাধিক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা রয়েছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো ও দুর্ঘটনা ঘটলেও তার পরিণতি সীমিত রাখার জন্য এ্যাকটিভ ও প্যাসিভ—উভয় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এই জঙ্গি আলোচক রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকে অপ্রয়োজনীয় উল্লেখ করে একে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত স্বার্থের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে অপপ্রচার করলেও,বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় সকল জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন সম্পুর্ন ভিন্ন কথা। তাদের মতে,
রূপপুরের প্রথম ইউনিট চালু হলে বছরে সাশ্রয় হতে পারে ১০০ কোটি ডলার। তাদের মতে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিকভাবে চালু হলে জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির ওপর দেশের নির্ভরতা কমবে। এতে প্রতি মাসে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা এবং বছরে প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত জ্বালানি আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হতে পারে।
দুটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে সাশ্রয়ের পরিমাণ আরও বাড়বে।
এ প্রসঙ্গে নিউক্লিয়ার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিরবচ্ছিন্নভাবে বেইসলোড বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে। এতে তেল, গ্যাস ও কয়লার আমদানি কমার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য ও সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তার প্রভাবও কমবে।
এ সম্পর্কে দৈনিক ইত্তেফাকের নিউজ লিংক কমেন্টে দেওয়া হলো। বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন লিংকে গিয়ে।
Sheikh Shariful Islam’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নিম্নমানের :আবদুল মজিদ

প্রকাশের সময় : ৭ ঘন্টা আগে
অনলাইন শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬,
গত পরশু বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধীদের মুখপাত্র জিল্লুর রহমানের ‘তৃতীয় মাত্রা’ নামক মার্কিন প্রোপাগান্ডা মেশিনের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়তের প্রোপাগান্ডিস্ট সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান (২০০৭-০৯) ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদের একটি বক্তব্য চোখে পড়ল। যে আলোচনায় তিনি দাবি করেছেন, শেখ হাসিনা নাকি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মূলত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে খুশি করার জন্য এবং রাজনৈতিকভাবে তাঁর সমর্থন পাওয়ার উদ্দেশ্যে। একই আলোচনায় তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পকে সি ক্যাটাগরির একটি নিম্নমানের প্রকল্প বলেও মন্তব্য করেছেন।
অথচ রূপপুরে ব্যবহৃত হয়েছে রাশিয়ার সর্বাধুনিক VVER-1200 প্রযুক্তির রিঅ্যাক্টর। এটি Generation III+ শ্রেণির আধুনিক প্রেসারাইজড ওয়াটার রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তি। এই নকশায় একাধিক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা রয়েছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো ও দুর্ঘটনা ঘটলেও তার পরিণতি সীমিত রাখার জন্য এ্যাকটিভ ও প্যাসিভ—উভয় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এই জঙ্গি আলোচক রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকে অপ্রয়োজনীয় উল্লেখ করে একে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত স্বার্থের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে অপপ্রচার করলেও,বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় সকল জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন সম্পুর্ন ভিন্ন কথা। তাদের মতে,
রূপপুরের প্রথম ইউনিট চালু হলে বছরে সাশ্রয় হতে পারে ১০০ কোটি ডলার। তাদের মতে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিকভাবে চালু হলে জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির ওপর দেশের নির্ভরতা কমবে। এতে প্রতি মাসে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা এবং বছরে প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত জ্বালানি আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হতে পারে।
দুটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে সাশ্রয়ের পরিমাণ আরও বাড়বে।
এ প্রসঙ্গে নিউক্লিয়ার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিরবচ্ছিন্নভাবে বেইসলোড বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে। এতে তেল, গ্যাস ও কয়লার আমদানি কমার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য ও সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তার প্রভাবও কমবে।
এ সম্পর্কে দৈনিক ইত্তেফাকের নিউজ লিংক কমেন্টে দেওয়া হলো। বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন লিংকে গিয়ে।
Sheikh Shariful Islam’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।