, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

অন্যের বউ :মোস্তফা ফিরোজ আমেরিকায় বুলবুল দেশে

  • প্রকাশের সময় : ১০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • ৪২ পড়া হয়েছে

অনলাইন ১৭ জুলাই ২০২৬

অবশেষে আমাদের প্রিয় শ্রদ্ধেয় বড়ভাই, মোস্তফা ফিরোজ দীপু ভাই একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললেন। হবু বউ তথা প্রেমিকার ভয়ংকর তাড়া খেয়ে, মান-ইজ্জতের ফেলুদা বানিয়ে সাংবাদিকদের শেষ স্বাধীনতুকু বগলদাবা করে এক দৌড়ে সুদূর আমেরিকায় গিয়ে আস্তানা গেড়েছেন।
লোকটা যে শেষ পর্যন্ত বেঁচে গেছেন, এটা ভেবেই বুকটা হালকা লাগছে। আল্লাহ না করুন, দীপু ভাই যদি আর কয়েকটা দিন এই দেশে থাকতেন, তবে কখন কোন নারী “বিয়ের দাবিতে” জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্লাকার্ড হাতে মানববন্ধন করে বসতেন, সেই ভয়ে তো আমাদের সকলের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছিলো।
যাক, সুদূর মার্কিন মুলুকে গিয়ে দীপু ভাই এখন অন্তত প্রেসক্লাবের মানববন্ধনের আতঙ্ক থেকে মুক্ত।
তবে দীপু ভাই তো না হয় সীমানা পার হয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন, কিন্তু আমার রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে অন্য একজনকে নিয়ে—তিনি আমাদের মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল ভাই।
নিয়তি কখন কাকে কোন ঘাটে এনে দাঁড় করায়, বলা তো যায় না। কখন জানি বুলবুল ভাই আমাদের দীপু ভাইয়ের চেয়েও আরও করুণ আর জটিল কোনো ‘মহাজাগতিক’ সংকটে পড়ে যান, সেই চিন্তায় ব্যাকুল হয়ে আছি।
অবশ্য ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে বুলবুল ভাইয়ের দেখা পাওয়া ভার। জনসমক্ষে তাকে খুব একটা ফ্রেমবন্দি করা না গেলেও, লোকমুখে কিন্তু রসালো গুঞ্জন থামেনি।
বাতাসে জোর খবর ভাসছে—তিনি নাকি আজকাল বেশ আয়েশেই আছেন, একদম ফ্রিতে অন্যের বউ নিয়ে চুটিয়ে সংসার করে যাচ্ছেন! একেই বোধহয় বলে ‘পরের ধনে পোদ্দারি’ কিংবা সমাজতন্ত্রের আসল রূপ—যা কিছু অন্যের, তা-ই নিজের করে ভোগ করা।
দীপু ভাই পালালেন ভয়ে, আর বুলবুল ভাই ভাসছেন ‘সংসারের’ নব্য জোয়ারে। আমাদের অগ্রজদের এই কীর্তিকলাপ দেখলে সত্যিই বলতে হয়—মিডিয়া পাড়ার ভাইদের জীবনের গল্প যেকোনো রোমাঞ্চকর সিনেমাকেও হার মানায়।।।

Israfil Shaheen’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

অন্যের বউ :মোস্তফা ফিরোজ আমেরিকায় বুলবুল দেশে

প্রকাশের সময় : ১০:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

অনলাইন ১৭ জুলাই ২০২৬

অবশেষে আমাদের প্রিয় শ্রদ্ধেয় বড়ভাই, মোস্তফা ফিরোজ দীপু ভাই একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললেন। হবু বউ তথা প্রেমিকার ভয়ংকর তাড়া খেয়ে, মান-ইজ্জতের ফেলুদা বানিয়ে সাংবাদিকদের শেষ স্বাধীনতুকু বগলদাবা করে এক দৌড়ে সুদূর আমেরিকায় গিয়ে আস্তানা গেড়েছেন।
লোকটা যে শেষ পর্যন্ত বেঁচে গেছেন, এটা ভেবেই বুকটা হালকা লাগছে। আল্লাহ না করুন, দীপু ভাই যদি আর কয়েকটা দিন এই দেশে থাকতেন, তবে কখন কোন নারী “বিয়ের দাবিতে” জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্লাকার্ড হাতে মানববন্ধন করে বসতেন, সেই ভয়ে তো আমাদের সকলের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছিলো।
যাক, সুদূর মার্কিন মুলুকে গিয়ে দীপু ভাই এখন অন্তত প্রেসক্লাবের মানববন্ধনের আতঙ্ক থেকে মুক্ত।
তবে দীপু ভাই তো না হয় সীমানা পার হয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন, কিন্তু আমার রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে অন্য একজনকে নিয়ে—তিনি আমাদের মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল ভাই।
নিয়তি কখন কাকে কোন ঘাটে এনে দাঁড় করায়, বলা তো যায় না। কখন জানি বুলবুল ভাই আমাদের দীপু ভাইয়ের চেয়েও আরও করুণ আর জটিল কোনো ‘মহাজাগতিক’ সংকটে পড়ে যান, সেই চিন্তায় ব্যাকুল হয়ে আছি।
অবশ্য ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে বুলবুল ভাইয়ের দেখা পাওয়া ভার। জনসমক্ষে তাকে খুব একটা ফ্রেমবন্দি করা না গেলেও, লোকমুখে কিন্তু রসালো গুঞ্জন থামেনি।
বাতাসে জোর খবর ভাসছে—তিনি নাকি আজকাল বেশ আয়েশেই আছেন, একদম ফ্রিতে অন্যের বউ নিয়ে চুটিয়ে সংসার করে যাচ্ছেন! একেই বোধহয় বলে ‘পরের ধনে পোদ্দারি’ কিংবা সমাজতন্ত্রের আসল রূপ—যা কিছু অন্যের, তা-ই নিজের করে ভোগ করা।
দীপু ভাই পালালেন ভয়ে, আর বুলবুল ভাই ভাসছেন ‘সংসারের’ নব্য জোয়ারে। আমাদের অগ্রজদের এই কীর্তিকলাপ দেখলে সত্যিই বলতে হয়—মিডিয়া পাড়ার ভাইদের জীবনের গল্প যেকোনো রোমাঞ্চকর সিনেমাকেও হার মানায়।।।

Israfil Shaheen’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।