, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

 কি দারুণ সমঝোতা !

  • প্রকাশের সময় : ১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬
  • ২৩ পড়া হয়েছে

অনলাইন বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬

 কি দারুণ সমঝোতা!
আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহেবের সাথে আবার বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহেবের সাথে! ক্ষমতাত কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতেই হবে তানাহলে চাঁদাবাজি ও আন্ডারওয়ার্ল্ড এর ব্যবসা হবে কি করে? আর নেতারাই বা ভাগ পাবে কোথা থেকে? এই ডিস বাবু ও তার কথিত এক স্রী জাবের ইন্টারন্যাশনাল হোটেলের ফিটিংসগুলো বিদেশ থেকে পছন্দ করে ক্রয় করার দ্বায়িত্ব পালন করেছে তাহলে বুঝুন কতটা ঘনিষ্ঠ ছিলো সাবেক জেলা বিএনপির অন্যতম নেতা মোশাররফ হোসেন বাবু ওরফে ডিস বাবু।। এই ডিস বাবু আওয়ামীলীগ আমলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হত্যা করে সেই মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বিচার পায়নি কারণ সে আওয়ামীলীগ পকেটে নিয়ে ঘুরতো! যশোরের সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহেবের সাথে ঘুরে বেড়াতেন বীরদর্পে। কথিত আছে সাবেক মেয়র রেন্টু চাকলাদার এর ব্যবসায়ীক পার্টনার ছিলো এবং যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা ছিলো এই ডিস বাবু। এখন আবার ঘরের মাল ঘরে চলে আসছে এই ডিস বাবু।। না কোন আক্ষেপ নেই আমাদের নেতাদের প্রতি কারণ তাদেরকে ব্যবসা করার জন্য নেতা বানানো হয়েছিলো তারা ব্যবসায়ীকভাবে সফল যা ক্ষতি হওয়ার আওয়ামীলীগের হয়েছে তাদের তাদের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয়নি সেই আগের মতোই বিদেশে বসে বিএনপি জামাতের সাথে ভাগবাটোয়ারা চলছে এবং সকল ব্যবসা চলছে বহালতবিয়তে! একটা বিষয় লক্ষ্য করেছেন আপনারা যশোরে শাহীন চাকলাদার সাহেবের নামে মিছিল করলে মামলা হামলা হয় না কিন্তু অন্য কেউ করলে মামলা হয়! কারণ কি বলতে পারেন? এতো একজন ডিস বাবুর কথা বললাম বিগত পনের বছর যশোরের নেতারা এভাবেই বিএনপি জামাত সাথে নিয়ে রাজনীতি ও ব্যবসা করেছে সেই তারা এখন বিএনপি জামাতের ঘরে চলে আসছে আর মাইর খাচ্ছে নিরীহ নেতাকর্মী যাদেরকে এই বিএনপি জামাত দিয়ে মামলা হামলা করা হয়েছে বিগত পনের বছর।।
যশোরের দুই নেতা,একজন সন্ত্রাসী পুনর্বাসন করেছে আর একজন বিএনপি পুনর্বাসন করেছে।যারা আওয়ামী লীগ করেছে এই দুই নেতা তাদের সামাজিক, পারিবারিক, অর্থনৈতিক সবকিছুই ধ্বংস করে দিয়েছে শুধু মাত্র নিজেদের স্বার্থে।দলকে বাঁচান এদেরকে চিহ্নিত করুন।
আওয়ামী লীগের দুশ্চরিত্র অমানুষ নেতাদের কারনে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বিএনপি জামায়াতের লোকজনের চোদনে নেতার বাসা/ অফিস কোনো জায়গায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা চান্স পায়নি, দলের তৃণমূলের ক্ষোভ এখানেই,
স্যারেরা এখন বিদেশে বসে চিকেন ফ্রাই খাচ্ছেন , যেই আবার ক্ষমতায় আসবে অমনি সেই পুরোনো বিএনপি জামায়াত দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগের তৃণমূলদেরকে চিকেন ফ্রাই করে খাবে, ওদের চরিত্র কখনোই পরিবর্তন হবে না, নেত্রী দিল্লি থেকে সেই চরিত্রহীন নেতাদের সঙ্গেই টেলিগ্রামে যোগাযোগ করছেন, তার মানে যে যবর যা তে যবর তা
আওয়ামী লীগের দুশ্চরিত্র অমানুষ নেতাদের কারনে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বিএনপি জামায়াতের লোকজনের চোদনে নেতার বাসা/ অফিস কোনো জায়গায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা চান্স পায়নি, দলের তৃণমূলের ক্ষোভ এখানেই,
স্যারেরা এখন বিদেশে বসে চিকেন ফ্রাই খাচ্ছেন , যেই আবার ক্ষমতায় আসবে অমনি সেই পুরোনো বিএনপি জামায়াত দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগের তৃণমূলদেরকে চিকেন ফ্রাই করে খাবে, ওদের চরিত্র কখনোই পরিবর্তন হবে না, নেত্রী দিল্লি থেকে সেই চরিত্রহীন নেতাদের সঙ্গেই টেলিগ্রামে যোগাযোগ করছেন, তার মানে যে যবর যা তে যবর তা
 আনোয়ারুল কবীর’s Post
  • মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

 কি দারুণ সমঝোতা !

প্রকাশের সময় : ১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬

 কি দারুণ সমঝোতা!
আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহেবের সাথে আবার বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহেবের সাথে! ক্ষমতাত কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতেই হবে তানাহলে চাঁদাবাজি ও আন্ডারওয়ার্ল্ড এর ব্যবসা হবে কি করে? আর নেতারাই বা ভাগ পাবে কোথা থেকে? এই ডিস বাবু ও তার কথিত এক স্রী জাবের ইন্টারন্যাশনাল হোটেলের ফিটিংসগুলো বিদেশ থেকে পছন্দ করে ক্রয় করার দ্বায়িত্ব পালন করেছে তাহলে বুঝুন কতটা ঘনিষ্ঠ ছিলো সাবেক জেলা বিএনপির অন্যতম নেতা মোশাররফ হোসেন বাবু ওরফে ডিস বাবু।। এই ডিস বাবু আওয়ামীলীগ আমলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হত্যা করে সেই মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বিচার পায়নি কারণ সে আওয়ামীলীগ পকেটে নিয়ে ঘুরতো! যশোরের সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহেবের সাথে ঘুরে বেড়াতেন বীরদর্পে। কথিত আছে সাবেক মেয়র রেন্টু চাকলাদার এর ব্যবসায়ীক পার্টনার ছিলো এবং যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা ছিলো এই ডিস বাবু। এখন আবার ঘরের মাল ঘরে চলে আসছে এই ডিস বাবু।। না কোন আক্ষেপ নেই আমাদের নেতাদের প্রতি কারণ তাদেরকে ব্যবসা করার জন্য নেতা বানানো হয়েছিলো তারা ব্যবসায়ীকভাবে সফল যা ক্ষতি হওয়ার আওয়ামীলীগের হয়েছে তাদের তাদের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয়নি সেই আগের মতোই বিদেশে বসে বিএনপি জামাতের সাথে ভাগবাটোয়ারা চলছে এবং সকল ব্যবসা চলছে বহালতবিয়তে! একটা বিষয় লক্ষ্য করেছেন আপনারা যশোরে শাহীন চাকলাদার সাহেবের নামে মিছিল করলে মামলা হামলা হয় না কিন্তু অন্য কেউ করলে মামলা হয়! কারণ কি বলতে পারেন? এতো একজন ডিস বাবুর কথা বললাম বিগত পনের বছর যশোরের নেতারা এভাবেই বিএনপি জামাত সাথে নিয়ে রাজনীতি ও ব্যবসা করেছে সেই তারা এখন বিএনপি জামাতের ঘরে চলে আসছে আর মাইর খাচ্ছে নিরীহ নেতাকর্মী যাদেরকে এই বিএনপি জামাত দিয়ে মামলা হামলা করা হয়েছে বিগত পনের বছর।।
যশোরের দুই নেতা,একজন সন্ত্রাসী পুনর্বাসন করেছে আর একজন বিএনপি পুনর্বাসন করেছে।যারা আওয়ামী লীগ করেছে এই দুই নেতা তাদের সামাজিক, পারিবারিক, অর্থনৈতিক সবকিছুই ধ্বংস করে দিয়েছে শুধু মাত্র নিজেদের স্বার্থে।দলকে বাঁচান এদেরকে চিহ্নিত করুন।
আওয়ামী লীগের দুশ্চরিত্র অমানুষ নেতাদের কারনে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বিএনপি জামায়াতের লোকজনের চোদনে নেতার বাসা/ অফিস কোনো জায়গায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা চান্স পায়নি, দলের তৃণমূলের ক্ষোভ এখানেই,
স্যারেরা এখন বিদেশে বসে চিকেন ফ্রাই খাচ্ছেন , যেই আবার ক্ষমতায় আসবে অমনি সেই পুরোনো বিএনপি জামায়াত দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগের তৃণমূলদেরকে চিকেন ফ্রাই করে খাবে, ওদের চরিত্র কখনোই পরিবর্তন হবে না, নেত্রী দিল্লি থেকে সেই চরিত্রহীন নেতাদের সঙ্গেই টেলিগ্রামে যোগাযোগ করছেন, তার মানে যে যবর যা তে যবর তা
আওয়ামী লীগের দুশ্চরিত্র অমানুষ নেতাদের কারনে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বিএনপি জামায়াতের লোকজনের চোদনে নেতার বাসা/ অফিস কোনো জায়গায় আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা চান্স পায়নি, দলের তৃণমূলের ক্ষোভ এখানেই,
স্যারেরা এখন বিদেশে বসে চিকেন ফ্রাই খাচ্ছেন , যেই আবার ক্ষমতায় আসবে অমনি সেই পুরোনো বিএনপি জামায়াত দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগের তৃণমূলদেরকে চিকেন ফ্রাই করে খাবে, ওদের চরিত্র কখনোই পরিবর্তন হবে না, নেত্রী দিল্লি থেকে সেই চরিত্রহীন নেতাদের সঙ্গেই টেলিগ্রামে যোগাযোগ করছেন, তার মানে যে যবর যা তে যবর তা
 আনোয়ারুল কবীর’s Post
  • মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।