
সোমবার বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১) আদালতের বিচারক মুমিনুল হক এ আদেশ দিয়েছেন। কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া অপর ব্যক্তি সৈনিক শাহীন আলমের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে। তনু হত্যার সময় কুমিল্লা সেনানিবাসে ২ সিগন্যাল ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন তিনি। শাহীন বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তাঁর বর্তমান বয়স ৩৭ বছর। তিনি এরই মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন বা তাঁকে অবসরে পাঠানো হয়েছে।
কুমিল্লা আদালত সূত্র জানায়, সম্প্রতি মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম কুমিল্লার আদালতে সন্দেহভাজন সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশনা চেয়ে একটি আবেদন করেন। একই আবেদনে তনু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সেনাবাহিনীর কাছে তদন্ত–সংশ্লিষ্ট কোনো কিছু থাকলে সেটি তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। সোমবার ছিল মামলাটির ধার্য তারিখ।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতে আজ মামলাটির ধার্য তারিখ ছিল। তবে আমরা আজ কুমিল্লায় যাইনি। আদালত থেকে কী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেটা এখনো জানতে পারিনি। আদালতের আদেশের কপি হাতে পেলে এ নিয়ে কথা বলতে পারব।’
এদিকে তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হাফিজুর রহমানকে সোমবার বেলা ১১টার দিকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এদিন আদালতে হাজির করা হলেও হাফিজুর রহমানের পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। পরে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।





















