
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬,
Shared post from ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি
No photo description available.. May be an image of one or more people and people smiling. May be an image of one or more people. No photo description available.. May be an image of text that says ’12:42 facebook বাংলাদেশ Create story লুলিড ড্রিম Anima Afrin Elias Hossain 7h Ma Follow … X অনেক বছর পর দেশ আবারও একজন রাজাকার পরিবারের রাষট্পতি পেলো। আমার পূর্ব পুরুষসহ আমি নিজেও একজন গর্বিত বীর রাজাকার। বর্তমান রাষ্ট্রপতির বাবাও একজন রাজাকার। সেই হিসেবে আমরা একই পরিবারের মানুষ। পৃথিবীর সকল রাজাকারদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। কাঁদো আমলিক কাঁদো। 66.8K 2.8K 747 Nure Alam and others reacted no Reels 감명을 9+ <‘
বিএনপি ও জামায়াতের বইনপুতেরা
তোমাদের জন্মের ৫০ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে, ছাত্রলীগ নেতা মমতাজের মত একজন সৎ ও আদর্শবান রাজনৈতিক নেতার উদাহরণ দেখাতে দেখাতে পারবে তোমাদের দলে ? এই বাংলাদেশে তোমাদের দলে একজন আহসানউল্লাহ মাস্টারের মত রাজনীতিবীদ আছে?
বিএনপির আছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রাস সন্ত্রাসী ইলিয়াস আলী।
বিএনপি নেতা গুম ইলিয়াস আলী রাজনীতি করতো জাতীয় পার্টির ।সে ছিল জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র সমাজের নেতা। ছাত্রদল নেতা মামুনকে হত্যা করে তার লাশ সূর্যসেন হলের পানির ট্যাঙ্কির ভেতর লুকিয়ে ছিল ইলিয়াস আলী। এরশাদের জাতীয় পার্টি করলেও ইলিয়াসের ত্রাসে ১৯৮৭ সালে ইলিয়াসকে কারাগারে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ইলিয়াস আলী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়। ১৯৮৭ সালে জেল থেকে মুক্ত হওয়ার পর ১৯৮৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নেতা বজলুর রহমান শহীদকে হত্যা করে ইলিয়াস আলী।৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকসু কার্যালয় ভাঙা হয় ইলিয়াস আলীর নেতৃত্বে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির নেতা মীর্জা আব্বাস বলেছিলেন , ইলিয়াস আলী গুমে বিএনপির কয়েকজন নেতা জড়িত।” একজন ইলিয়াস আলী ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নব্বই দশকের মনস্টার দানব।এসব দানবকে বহু আগেই ক্রসফায়ার দিয়ে দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বিএনপি তা না করে খুনীকে কোলে তুলে নেচেছে। এইভাবে একমুখে মুক্তিযুদ্ধ আর কোলে রাজাকার তুলে নাচা দলটির নাম বিএনপি। আওয়ামীলীগ ও বিএনপির রাজনীতির সবচেয়ে বড় পার্থক্য এইখানে।
২০০১ থেকে ২০০৬ মাত্র ৫ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় বিএনপি ও জামায়াত সরকার আওয়ামীলীগের ৩ জন জনপ্রিয় এমপিকে হত্যা করেছে। ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলা করে ২৪ জন আওয়ামীলীগের নেতা হত্যা করেছে। যার মধ্যে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমান ও ঢাকার সফল মেয়র হানিফ ছিলেন।
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার বিএনপি ও জামায়াতের চেয়ে হাজার গুণ ভালো ছিল। আসিফ নজরুল এখনও বেঁচে আছেন । কিন্তু বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী পন্থী শিক্ষকদের বিএনপি ও জামায়াত বাঁচতে দেয়নি।
শেখ হাসিনা , এই বিএনপি ও জামায়াত অসুরের দল দমন করার জন্য আপনি ভয়ানক ফ্যাসিস্ট হিসেবে ফিরে আসুন। বিএনপি ও জামায়াতের মনস্টার রাজনৈতিক সুবিধাবাদী ও মুখোশধারীদের থেকে এই দেশটা বাঁচান।।
সত্য সবসময় সুন্দর
ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি
২৬ আগষ্ট, ২০২৬
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।




















