, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হুজুর-আলেমদের যৌন কেলেঙ্কারি ইসলামকেই কলঙ্কিতকরে?

  • প্রকাশের সময় : ১০:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ পড়া হয়েছে

অনলাইন সোমবার,১২ অক্টোবর ২০২৬

হুজুর-আলেমদের একের পর এক যৌন কেলেঙ্কারি! ইসলামের কথা বলে ইসলামকেই কলঙ্কিত করছেন এরা!
হাফেজ মাওলানা আবু হুরাইরা নামের এক হুজুরের কাণ্ড! সদ্য বিয়ে করেছেন। স্ত্রীকে এখনো ঘরে তোলেননি।
অথচ সেই মেয়ের মাকে নিয়ে নির্জন জঙ্গলে অসামাজিক কাজ করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছে?
প্রথমে দুজনই নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেন। পরে জানান, তাঁরা শাশুড়ি ও মেয়ের জামাই!
একই পরিবারের মা ও মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ! হুজুরের এ কেমন বিকৃত লালসা?
শাশুড়ির বিবেক কি একবারও প্রশ্ন করেনি—এই যুবক আমার নিজের মেয়ের স্বামী? আর সেই হুজুরের মনে কি একবারও আসেনি, ইসলামে শাশুড়ি চিরস্থায়ী মাহরাম?
মাদ্রাসার শিক্ষক, ইমাম ও হুজুরদের কারও কারও বিরুদ্ধে একের পর এক যৌন নির্যাতন, শিশু ধর্ষণ, ছাত্র-ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ শুনে হতবাক হচ্ছি!
এ কেমন নৈতিক অধঃপতন? ধর্মের কথা বলে, মানুষকে চরিত্রের শিক্ষা দিয়ে নিজেরাই এসব কী করছেন?
ইসলামে এমন ব্যভিচারের শাস্তি কী? ধর্মীয় পরিচয় কি এসব অপকর্মের দায় থেকে কাউকে মুক্তি দেয়?
প্রশ্ন হচ্ছে, মাদ্রাসার শিক্ষক, হুজুর ও ইমামদের কারও কারও বিরুদ্ধে বারবার এমন অভিযোগ উঠছে কেন? তাঁরা কি আলাদা জগতের প্রাণী?
তাঁদের যৌন চাহিদা কি অন্য মানুষের চেয়ে বেশি, নাকি ধর্মীয় মর্যাদা ও সামাজিক প্রভাবের আড়ালে কেউ কেউ নিজের বিকৃত লালসা চরিতার্থ করার সুযোগ পাচ্ছেন?
ইসলামের নামে নৈতিকতার বক্তৃতা দিয়ে ব্যক্তিজীবনে অনৈতিকতা ও যৌন অপরাধে জড়ানোর অভিযোগের চেয়ে বড় ভণ্ডামি আর কী হতে পারে!

Helal Uddin’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

 

জনপ্রিয়

হুজুর-আলেমদের যৌন কেলেঙ্কারি ইসলামকেই কলঙ্কিতকরে?

প্রকাশের সময় : ১০:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন সোমবার,১২ অক্টোবর ২০২৬

হুজুর-আলেমদের একের পর এক যৌন কেলেঙ্কারি! ইসলামের কথা বলে ইসলামকেই কলঙ্কিত করছেন এরা!
হাফেজ মাওলানা আবু হুরাইরা নামের এক হুজুরের কাণ্ড! সদ্য বিয়ে করেছেন। স্ত্রীকে এখনো ঘরে তোলেননি।
অথচ সেই মেয়ের মাকে নিয়ে নির্জন জঙ্গলে অসামাজিক কাজ করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছে?
প্রথমে দুজনই নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেন। পরে জানান, তাঁরা শাশুড়ি ও মেয়ের জামাই!
একই পরিবারের মা ও মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ! হুজুরের এ কেমন বিকৃত লালসা?
শাশুড়ির বিবেক কি একবারও প্রশ্ন করেনি—এই যুবক আমার নিজের মেয়ের স্বামী? আর সেই হুজুরের মনে কি একবারও আসেনি, ইসলামে শাশুড়ি চিরস্থায়ী মাহরাম?
মাদ্রাসার শিক্ষক, ইমাম ও হুজুরদের কারও কারও বিরুদ্ধে একের পর এক যৌন নির্যাতন, শিশু ধর্ষণ, ছাত্র-ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ শুনে হতবাক হচ্ছি!
এ কেমন নৈতিক অধঃপতন? ধর্মের কথা বলে, মানুষকে চরিত্রের শিক্ষা দিয়ে নিজেরাই এসব কী করছেন?
ইসলামে এমন ব্যভিচারের শাস্তি কী? ধর্মীয় পরিচয় কি এসব অপকর্মের দায় থেকে কাউকে মুক্তি দেয়?
প্রশ্ন হচ্ছে, মাদ্রাসার শিক্ষক, হুজুর ও ইমামদের কারও কারও বিরুদ্ধে বারবার এমন অভিযোগ উঠছে কেন? তাঁরা কি আলাদা জগতের প্রাণী?
তাঁদের যৌন চাহিদা কি অন্য মানুষের চেয়ে বেশি, নাকি ধর্মীয় মর্যাদা ও সামাজিক প্রভাবের আড়ালে কেউ কেউ নিজের বিকৃত লালসা চরিতার্থ করার সুযোগ পাচ্ছেন?
ইসলামের নামে নৈতিকতার বক্তৃতা দিয়ে ব্যক্তিজীবনে অনৈতিকতা ও যৌন অপরাধে জড়ানোর অভিযোগের চেয়ে বড় ভণ্ডামি আর কী হতে পারে!

Helal Uddin’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।