, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৪ ঘণ্টাতেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট রোটন ভাইর জানাজায়:মোটা অংকের মুক্তিপণ মব মারধর ১০হাজারে ছাড় দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটিতে সরকারে বইসা আছেন, আর নিজের ক্যাপিটালেই বিরোধীদলের রাজত্ব? চ্যানেল আইয়ের গণভবন প্রবেশাধিকার শেখ হাসিনার ,নিরাপত্তার অন্তরায় শেখ হাসিনা আসার আগে১৬৬জন পাকিস্তানি ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ ঢাকায় কেন? সেনা অফিসারদের নোংরা ও কদর্য মানসিকতার চরিত্র খুলে দিয়েছিলেন কাজী গুলশান আরা গুওয়ালা রাজাকারদের পক্ষেই বিশ্বাস করা সম্ভব! হুজুর-আলেমদের যৌন কেলেঙ্কারি ইসলামকেই কলঙ্কিতকরে? জামাত শিবির যেখানেই হাত দেয় সেখানেই পায়খানার পয়দা হয়। ফাঁস হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে ,যে গিলাফ জড়িয়ে থাকে পবিত্র কাবাঘরে,

শেখ হাসিনা আসার আগে১৬৬জন পাকিস্তানি ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ ঢাকায় কেন?

  • প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
  • ৪ পড়া হয়েছে
অনলাইন সোমবার,১২ অক্টোবর ২০২৬
 শেখ হাসিনা আসার আগে এতজন পাকিস্তানি হঠাৎ বাংলাদেশে আসতে চাইছেন কেন?
গোপনীয়ভাবে হাতে আসা ভিসা আবেদনের এই তালিকা এবং এর সঙ্গে আসা অভিযোগগুলো দেখে আমি পুরো বিষয়টিকে একটি গুরুতর অনিয়মের আশঙ্কা হিসেবে দেখছি। যিনি নথি পাঠিয়েছেন, তাঁর পরিচয় প্রকাশ করছি না।
প্রশ্ন হচ্ছে, এতগুলো পাসপোর্টের আবেদন একসঙ্গে পাকিস্তানে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনে জমা হলো কেন? আবেদনকারীরা কারা? তাঁরা বাংলাদেশে কী করতে আসতে চান? তাঁদের আমন্ত্রণকারী বা স্পনসর কারা?
তালিকার অধিকাংশ নম্বর পাকিস্তানি পাসপোর্টের প্রচলিত কাঠামোর সঙ্গে মেলে। কিছু নম্বর অন্য দেশের পাসপোর্টের কাঠামোর সঙ্গেও মেলে। নম্বরের গঠন দিয়ে নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা যায় না। কিন্তু বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টধারী থাকলে তাঁদের আবেদনও একসঙ্গে পাকিস্তান থেকে পাঠানো হলো কেন? একই আয়োজক বা মধ্যস্থতাকারী আছে কি?
আরও একটি প্রশ্ন—প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আবেদনকারীরা সবাই ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ চেয়েছেন। সবার জন্য একই সময়সীমা কেন? ২০ নভেম্বরই শুরু এবং ৩১ ডিসেম্বরই শেষ কেন? তাঁদের কি কোনো অভিন্ন সফরসূচি আছে? থাকলে সেটি কী, আয়োজক কারা? এতগুলো আবেদনে একই সময়সীমা এবং যাচাই বাদ দেওয়ার অভিযোগ একসঙ্গে থাকায় বিষয়টি আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। এই তারিখগুলো বেছে নেওয়ার কারণও কর্তৃপক্ষকে স্পষ্ট করতে হবে।
এর চেয়েও বড় প্রশ্ন, আবেদনগুলো বাংলাদেশে আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন কোনো যাচাই ছাড়াই এতগুলো ভিসা দেওয়ার অনুমোদন দেবে? গোপনীয় সূত্রে অভিযোগ এসেছে, মৌখিকভাবে বলা হয়েছে—তদন্তের দরকার নেই, সবাইকে ভিসা দিয়ে দিতে হবে। এই নির্দেশ দেওয়া হয়ে থাকলে কে দিয়েছেন, কেন দিয়েছেন এবং তার লিখিত নথি কোথায়?
কোনো চেক ছাড়াই ভিসা ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হলে জানতে চাই—যাঁরা আসছেন, তাঁদের পরিচয় ও সফরের উদ্দেশ্য নিশ্চিত করা হবে কীভাবে? কারও অপরাধের ইতিহাস বা সন্ত্রাসী সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, সেটি যাচাই না করেই বাদ দেওয়া হবে কেন?
তালিকার মাঝখানে ৫৭ থেকে ৮৩ নম্বর পর্যন্ত নামের অংশটি পাওয়া যাচ্ছে না। ১ থেকে ২৮ নম্বরের অংশও হাতে আসেনি। মোট ৫৫টি এন্ট্রি এই তিনটি পাতায় নেই। ওই পাতাগুলো কোথায় গেল? সেখানে কারা আছেন? সম্পূর্ণ তালিকা কেন পাওয়া যাচ্ছে না? সরকারি মূল নথিতেও অংশগুলো নেই কি না, সেটি কর্তৃপক্ষকে পরিষ্কার করতে হবে।
আবার পাওয়া পাতায় ১৪৩ ও ১৬৬ নম্বরে একই নাম, একই পাসপোর্ট নম্বর দুবার রয়েছে। এতগুলো আবেদন একসঙ্গে পাঠানোর আগে তালিকাটি পরীক্ষা করা হয়েছিল কি?
ডিসেম্বরে জননেত্রী শেখ হাসিনার ফেরার আলোচনার মধ্যে এই আবেদনগুলো নিয়ে প্রশ্নের উত্তর চাই। তাঁর ফেরার সঙ্গে এসব আবেদনের সম্পর্কের প্রমাণ এখনো নেই। কিন্তু আবেদনকারীদের পরিচয়, একসঙ্গে পাকিস্তান থেকে আবেদন পাঠানোর কারণ এবং যাচাই বাদ দেওয়ার অভিযোগ—কোনোটিই অস্পষ্ট রেখে দেওয়া যায় না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণ তালিকা এবং সিদ্ধান্তের নথি প্রকাশ করুক। কতটি আবেদন এসেছে, কতটি ভিসা অনুমোদিত হয়েছে, কী যাচাই হয়েছে এবং যাচাই ছাড়াই অনুমোদনের কোনো নির্দেশ ছিল কি না—সব জানানো হোক।
এতগুলো আবেদন একসঙ্গে কেন? সবার চাওয়া মেয়াদ ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর কেন? যাচাই বাদ দেওয়ার নির্দেশ কেন? অনুপস্থিত পাতাগুলো কোথায়? এই প্রশ্নগুলোর সরাসরি জবাব চাই
Shanta Kabir’s Voice’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

৪ ঘণ্টাতেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট

শেখ হাসিনা আসার আগে১৬৬জন পাকিস্তানি ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ ঢাকায় কেন?

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
অনলাইন সোমবার,১২ অক্টোবর ২০২৬
 শেখ হাসিনা আসার আগে এতজন পাকিস্তানি হঠাৎ বাংলাদেশে আসতে চাইছেন কেন?
গোপনীয়ভাবে হাতে আসা ভিসা আবেদনের এই তালিকা এবং এর সঙ্গে আসা অভিযোগগুলো দেখে আমি পুরো বিষয়টিকে একটি গুরুতর অনিয়মের আশঙ্কা হিসেবে দেখছি। যিনি নথি পাঠিয়েছেন, তাঁর পরিচয় প্রকাশ করছি না।
প্রশ্ন হচ্ছে, এতগুলো পাসপোর্টের আবেদন একসঙ্গে পাকিস্তানে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনে জমা হলো কেন? আবেদনকারীরা কারা? তাঁরা বাংলাদেশে কী করতে আসতে চান? তাঁদের আমন্ত্রণকারী বা স্পনসর কারা?
তালিকার অধিকাংশ নম্বর পাকিস্তানি পাসপোর্টের প্রচলিত কাঠামোর সঙ্গে মেলে। কিছু নম্বর অন্য দেশের পাসপোর্টের কাঠামোর সঙ্গেও মেলে। নম্বরের গঠন দিয়ে নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা যায় না। কিন্তু বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টধারী থাকলে তাঁদের আবেদনও একসঙ্গে পাকিস্তান থেকে পাঠানো হলো কেন? একই আয়োজক বা মধ্যস্থতাকারী আছে কি?
আরও একটি প্রশ্ন—প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আবেদনকারীরা সবাই ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ চেয়েছেন। সবার জন্য একই সময়সীমা কেন? ২০ নভেম্বরই শুরু এবং ৩১ ডিসেম্বরই শেষ কেন? তাঁদের কি কোনো অভিন্ন সফরসূচি আছে? থাকলে সেটি কী, আয়োজক কারা? এতগুলো আবেদনে একই সময়সীমা এবং যাচাই বাদ দেওয়ার অভিযোগ একসঙ্গে থাকায় বিষয়টি আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। এই তারিখগুলো বেছে নেওয়ার কারণও কর্তৃপক্ষকে স্পষ্ট করতে হবে।
এর চেয়েও বড় প্রশ্ন, আবেদনগুলো বাংলাদেশে আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন কোনো যাচাই ছাড়াই এতগুলো ভিসা দেওয়ার অনুমোদন দেবে? গোপনীয় সূত্রে অভিযোগ এসেছে, মৌখিকভাবে বলা হয়েছে—তদন্তের দরকার নেই, সবাইকে ভিসা দিয়ে দিতে হবে। এই নির্দেশ দেওয়া হয়ে থাকলে কে দিয়েছেন, কেন দিয়েছেন এবং তার লিখিত নথি কোথায়?
কোনো চেক ছাড়াই ভিসা ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হলে জানতে চাই—যাঁরা আসছেন, তাঁদের পরিচয় ও সফরের উদ্দেশ্য নিশ্চিত করা হবে কীভাবে? কারও অপরাধের ইতিহাস বা সন্ত্রাসী সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, সেটি যাচাই না করেই বাদ দেওয়া হবে কেন?
তালিকার মাঝখানে ৫৭ থেকে ৮৩ নম্বর পর্যন্ত নামের অংশটি পাওয়া যাচ্ছে না। ১ থেকে ২৮ নম্বরের অংশও হাতে আসেনি। মোট ৫৫টি এন্ট্রি এই তিনটি পাতায় নেই। ওই পাতাগুলো কোথায় গেল? সেখানে কারা আছেন? সম্পূর্ণ তালিকা কেন পাওয়া যাচ্ছে না? সরকারি মূল নথিতেও অংশগুলো নেই কি না, সেটি কর্তৃপক্ষকে পরিষ্কার করতে হবে।
আবার পাওয়া পাতায় ১৪৩ ও ১৬৬ নম্বরে একই নাম, একই পাসপোর্ট নম্বর দুবার রয়েছে। এতগুলো আবেদন একসঙ্গে পাঠানোর আগে তালিকাটি পরীক্ষা করা হয়েছিল কি?
ডিসেম্বরে জননেত্রী শেখ হাসিনার ফেরার আলোচনার মধ্যে এই আবেদনগুলো নিয়ে প্রশ্নের উত্তর চাই। তাঁর ফেরার সঙ্গে এসব আবেদনের সম্পর্কের প্রমাণ এখনো নেই। কিন্তু আবেদনকারীদের পরিচয়, একসঙ্গে পাকিস্তান থেকে আবেদন পাঠানোর কারণ এবং যাচাই বাদ দেওয়ার অভিযোগ—কোনোটিই অস্পষ্ট রেখে দেওয়া যায় না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণ তালিকা এবং সিদ্ধান্তের নথি প্রকাশ করুক। কতটি আবেদন এসেছে, কতটি ভিসা অনুমোদিত হয়েছে, কী যাচাই হয়েছে এবং যাচাই ছাড়াই অনুমোদনের কোনো নির্দেশ ছিল কি না—সব জানানো হোক।
এতগুলো আবেদন একসঙ্গে কেন? সবার চাওয়া মেয়াদ ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর কেন? যাচাই বাদ দেওয়ার নির্দেশ কেন? অনুপস্থিত পাতাগুলো কোথায়? এই প্রশ্নগুলোর সরাসরি জবাব চাই
Shanta Kabir’s Voice’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।