, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

-আনিস আলমগীরবিবৃতি:

  • প্রকাশের সময় : ০৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ৪০ পড়া হয়েছে
অনেক মিডিয়া প্রতিক্রিয়া জানতে চাচ্ছে। তাই সবার উদ্দেশ্যে এই
বিবৃতি:
খবরে নাম ফাটানোর সস্তা উদ্দেশ্যে সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি, আরও কয়েকজনের সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে থানায় যে অভিযোগ করেছে, তা নিছক ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার।
আমি আমার বিষয়ে বলতে পারি, আমি কখনোই ‘জুলাই’কে অবজ্ঞা করিনি, জুলাইয়ের শহীদদের প্রতিও অসম্মান দেখাইনি। বরং যারা তাদের আত্মত্যাগকে অপমান করে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করে, তাদের বিরুদ্ধেই আমি সরব থেকেছি- এবং তার সুস্পষ্ট প্রমাণ রেকর্ডে রয়েছে।
আমার সমালোচনা বরাবরই ড. ইউনূসের অপশাসন এবং ‘জুলাই’ নামকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তির মববাজি, চাঁদাবাজি, প্রতি হিংসা, অগণতান্ত্রিক ও দুর্বৃত্তসুলভ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে। এখন যদি এসবের সমালোচনাকেই ‘জুলাই অবমাননা’ বলে চালানো হয়, তাহলে সেটা নিছক সত্যকে চেপে যাওয়ার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়। চেতনা ব্যবসা।
যদি সমালোচনার এই অধিকারটুকুও কেড়ে নিতে চান, তাহলে সরকারের উচিত স্পষ্ট করে আইন করে দেওয়া- জনগণ ‘জুলাই’ নিয়ে কী বলবে, আর কী বলতে পারবে না।
-আনিস আলমগীর
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

-আনিস আলমগীরবিবৃতি:

প্রকাশের সময় : ০৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
অনেক মিডিয়া প্রতিক্রিয়া জানতে চাচ্ছে। তাই সবার উদ্দেশ্যে এই
বিবৃতি:
খবরে নাম ফাটানোর সস্তা উদ্দেশ্যে সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি, আরও কয়েকজনের সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে থানায় যে অভিযোগ করেছে, তা নিছক ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার।
আমি আমার বিষয়ে বলতে পারি, আমি কখনোই ‘জুলাই’কে অবজ্ঞা করিনি, জুলাইয়ের শহীদদের প্রতিও অসম্মান দেখাইনি। বরং যারা তাদের আত্মত্যাগকে অপমান করে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করে, তাদের বিরুদ্ধেই আমি সরব থেকেছি- এবং তার সুস্পষ্ট প্রমাণ রেকর্ডে রয়েছে।
আমার সমালোচনা বরাবরই ড. ইউনূসের অপশাসন এবং ‘জুলাই’ নামকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তির মববাজি, চাঁদাবাজি, প্রতি হিংসা, অগণতান্ত্রিক ও দুর্বৃত্তসুলভ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে। এখন যদি এসবের সমালোচনাকেই ‘জুলাই অবমাননা’ বলে চালানো হয়, তাহলে সেটা নিছক সত্যকে চেপে যাওয়ার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়। চেতনা ব্যবসা।
যদি সমালোচনার এই অধিকারটুকুও কেড়ে নিতে চান, তাহলে সরকারের উচিত স্পষ্ট করে আইন করে দেওয়া- জনগণ ‘জুলাই’ নিয়ে কী বলবে, আর কী বলতে পারবে না।
-আনিস আলমগীর