, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ হাসিনা দেশে ফেরাপ্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম:এই দুঃসাহস তাদের হওয়ার কথা ছিল না

  • প্রকাশের সময় : ১০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ১০৯ পড়া হয়েছে

  অনলাইন ১১ জুলাই ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শক্তিগুলোর আবারও দেশে ফেরার ঘোষণা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা ‘রাষ্ট্রের ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ’ বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার পরদিন এ কথা বললেন তাজুল ইসলাম।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের স্মৃতি, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে অডিও–ভিজ্যুয়াল প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তাজুল ইসলাম। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।

অভ্যুত্থানের পর প্রথম দেড় বছরে এমন পরিস্থিতি দেখা না গেলেও গত কয়েক মাসে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর আত্মবিশ্বাস বেড়েছে বলে মনে করেন সাবেক চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত না হলে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

বিচারপ্রক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে তাজুল ইসলাম বলেন, গণ–অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধের বিচার কেবল দায়ীদের শাস্তির জন্য নয়, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতার জন্যও জরুরি। তিনি বলেন, ‘এই বিচার সম্পন্ন করতে না পারলে সমাজে ক্ষোভ ও অস্থিরতা জমতে থাকবে। ভবিষ্যতে রাষ্ট্র সংকটে পড়লে মানুষ এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণাও হারাতে পারে।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রানজিশনাল জাস্টিস বা উত্তরণকালীন ন্যায়বিচারের পাঁচটি উপাদানের কথা উল্লেখ করেন তাজুল ইসলাম। এগুলো হলো—অপরাধের বিচার, সত্য উদ্‌ঘাটন, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও স্মৃতি সংরক্ষণ
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ হাসিনা দেশে ফেরাপ্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম:এই দুঃসাহস তাদের হওয়ার কথা ছিল না

প্রকাশের সময় : ১০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

  অনলাইন ১১ জুলাই ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শক্তিগুলোর আবারও দেশে ফেরার ঘোষণা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা ‘রাষ্ট্রের ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ’ বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার পরদিন এ কথা বললেন তাজুল ইসলাম।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের স্মৃতি, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে অডিও–ভিজ্যুয়াল প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তাজুল ইসলাম। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।

অভ্যুত্থানের পর প্রথম দেড় বছরে এমন পরিস্থিতি দেখা না গেলেও গত কয়েক মাসে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর আত্মবিশ্বাস বেড়েছে বলে মনে করেন সাবেক চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত না হলে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

বিচারপ্রক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে তাজুল ইসলাম বলেন, গণ–অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধের বিচার কেবল দায়ীদের শাস্তির জন্য নয়, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতার জন্যও জরুরি। তিনি বলেন, ‘এই বিচার সম্পন্ন করতে না পারলে সমাজে ক্ষোভ ও অস্থিরতা জমতে থাকবে। ভবিষ্যতে রাষ্ট্র সংকটে পড়লে মানুষ এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণাও হারাতে পারে।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রানজিশনাল জাস্টিস বা উত্তরণকালীন ন্যায়বিচারের পাঁচটি উপাদানের কথা উল্লেখ করেন তাজুল ইসলাম। এগুলো হলো—অপরাধের বিচার, সত্য উদ্‌ঘাটন, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও স্মৃতি সংরক্ষণ