, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

জিয়াউর রহমান হত্যায় জড়িত মেজর (অব.) মোজাফফর ৪৫ বছর পর আটক

  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • ৭০ পড়া হয়েছে

অনলাইন ১৬ জুলাই ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এবং প্রায় ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। পরিচয় ও মামলার তথ্য যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আদালতের দেওয়া দণ্ড কার্যকরের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

জিয়াউর রহমান হত্যায় জড়িত মেজর (অব.) মোজাফফর ৪৫ বছর পর আটক

প্রকাশের সময় : ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

অনলাইন ১৬ জুলাই ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এবং প্রায় ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। পরিচয় ও মামলার তথ্য যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আদালতের দেওয়া দণ্ড কার্যকরের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।