, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া সেই ৩২ ডিসি কারা

  • প্রকাশের সময় : ০১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৬২ পড়া হয়েছে

  অনলাইন সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী তারা অবসর-সংক্রান্ত সব সুবিধা পাবেন এবং আদেশ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ নিজ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিলেন। তারা হলেন— রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবীর মুরাদ, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, খুলনার মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শেরপুরের আনার কলি মাহবুব, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাস, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর মো. ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. সাহেদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙ্গামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, নওগাঁর মো. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নূরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মো. দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার মো. আবুল ফজল মীর এবং চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহলে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি, ভোটগ্রহণে অনিয়ম, বিরোধী প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর চাপ এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দিতে না পারার অভিযোগ উঠেছিল। তবে সে সময় নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে, আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পায় ৭টি আসন। এরপর থেকেই নির্বাচনটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া সেই ৩২ ডিসি কারা

প্রকাশের সময় : ০১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

  অনলাইন সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা পর্যায়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী তারা অবসর-সংক্রান্ত সব সুবিধা পাবেন এবং আদেশ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ নিজ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিলেন। তারা হলেন— রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের, মাগুরার মো. আলী আকবর, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবীর মুরাদ, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, খুলনার মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শেরপুরের আনার কলি মাহবুব, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাস, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর মো. ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. সাহেদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙ্গামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, নওগাঁর মো. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নূরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মো. দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার মো. আবুল ফজল মীর এবং চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহলে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি, ভোটগ্রহণে অনিয়ম, বিরোধী প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর চাপ এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দিতে না পারার অভিযোগ উঠেছিল। তবে সে সময় নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে, আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পায় ৭টি আসন। এরপর থেকেই নির্বাচনটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।