, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার ,ভাঙারি দোকানে

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ১২০ পড়া হয়েছে
অনলাইন ০৪ জুন ২০২৬,
বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরির ঘটনায় চোরাই মাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সচিবালয়ের এক আউটসোর্সিং কর্মী ও এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনায় রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি। বিকেলে সিটিটিসির একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সিটিটিসি জানায়, সম্প্রতি সচিবালয়ে রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে এলে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ তদন্ত শুরু করে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে বৃহস্পতিবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে রঞ্জন স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তারগুলো চুরি করেন। পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেখানো মতে রাজধানীর হোসেনী দালান রোডের একটি গুদাম থেকে চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে সিটিটিসির ধারণা, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে। এ চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি এবং ৮ কেজি চুরি হওয়া তার উদ্ধার করেছি। তার বিক্রির সঙ্গে জড়িত ভাঙারি দোকানের মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার ,ভাঙারি দোকানে

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
অনলাইন ০৪ জুন ২০২৬,
বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরির ঘটনায় চোরাই মাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সচিবালয়ের এক আউটসোর্সিং কর্মী ও এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনায় রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি। বিকেলে সিটিটিসির একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সিটিটিসি জানায়, সম্প্রতি সচিবালয়ে রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে এলে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ তদন্ত শুরু করে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে বৃহস্পতিবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে রঞ্জন স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তারগুলো চুরি করেন। পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেখানো মতে রাজধানীর হোসেনী দালান রোডের একটি গুদাম থেকে চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে সিটিটিসির ধারণা, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে। এ চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি এবং ৮ কেজি চুরি হওয়া তার উদ্ধার করেছি। তার বিক্রির সঙ্গে জড়িত ভাঙারি দোকানের মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’