, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিতর্কের মুখে রাবির সেইযুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের বিলবোর্ড মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
  • ৩৮ পড়া হয়েছে

অনলাইন   সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০২৬

তর্ক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে টাঙানো ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ শিরোনামের বিলবোর্ড মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রবিবার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

দুই দিন আগে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের পরিচালিত সংগঠন ‘নোভোকালচার’ ক্যাম্পাসে ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ শিরোনামের বিলবোর্ডটি টাঙায়। এতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী, আব্দুল কাদের মোল্লা, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শন করা হয়।

রাবিতে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের ছবিসংবলিত বিলবোর্ড, সমালোচনা

নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদেক রহমান বলেন, রাবিতে চিহ্নিত রাজাকারদের স্বাভাবিক করার একটি চেষ্টা চালানো হয়েছে। আমরা এই স্বাভাবিকীকরণের সুযোগ দেব না।

শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, রাবি কিংবা বাংলাদেশের কোথাও রাজাকারদের কোনো ধরনের স্বাভাবিকীকরণ আমরা মেনে নেব না। যুদ্ধাপরাধের প্রশ্নটি বাংলাদেশের মৌলিক জাতীয় ইস্যু।

বিলবোর্ডটি টাঙানোর পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সর্বশেষ প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পর আপাতত আন্দোলন স্থগিত হলেও বিলবোর্ড ইস্যুতে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক ও আদর্শিক বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

 

জনপ্রিয়

বিতর্কের মুখে রাবির সেইযুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের বিলবোর্ড মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন   সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০২৬

তর্ক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে টাঙানো ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ শিরোনামের বিলবোর্ড মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রবিবার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

দুই দিন আগে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের পরিচালিত সংগঠন ‘নোভোকালচার’ ক্যাম্পাসে ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ শিরোনামের বিলবোর্ডটি টাঙায়। এতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী, আব্দুল কাদের মোল্লা, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শন করা হয়।

রাবিতে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের ছবিসংবলিত বিলবোর্ড, সমালোচনা

নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদেক রহমান বলেন, রাবিতে চিহ্নিত রাজাকারদের স্বাভাবিক করার একটি চেষ্টা চালানো হয়েছে। আমরা এই স্বাভাবিকীকরণের সুযোগ দেব না।

শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, রাবি কিংবা বাংলাদেশের কোথাও রাজাকারদের কোনো ধরনের স্বাভাবিকীকরণ আমরা মেনে নেব না। যুদ্ধাপরাধের প্রশ্নটি বাংলাদেশের মৌলিক জাতীয় ইস্যু।

বিলবোর্ডটি টাঙানোর পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সর্বশেষ প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পর আপাতত আন্দোলন স্থগিত হলেও বিলবোর্ড ইস্যুতে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক ও আদর্শিক বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।