, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

২১ আগষ্টে গ্রেনেড হামলা: বাবর ও পিন্টু সহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কিন্তু ২০২৪

  • প্রকাশের সময় : ০২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
  • ৬৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

তারেক রহমানের যাবজ্জীবন, বাবর ও পিন্টু সহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড – এমন রায়ের পর সমগ্র বাংলাদেশ একটা ঐতিহাসিক বিচার দেখতে পেয়েছিলো। কিন্তু ২০২৪ এর আগষ্টের পর যেভাবে জেল থেকে ৩ শতাধিক জঙ্গিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে সেভাবে ছেড়ে দেয়া হলো একুশে আগস্টের সব খুনীদের। পৃথিবীর বিচারের ইতিহাসে এটা এক নির্মম রসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয় ‌। অর্থাৎ চোখের সামনে ২৪ জন মানুষ মরলো, পাঁচ শতাধিক মানুষ পঙ্গু হয়ে গেল! কিন্তু কোন বিচার নেই 🥲
একইভাবে জিয়াউর রহমান বিচারপতি সায়েমের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে নিজেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করে বলেছিলেন , বঙ্গবন্ধু পরিবারের হত্যাকারীদের বিচার করা যাবে না। ” এই জিয়াউর রহমান থাইল্যান্ডের বিমানে করে এক রাতে বঙ্গবন্ধুর সকল খুনী কে বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলেন।তার পুত্র তারেক রহমান ২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলার পর সিঙ্গাপুর এয়ারলাইসের বিমানে করে ৪ জন খুনীকে দেশ ছেড়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলেন। তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্ণেল রশিদকে ১৯৯৬ এর ভোট ডাকাতির নির্বাচনের মাধ্যমে এমপি পর্যন্ত বানিয়েছেন। এজন্যই জিয়া পরিবারকে বাংলাদেশের খুনী পরিবার বলা হয়।
একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় চিরদিনের জন্য নিজের বাম চোখ হারিয়ে ফেলেছিলেন পল্লবী থানা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ- সভাপতি দৌলুতুন নাহার।কয়েকশ স্প্লিন্টারের ক্ষত নিয়ে বেঁচে আছেন রত্না আক্তার রুবি। সেদিন মৃত ভেবে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে ফেলে রেখে গিয়েছিল একদল মানুষ।এই যন্ত্রণা মৃত্যু যন্ত্রণার চাইতে কোন অংশেই কম নয়। কলাবাগান আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সেলিনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহকারী পদে চাকরি করতেন। সেদিন চোখের সামনে নিজের বোন সুফিয়া খাতুনকে মরতে দেখেছেন। বোনের লাশ টানতে গিয়ে দেখেন নিজেও রক্তাক্ত হয়ে উঠে বসার শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। নিজের চাকরিটাও শেষ পর্যন্ত হারিয়েছেন।ভাটারা ইউনিয়নের নার্গিস আক্তার এখনও ঘুমের মাঝে চিৎকার করে উঠেন। সবার একটাই দাবি – দোষীদের শাস্তি।
এই দেশটার নাম বাংলাদেশ। একটা স্বাধীন দেশের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ” মেজর ডালিমের বউ ধর্ষণ” নাটক সাজিয়ে সপরিবারে হত্যা বৈধ। এই দেশে ইসলামের নাম নিয়ে খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমানরা ১০ বছরের শিশু রাসেল হত্যা করলেও তা জায়েয হয়ে যায়! এই দেশে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনের ঘটনা নিজ মুখে স্বীকার করা খুনীদের সংসদে এমপি বানান। এমন নির্লজ্জ মহিলাকে আমি আমার জীবদ্দশায় দেখেছি।একটা অশিক্ষিত পরিবারের হাতে দেশের রাজনীতি ও ক্ষমতা তুলে দিলে যা হয়।এই দেশে তাই হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সমকক্ষ বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে সামরিক শাসক জিয়াকে। সেনাবাহিনীকে দেয়া হয়েছে রাজনীতির অধিকার ও ইনডেমনিটি। জিয়াউর রহমান ১,১৪৩ জন সেনা কর্মকর্তা মাত্র দুই মাসে হত্যা করে ফেললেও তার বিচার করা যাবে না! ঠিক তেমনি একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী তারেক , বাবর ও পিন্টুর বিচার এই দেশে হলো না 🥲
এই দেশে কেউ খালেদা ও তারেকের উপর গ্রেনেড হামলা ও গুলি চালায় না, কিন্তু শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মেয়ে হওয়ার জন্য তাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হলেও সেই খুনীদের বিচার হয় না। যে ফ্রিডম পার্টি শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য গুলি চালিয়েছিল তাদেরকে জেল থেকে মুক্ত করেছিলেন খালেদা জিয়া। যে নিজামী , মুজাহিদ ও কসাই কাদেররা ১৯৭১সালে বাংলাদেশের ত্রিশ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিল তাদেরকে মন্ত্রী বানিয়ে পুরস্কৃত করেছিলেন খালেদা জিয়া। এই খালেদা জিয়ার বাপ ও মায়ের নাম এবং তার জন্ম কোথায় জানেন?
জিয়াউর রহমানের জন্ম বাংলাদেশে হয়েছে এটার স্বপক্ষে তেমন কোন প্রমাণ নেই।তার বাপ ও মা দুজনের কবর পাকিস্তানে। বিয়ের পর থেকে খালেদা জিয়াও পাকিস্তানের করাচী ছিলেন। তারেক রহমানের জন্মও সেই পাকিস্তানের করাচীতে ‌। একুশে আগস্টের গ্রেনেড সেটাও এসেছিল পাকিস্তানের করাচী থেকে।যে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য গ্রেনেড হামলা করেছিল এদের অধিকাংশই ছিল ছাত্রশিবির করা জঙ্গি।এই হরকাতুল জিহাদের জঙ্গীরা ছিল ১৯৭৯ সালে আমেরিকার হয়ে আফগানিস্তানে পাঠানো জিয়াউর রহমানের জঙ্গি শিবির।এরাই আফগানিস্তান যুদ্ধ শেষে দেশে ফিরে হরকাতুল জিহাদ নামক জঙ্গি সংগঠন তৈরি করেছিল। বাংলাদেশের যতগুলো জঙ্গি সংগঠন দেখেন এদের সব ইসলামি ছাত্রশিবির , জামায়াত ও পাকিস্তানের আইএসআই এর তৈরি। এমনকি হরকাতুল জিহাদ জঙ্গি নেতা মাওলানা তাজউদ্দিন বিএনপির উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর আপন ভাই। জঙ্গি তাজউদ্দীনকে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইসের মাধ্যমে বিদেশে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিল তারেক ও খালেদার বিএনপি ও জামায়াতের সরকার। আওয়ামীলীগের আহত নেতাকর্মীরা মামলা করতে গেলে সে মামলা নেয়নি খালেদা জিয়ার পুলিশ। উল্টো তারেক রহমানের ঘটনা ধামাচাপা দিতে সাজানো হয়েছিল জজ মিয়া নাটক।
তাই এসব ক্ষমতাধরদের শত অপরাধের পরও এদের বিচার এই দেশে করা যায় না।
হামলার পর এই ২১ আগষ্টের একই গ্রেনেড পাওয়া গিয়েছিল ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের এলাকায়।একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার অভিযুক্ত নয়জন পালিয়ে গিয়েছিলেন যুক্তরাজ্য। হরকাতুল জিহাদ নেতা শফিকুর রহমান, আব্দুল হাই , জোবায়ের, খলিলুর রহমান ও ইকবালকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিল তারেক ও খালেদার বিএনপি ও জামায়াত সরকার।
জিয়া পরিবার বাংলাদেশের জন্য একটি অভিশপ্ত রাজনৈতিক পরিবার। সেনাবাহিনীর মেজর থেকে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট পদ পর্যন্ত দখল করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তাঁর স্ত্রী এইট পাশ খালেদা জিয়া হয়েছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।এখন দেশ চালায় তাদের সন্তান ইন্টারমেডিয়েট পাশ তারেক। আবার বলে ” আই হ্যাভ এ প্লান” । আর তার বাবা জিয়াউর রহমান বলেছিলেন , ” মানি ইজ নো প্রবলেম ” ও ” আই উইল মেক পলিটিক্স ডিফিকাল্ট ফর পলিটিশিয়ান্স” । এভাবেই এই অভিশপ্ত পরিবার ক্যান্টনমেন্টের ভেতর বসে বাংলাদেশের রাজনীতি ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনী দু’টোকেই অভিশপ্ত করে দিয়েছে। আইভি রহমান ও মেয়র হানিফ সহ আওয়ামীলীগের ২৪ জন নেতাকর্মী হত্যার বিচার হলো না এই দেশে 🥲। গ্রেনেড হামলার ২২ বছর হয়ে গেলেও খুনীদের বিচার হলো না 🥲
সেদিনের গ্রেনেড হামলায় বেঁচে যাওয়ার পর ৫ আগষ্ট ২০২৪ সালে আবার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।এই অভিশপ্ত খুনী পরিবার থেকে এই দেশটা কে বাঁচাবে????
সত্য সবসময় সুন্দর।
ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি

ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

২১ আগষ্টে গ্রেনেড হামলা: বাবর ও পিন্টু সহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কিন্তু ২০২৪

প্রকাশের সময় : ০২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

তারেক রহমানের যাবজ্জীবন, বাবর ও পিন্টু সহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড – এমন রায়ের পর সমগ্র বাংলাদেশ একটা ঐতিহাসিক বিচার দেখতে পেয়েছিলো। কিন্তু ২০২৪ এর আগষ্টের পর যেভাবে জেল থেকে ৩ শতাধিক জঙ্গিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে সেভাবে ছেড়ে দেয়া হলো একুশে আগস্টের সব খুনীদের। পৃথিবীর বিচারের ইতিহাসে এটা এক নির্মম রসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয় ‌। অর্থাৎ চোখের সামনে ২৪ জন মানুষ মরলো, পাঁচ শতাধিক মানুষ পঙ্গু হয়ে গেল! কিন্তু কোন বিচার নেই 🥲
একইভাবে জিয়াউর রহমান বিচারপতি সায়েমের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে নিজেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করে বলেছিলেন , বঙ্গবন্ধু পরিবারের হত্যাকারীদের বিচার করা যাবে না। ” এই জিয়াউর রহমান থাইল্যান্ডের বিমানে করে এক রাতে বঙ্গবন্ধুর সকল খুনী কে বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলেন।তার পুত্র তারেক রহমান ২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলার পর সিঙ্গাপুর এয়ারলাইসের বিমানে করে ৪ জন খুনীকে দেশ ছেড়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলেন। তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্ণেল রশিদকে ১৯৯৬ এর ভোট ডাকাতির নির্বাচনের মাধ্যমে এমপি পর্যন্ত বানিয়েছেন। এজন্যই জিয়া পরিবারকে বাংলাদেশের খুনী পরিবার বলা হয়।
একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় চিরদিনের জন্য নিজের বাম চোখ হারিয়ে ফেলেছিলেন পল্লবী থানা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ- সভাপতি দৌলুতুন নাহার।কয়েকশ স্প্লিন্টারের ক্ষত নিয়ে বেঁচে আছেন রত্না আক্তার রুবি। সেদিন মৃত ভেবে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে ফেলে রেখে গিয়েছিল একদল মানুষ।এই যন্ত্রণা মৃত্যু যন্ত্রণার চাইতে কোন অংশেই কম নয়। কলাবাগান আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সেলিনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহকারী পদে চাকরি করতেন। সেদিন চোখের সামনে নিজের বোন সুফিয়া খাতুনকে মরতে দেখেছেন। বোনের লাশ টানতে গিয়ে দেখেন নিজেও রক্তাক্ত হয়ে উঠে বসার শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। নিজের চাকরিটাও শেষ পর্যন্ত হারিয়েছেন।ভাটারা ইউনিয়নের নার্গিস আক্তার এখনও ঘুমের মাঝে চিৎকার করে উঠেন। সবার একটাই দাবি – দোষীদের শাস্তি।
এই দেশটার নাম বাংলাদেশ। একটা স্বাধীন দেশের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ” মেজর ডালিমের বউ ধর্ষণ” নাটক সাজিয়ে সপরিবারে হত্যা বৈধ। এই দেশে ইসলামের নাম নিয়ে খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমানরা ১০ বছরের শিশু রাসেল হত্যা করলেও তা জায়েয হয়ে যায়! এই দেশে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনের ঘটনা নিজ মুখে স্বীকার করা খুনীদের সংসদে এমপি বানান। এমন নির্লজ্জ মহিলাকে আমি আমার জীবদ্দশায় দেখেছি।একটা অশিক্ষিত পরিবারের হাতে দেশের রাজনীতি ও ক্ষমতা তুলে দিলে যা হয়।এই দেশে তাই হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সমকক্ষ বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে সামরিক শাসক জিয়াকে। সেনাবাহিনীকে দেয়া হয়েছে রাজনীতির অধিকার ও ইনডেমনিটি। জিয়াউর রহমান ১,১৪৩ জন সেনা কর্মকর্তা মাত্র দুই মাসে হত্যা করে ফেললেও তার বিচার করা যাবে না! ঠিক তেমনি একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী তারেক , বাবর ও পিন্টুর বিচার এই দেশে হলো না 🥲
এই দেশে কেউ খালেদা ও তারেকের উপর গ্রেনেড হামলা ও গুলি চালায় না, কিন্তু শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মেয়ে হওয়ার জন্য তাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হলেও সেই খুনীদের বিচার হয় না। যে ফ্রিডম পার্টি শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য গুলি চালিয়েছিল তাদেরকে জেল থেকে মুক্ত করেছিলেন খালেদা জিয়া। যে নিজামী , মুজাহিদ ও কসাই কাদেররা ১৯৭১সালে বাংলাদেশের ত্রিশ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিল তাদেরকে মন্ত্রী বানিয়ে পুরস্কৃত করেছিলেন খালেদা জিয়া। এই খালেদা জিয়ার বাপ ও মায়ের নাম এবং তার জন্ম কোথায় জানেন?
জিয়াউর রহমানের জন্ম বাংলাদেশে হয়েছে এটার স্বপক্ষে তেমন কোন প্রমাণ নেই।তার বাপ ও মা দুজনের কবর পাকিস্তানে। বিয়ের পর থেকে খালেদা জিয়াও পাকিস্তানের করাচী ছিলেন। তারেক রহমানের জন্মও সেই পাকিস্তানের করাচীতে ‌। একুশে আগস্টের গ্রেনেড সেটাও এসেছিল পাকিস্তানের করাচী থেকে।যে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য গ্রেনেড হামলা করেছিল এদের অধিকাংশই ছিল ছাত্রশিবির করা জঙ্গি।এই হরকাতুল জিহাদের জঙ্গীরা ছিল ১৯৭৯ সালে আমেরিকার হয়ে আফগানিস্তানে পাঠানো জিয়াউর রহমানের জঙ্গি শিবির।এরাই আফগানিস্তান যুদ্ধ শেষে দেশে ফিরে হরকাতুল জিহাদ নামক জঙ্গি সংগঠন তৈরি করেছিল। বাংলাদেশের যতগুলো জঙ্গি সংগঠন দেখেন এদের সব ইসলামি ছাত্রশিবির , জামায়াত ও পাকিস্তানের আইএসআই এর তৈরি। এমনকি হরকাতুল জিহাদ জঙ্গি নেতা মাওলানা তাজউদ্দিন বিএনপির উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর আপন ভাই। জঙ্গি তাজউদ্দীনকে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইসের মাধ্যমে বিদেশে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিল তারেক ও খালেদার বিএনপি ও জামায়াতের সরকার। আওয়ামীলীগের আহত নেতাকর্মীরা মামলা করতে গেলে সে মামলা নেয়নি খালেদা জিয়ার পুলিশ। উল্টো তারেক রহমানের ঘটনা ধামাচাপা দিতে সাজানো হয়েছিল জজ মিয়া নাটক।
তাই এসব ক্ষমতাধরদের শত অপরাধের পরও এদের বিচার এই দেশে করা যায় না।
হামলার পর এই ২১ আগষ্টের একই গ্রেনেড পাওয়া গিয়েছিল ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের এলাকায়।একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার অভিযুক্ত নয়জন পালিয়ে গিয়েছিলেন যুক্তরাজ্য। হরকাতুল জিহাদ নেতা শফিকুর রহমান, আব্দুল হাই , জোবায়ের, খলিলুর রহমান ও ইকবালকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিল তারেক ও খালেদার বিএনপি ও জামায়াত সরকার।
জিয়া পরিবার বাংলাদেশের জন্য একটি অভিশপ্ত রাজনৈতিক পরিবার। সেনাবাহিনীর মেজর থেকে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট পদ পর্যন্ত দখল করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তাঁর স্ত্রী এইট পাশ খালেদা জিয়া হয়েছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।এখন দেশ চালায় তাদের সন্তান ইন্টারমেডিয়েট পাশ তারেক। আবার বলে ” আই হ্যাভ এ প্লান” । আর তার বাবা জিয়াউর রহমান বলেছিলেন , ” মানি ইজ নো প্রবলেম ” ও ” আই উইল মেক পলিটিক্স ডিফিকাল্ট ফর পলিটিশিয়ান্স” । এভাবেই এই অভিশপ্ত পরিবার ক্যান্টনমেন্টের ভেতর বসে বাংলাদেশের রাজনীতি ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনী দু’টোকেই অভিশপ্ত করে দিয়েছে। আইভি রহমান ও মেয়র হানিফ সহ আওয়ামীলীগের ২৪ জন নেতাকর্মী হত্যার বিচার হলো না এই দেশে 🥲। গ্রেনেড হামলার ২২ বছর হয়ে গেলেও খুনীদের বিচার হলো না 🥲
সেদিনের গ্রেনেড হামলায় বেঁচে যাওয়ার পর ৫ আগষ্ট ২০২৪ সালে আবার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।এই অভিশপ্ত খুনী পরিবার থেকে এই দেশটা কে বাঁচাবে????
সত্য সবসময় সুন্দর।
ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি

ক্যাকটাস ফিঞ্চ ডায়েরি’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।