, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বিচারপতি এনায়েতুর রহিম ও রায়

  • প্রকাশের সময় : ০৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
  • ৪৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন  শনিবার, ২৯শে আগস্ট
এনায়েতুর রহিম ১৯৬০ সালের ১১ আগস্ট বাংলাদেশের দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম এম আব্দুর রহিম ও মাতার নাম নাজমা রহিম। পিতা এম আব্দুর রহিম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ এবং দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
এনায়েতুর রহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্ত ও এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি গণযোগাযোগে পিএইচডি অর্জন করেন।
এনায়েতুর রহিম ১৯৮৬ সালের ১০ অক্টোবর অধস্তন আদালতে আইন পেশায় নিযুক্ত হন। ১৯৮৯ সালের ২ জানুয়ারি তিনি সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে এবং ২০০২ সালের ১৫ মে আপীল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।২০০৫ সালে তিনি সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৯ সালের ৩০ জুন তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০১১ সালের ৬ জুন এই বিভাগে তিনি স্থায়ী নিয়োগ পান। ২০১৪ সালে ২৩ ফেব্রুয়ারি তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে ২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তাকে হাইকোর্টে ফিরিয়ে আনা হয়। এনায়েতুর রহিম ২০১৬ সাল থেকে বিনামূল্যে আইন সহায়তা প্রদান সংস্থা সুপ্রীম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
২০২২ সালের জানুয়ারিতে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তাকেসহ বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান, বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথকে সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। তিনি ২৯শে মার্চ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হিসেবে মনোনীত হন।
বিচারপতি এনায়েতুর রহিম নিজেকে একজন দক্ষ, সৎ এবং পরিশ্রমী বিচারক হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁর সিদ্ধান্ত এবং রায়গুলো আমাদের দেশের বিভিন্ন আইন সাময়িকীতে (Law Journals) প্রকাশিত হয়েছে। রায়গুলো অত্যন্ত চমৎকার এবং আইনের বিভিন্ন বিষয়ের সঠিক ব্যাখ্যা এতে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি অত্যন্ত যত্ন ও সতর্কতার সাথে তাঁর আইনি কাজগুলো সম্পাদন করতেন। তিনি ছিলেন একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং তরুণ ও বয়োজ্যেষ্ঠ সকলের প্রতি তাঁর আচরণ ছিল অত্যন্ত আন্তরিক।. “The judgments are remarkable and reflected true expositions of law on various subjects. He used to perform his legal work in meticulous care and caution. He was a gentleman per excellence and his attitude towards the young and aged was extremely cordial”
আজকে আমরা বিচারপতি এনায়েতুর রহিম এর বিখ্যাত একটি রায় নিয়ে আলোচনা করব যে রায়টির বিষয়বস্তু ছিল , “মোকররী’ স্বত্ব মূলত মূল জমিদারের পক্ষে খাজনা আদায়ের একটি মধ্যবর্তী অধিকার” রায়টি রেফারেন্স ভুক্ত হয়েছে DLR 77 (AD) 1
Appellate Division
(Civil)
Mr. Justice Obaidul Hassan, Chief Justice
Mr. Justice M. Enayetur Rahim
Mr. Justice Md. Ashfaqul Islam
Mr. Justice Md. Abu Zafor Siddique
Civil appeal no. 07 of 2012
(From the judgment and order dated 3rd of March, 2009 passed by the High Court Division in Civil Revision No. 982 of 2000).
Government of Bangladesh, represented by the Deputy Commissioner, Gopalgonj and another
…………Appellants.
Vs.
Saleha Begum and others ………..Respondents.
Judgement Date : November 01, 2023
Mr. Sk. Md. Morshed, Additional Attorney General with Mr. Mohammad Saiful Alam, Assistant Attorney General, instructed by Ms. Sufia Khatun, Advocate-on-Record ——- For the Appellants
Mr. B. M. Elias, Advocate with Mr. Mrinal Kanti Biswas, Advocate, instructed by Mr. Syed Mahbubar Rahman, Advocate-on-Record ——- For Respondent Nos. 1-8
Mr. Satya Ranjan Mondal, Advocate-on-Record ——- For Respondent Nos. 10(a)- 10 (h)
Not represented ——– Respondent Nos. 9 & 11-32
Judgment
M. Enayetur Rahim, J:
This civil appeal, by leave, is directed against the judgment and order dated 03.03.2009 passed by the High Court Division Civil Revision No. 982 of 2000 making the Rule absolute.
The facts, relevant for disposal of the appeal, are that the plaintiff-respondent Nos.1 to 8 filed Title Suit No.126 of 1996 in the Court of the Assistant Judge, Muksudpur, Goplaganj for declaration of title in the suit land described in schedule to the plaint and for further declaration that the recording of the suit land in khas khatian No.I in the name of the Government was wrong and illegal.
The case of the plaintiffs, in short, is that the suit land originally belonged to their predecessor Md. Bala Mia who used to possess the same personally. But in the R.S. khatian of the suit land the name of Md. Bala Mia was wrongly recorded as “middle interest holder (মধ্য স্বত্ব ভোগী)” instead of as tenant. In view of this wrong recording in R.S. khatian the S.A khatian also was prepared wrongly showing the suit land as the khas land of the Government appertaining to khas khatian No.1. In the first part of Baishakh, 1403 B.S. when the plaintiffs went to local Tahsil Office for paying rent of the suit land they came to know about this wrong recording of the suit land for the first time. The defendants also disclosed that they would lease out the suit land to others and also threatened the plaintiffs with dispossession and thus the plaintiffs were, compelled to file the suit.
The defendant Nos. 1 and 2 contested the suit by filing written statement contending, inter alia, that the plaintiffs’ predecessor Md. Bala Mia was the “middle interest holder” only of the suit land and as such after the promulgation of the State Acquisition and Tenancy Act the suit land vested in the Government and the Government has also leased out the suit land to different persons and that the plaintiffs have got no right, title and possession in the suit land.
মামলার সারসংক্ষেপ ও রায়
আদালত: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ (সিভিল)
মামলা নম্বর: দেওয়ানি আপিল নং ০৭/২০১২ (Civil Appeal No. 07 of 2012)
পক্ষসমূহ: বাংলাদেশ সরকার (ডিসি, গোপালগঞ্জ ও অন্যান্য) -বনাম- সালেহা বেগম ও অন্যান্য
রায়ের তারিখ: ০১ নভেম্বর, ২০২৩
১. মূল পটভূমি ও বাদীদের দাবি:
বাদীদের (রেসপনডেন্ট) দাবি অনুযায়ী, নালিশি জমির মূল মালিক ছিলেন তাদের পূর্বসূরি মো. বালা মিয়া।
কিন্তু আর.এস. (R.S.) খতিয়ানে ভুলবশত বালা মিয়ার নাম প্রজা বা রায়তের পরিবর্তে ‘মধ্য স্বত্ব ভোগী’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হয়। এর ধারাবাহিকতায় এস.এ. (S.A.) খতিয়ানে জমিটি সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত (১ নং খাস খতিয়ান) দেখানো হয়।
পরবর্তীতে বাদীপক্ষ স্বত্ব ঘোষণা (Declaration of title) এবং সরকারি খাস খতিয়ানটি ভুল ও বেআইনি ঘোষণার জন্য আদালতে মামলা (Title Suit No. 126 of 1996) দায়ের করেন।
২. নিম্ন আদালত ও হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত:
সহকারী জজ আদালত (ট্রায়াল কোর্ট) ও আপিল আদালত: উভয় আদালত বাদীদের মামলা খারিজ করে দেন। তাদের পর্যবেক্ষণ ছিল—বালা মিয়া মূলত ‘মধ্য স্বত্ব ভোগী’ ছিলেন, তিনি সরাসরি রায়ত বা প্রজা ছিলেন না। ফলে State Acquisition and Tenancy Act অনুযায়ী এই জমি সরকারের অনুকূলে বর্তেছে (vested)।
হাইকোর্ট বিভাগ: হাইকোর্ট বাদীদের দখলে থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে বাদীদের পক্ষে রুল অ্যাবসলিউট (Rule Absolute) ঘোষণা করে ডিক্রি প্রদান করেন।
৩. আপিল বিভাগের আইনি বিশ্লেষণ:
আপিল বিভাগ আর.এস. খতিয়ান পর্যালোচনা করে দেখতে পান যে, স্বত্বের শ্রেণিতে ‘মধ্য স্বত্বাধীকারী চিরস্থায়ী মোকররী’ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। ‘মোকররী’ স্বত্ব মূলত মূল জমিদারের পক্ষে খাজনা আদায়ের একটি মধ্যবর্তী অধিকার, যা রায়তি বা প্রজাস্বত্ব নয়।
প্রজাস্বত্ব আইন (State Acquisition and Tenancy Act) কার্যকর হওয়ার পর সকল মধ্যবর্তী স্বার্থ বিলুপ্ত হয়ে সরকারের নিকট ন্যস্ত হয়েছে।
আপিল বিভাগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, কেবলমাত্র দখল (mere possession) থাকলেই কারো নামে স্বত্ব (title) ঘোষণা করা যায় না, বিশেষ করে যেখানে জমিটি বৈধভাবে সরকারের এস.এ. খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং বাদীপক্ষ প্রতিকূল দখলের (Adverse Possession) কোনো দাবি তোলেননি।
৪. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়কে আইনগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ বিবেচনা করে তা বাতিল (Set aside) করেন এবং সরকারের পক্ষে আপিল মঞ্জুর (Appeal Allowed) করেন। অর্থাৎ, নালিশি জমিটি সরকারের খাস জমি হিসেবেই বহাল রইল।
বিচারপতি এনায়েতুর রহিম এর আরো অসংখ্য রায় আছে যেগুলো বাংলাদেশের আইন অঙ্গনে এবং আইনজীবীদের জন্য সব সময় পাথেয় হয়ে থাকবে। পরবর্তীতে বিচারপতি এনায়েতুর রহিম আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ রায় নিয়ে আপনাদের সম্মুখে আলোচনা করব আশা করি সবাই সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।
Md.Mizanur Rahman (Kayes)
Advocate Supreme Court of Bangladesh

BD LAW Suggest’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বিচারপতি এনায়েতুর রহিম ও রায়

প্রকাশের সময় : ০৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন  শনিবার, ২৯শে আগস্ট
এনায়েতুর রহিম ১৯৬০ সালের ১১ আগস্ট বাংলাদেশের দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম এম আব্দুর রহিম ও মাতার নাম নাজমা রহিম। পিতা এম আব্দুর রহিম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ এবং দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
এনায়েতুর রহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্ত ও এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি গণযোগাযোগে পিএইচডি অর্জন করেন।
এনায়েতুর রহিম ১৯৮৬ সালের ১০ অক্টোবর অধস্তন আদালতে আইন পেশায় নিযুক্ত হন। ১৯৮৯ সালের ২ জানুয়ারি তিনি সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে এবং ২০০২ সালের ১৫ মে আপীল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।২০০৫ সালে তিনি সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৯ সালের ৩০ জুন তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০১১ সালের ৬ জুন এই বিভাগে তিনি স্থায়ী নিয়োগ পান। ২০১৪ সালে ২৩ ফেব্রুয়ারি তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে ২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তাকে হাইকোর্টে ফিরিয়ে আনা হয়। এনায়েতুর রহিম ২০১৬ সাল থেকে বিনামূল্যে আইন সহায়তা প্রদান সংস্থা সুপ্রীম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।
২০২২ সালের জানুয়ারিতে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তাকেসহ বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান, বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথকে সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। তিনি ২৯শে মার্চ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হিসেবে মনোনীত হন।
বিচারপতি এনায়েতুর রহিম নিজেকে একজন দক্ষ, সৎ এবং পরিশ্রমী বিচারক হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁর সিদ্ধান্ত এবং রায়গুলো আমাদের দেশের বিভিন্ন আইন সাময়িকীতে (Law Journals) প্রকাশিত হয়েছে। রায়গুলো অত্যন্ত চমৎকার এবং আইনের বিভিন্ন বিষয়ের সঠিক ব্যাখ্যা এতে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি অত্যন্ত যত্ন ও সতর্কতার সাথে তাঁর আইনি কাজগুলো সম্পাদন করতেন। তিনি ছিলেন একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং তরুণ ও বয়োজ্যেষ্ঠ সকলের প্রতি তাঁর আচরণ ছিল অত্যন্ত আন্তরিক।. “The judgments are remarkable and reflected true expositions of law on various subjects. He used to perform his legal work in meticulous care and caution. He was a gentleman per excellence and his attitude towards the young and aged was extremely cordial”
আজকে আমরা বিচারপতি এনায়েতুর রহিম এর বিখ্যাত একটি রায় নিয়ে আলোচনা করব যে রায়টির বিষয়বস্তু ছিল , “মোকররী’ স্বত্ব মূলত মূল জমিদারের পক্ষে খাজনা আদায়ের একটি মধ্যবর্তী অধিকার” রায়টি রেফারেন্স ভুক্ত হয়েছে DLR 77 (AD) 1
Appellate Division
(Civil)
Mr. Justice Obaidul Hassan, Chief Justice
Mr. Justice M. Enayetur Rahim
Mr. Justice Md. Ashfaqul Islam
Mr. Justice Md. Abu Zafor Siddique
Civil appeal no. 07 of 2012
(From the judgment and order dated 3rd of March, 2009 passed by the High Court Division in Civil Revision No. 982 of 2000).
Government of Bangladesh, represented by the Deputy Commissioner, Gopalgonj and another
…………Appellants.
Vs.
Saleha Begum and others ………..Respondents.
Judgement Date : November 01, 2023
Mr. Sk. Md. Morshed, Additional Attorney General with Mr. Mohammad Saiful Alam, Assistant Attorney General, instructed by Ms. Sufia Khatun, Advocate-on-Record ——- For the Appellants
Mr. B. M. Elias, Advocate with Mr. Mrinal Kanti Biswas, Advocate, instructed by Mr. Syed Mahbubar Rahman, Advocate-on-Record ——- For Respondent Nos. 1-8
Mr. Satya Ranjan Mondal, Advocate-on-Record ——- For Respondent Nos. 10(a)- 10 (h)
Not represented ——– Respondent Nos. 9 & 11-32
Judgment
M. Enayetur Rahim, J:
This civil appeal, by leave, is directed against the judgment and order dated 03.03.2009 passed by the High Court Division Civil Revision No. 982 of 2000 making the Rule absolute.
The facts, relevant for disposal of the appeal, are that the plaintiff-respondent Nos.1 to 8 filed Title Suit No.126 of 1996 in the Court of the Assistant Judge, Muksudpur, Goplaganj for declaration of title in the suit land described in schedule to the plaint and for further declaration that the recording of the suit land in khas khatian No.I in the name of the Government was wrong and illegal.
The case of the plaintiffs, in short, is that the suit land originally belonged to their predecessor Md. Bala Mia who used to possess the same personally. But in the R.S. khatian of the suit land the name of Md. Bala Mia was wrongly recorded as “middle interest holder (মধ্য স্বত্ব ভোগী)” instead of as tenant. In view of this wrong recording in R.S. khatian the S.A khatian also was prepared wrongly showing the suit land as the khas land of the Government appertaining to khas khatian No.1. In the first part of Baishakh, 1403 B.S. when the plaintiffs went to local Tahsil Office for paying rent of the suit land they came to know about this wrong recording of the suit land for the first time. The defendants also disclosed that they would lease out the suit land to others and also threatened the plaintiffs with dispossession and thus the plaintiffs were, compelled to file the suit.
The defendant Nos. 1 and 2 contested the suit by filing written statement contending, inter alia, that the plaintiffs’ predecessor Md. Bala Mia was the “middle interest holder” only of the suit land and as such after the promulgation of the State Acquisition and Tenancy Act the suit land vested in the Government and the Government has also leased out the suit land to different persons and that the plaintiffs have got no right, title and possession in the suit land.
মামলার সারসংক্ষেপ ও রায়
আদালত: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ (সিভিল)
মামলা নম্বর: দেওয়ানি আপিল নং ০৭/২০১২ (Civil Appeal No. 07 of 2012)
পক্ষসমূহ: বাংলাদেশ সরকার (ডিসি, গোপালগঞ্জ ও অন্যান্য) -বনাম- সালেহা বেগম ও অন্যান্য
রায়ের তারিখ: ০১ নভেম্বর, ২০২৩
১. মূল পটভূমি ও বাদীদের দাবি:
বাদীদের (রেসপনডেন্ট) দাবি অনুযায়ী, নালিশি জমির মূল মালিক ছিলেন তাদের পূর্বসূরি মো. বালা মিয়া।
কিন্তু আর.এস. (R.S.) খতিয়ানে ভুলবশত বালা মিয়ার নাম প্রজা বা রায়তের পরিবর্তে ‘মধ্য স্বত্ব ভোগী’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হয়। এর ধারাবাহিকতায় এস.এ. (S.A.) খতিয়ানে জমিটি সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত (১ নং খাস খতিয়ান) দেখানো হয়।
পরবর্তীতে বাদীপক্ষ স্বত্ব ঘোষণা (Declaration of title) এবং সরকারি খাস খতিয়ানটি ভুল ও বেআইনি ঘোষণার জন্য আদালতে মামলা (Title Suit No. 126 of 1996) দায়ের করেন।
২. নিম্ন আদালত ও হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত:
সহকারী জজ আদালত (ট্রায়াল কোর্ট) ও আপিল আদালত: উভয় আদালত বাদীদের মামলা খারিজ করে দেন। তাদের পর্যবেক্ষণ ছিল—বালা মিয়া মূলত ‘মধ্য স্বত্ব ভোগী’ ছিলেন, তিনি সরাসরি রায়ত বা প্রজা ছিলেন না। ফলে State Acquisition and Tenancy Act অনুযায়ী এই জমি সরকারের অনুকূলে বর্তেছে (vested)।
হাইকোর্ট বিভাগ: হাইকোর্ট বাদীদের দখলে থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে বাদীদের পক্ষে রুল অ্যাবসলিউট (Rule Absolute) ঘোষণা করে ডিক্রি প্রদান করেন।
৩. আপিল বিভাগের আইনি বিশ্লেষণ:
আপিল বিভাগ আর.এস. খতিয়ান পর্যালোচনা করে দেখতে পান যে, স্বত্বের শ্রেণিতে ‘মধ্য স্বত্বাধীকারী চিরস্থায়ী মোকররী’ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। ‘মোকররী’ স্বত্ব মূলত মূল জমিদারের পক্ষে খাজনা আদায়ের একটি মধ্যবর্তী অধিকার, যা রায়তি বা প্রজাস্বত্ব নয়।
প্রজাস্বত্ব আইন (State Acquisition and Tenancy Act) কার্যকর হওয়ার পর সকল মধ্যবর্তী স্বার্থ বিলুপ্ত হয়ে সরকারের নিকট ন্যস্ত হয়েছে।
আপিল বিভাগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, কেবলমাত্র দখল (mere possession) থাকলেই কারো নামে স্বত্ব (title) ঘোষণা করা যায় না, বিশেষ করে যেখানে জমিটি বৈধভাবে সরকারের এস.এ. খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং বাদীপক্ষ প্রতিকূল দখলের (Adverse Possession) কোনো দাবি তোলেননি।
৪. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়কে আইনগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ বিবেচনা করে তা বাতিল (Set aside) করেন এবং সরকারের পক্ষে আপিল মঞ্জুর (Appeal Allowed) করেন। অর্থাৎ, নালিশি জমিটি সরকারের খাস জমি হিসেবেই বহাল রইল।
বিচারপতি এনায়েতুর রহিম এর আরো অসংখ্য রায় আছে যেগুলো বাংলাদেশের আইন অঙ্গনে এবং আইনজীবীদের জন্য সব সময় পাথেয় হয়ে থাকবে। পরবর্তীতে বিচারপতি এনায়েতুর রহিম আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ রায় নিয়ে আপনাদের সম্মুখে আলোচনা করব আশা করি সবাই সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন।
Md.Mizanur Rahman (Kayes)
Advocate Supreme Court of Bangladesh

BD LAW Suggest’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।