, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

দুই বাটপার মন্ত্রী লোটাস কামাল এবং তাজুল ইসলাম

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
  • ৪৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬

নোয়াখালী- কুমিল্লা মহাসড়কের ৯ কিলোমিটার সড়ক এখনো চার লেন উন্নীতকরণ করতে দেয়নি কুমিল্লার সাবেক দুই বাটপার মন্ত্রী লোটাস কামাল এবং তাজুল ইসলাম।
কুমিল্লার নেতারা মন্ত্রীরা বরাবরই নোয়াখালী বিদ্বেষী।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেও ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি’র স্বাস্থ্যমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ নোয়াখালী মেডিকেল কলেজটি হতে দেন নি।
২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সালে পর্যন্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রী থাকাকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী হতে কুমিল্লার দাউদকান্দি পর্যন্ত চারলেনে রাস্তা করেছিল এই খন্দকার মোশারফ।
দাউদকান্দি থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই অংশটি কার দ্বারা চার লাইনের উন্নতকরণ করা হয়েছিল এটা আপনি ভালো করে জানেন।
কুমিল্লার লোকজন বরাবরই নোয়াখালী বিদ্বেষী।
এরা কোনকালেই নোয়াখালীর উন্নয়ন চায়নি।
এরা যখনই সুযোগ পেয়েছে নোয়াখালীকে বঞ্চিত করে রেখেছে।
সকল সুযোগ সুবিধা এক জায়গায় কুক্ষিগত থাকবে কেন?
যশোরে রয়েছে শিক্ষা বোর্ড খুলনায় তাদের বিভাগ।
আবার দিনাজপুরে শিক্ষা বোর্ড আছে তাদের বিভাগ কিন্তু রংপুরে।
বৃহত্তম ময়মনসিংহের নিজের জেলা হয়েও
টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জ জেলা
ঢাকা বিভাগে রয়ে গেছে। তারা ময়মনসিংহ বিভাগে যায়নি।
একইভাবে কুমিল্লাতে শিক্ষা বোর্ড আছে সুতরাং বিভাগ হতে হবে নোয়াখালীতে। সরকারের সুযোগ-সুবিধা গুলি এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত না করে ছড়িয়ে দিতে হবে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে।
সারা বাংলাদেশের সকল সরকারি অবকাঠামো – শিক্ষা – স্ব্যাস্থ – যোগাযোগ – রেল – ব্যাংক – ব্যবসা বানিজ থেকে শুরু কর সব কিছুর হেড অফিস রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
সব কিছু থাকার পরেও ঢাকার মানুষ কখনো দাবি করেনি এই অবকাঠামো ঢাকার মানুষের বাপদাদার সম্পদ।
তারা কখনো অন্য জেলার মানুষকে ছোট করে তিরুষ্কার করে বলেনি আমাদের এটা আছে – ঐটা আছে।
কারণ ঢাকার মানুষ জানে যে এগুলোর মালিক সরকার তথা ৬৪ জেলার জনগণ।
কিন্তু কুমিল্লার মানুষের দেখা যায় উল্টো চিত্র।
বৃহত্তর নোয়াখালী ও বৃহত্তর কুমিল্লা ( নোয়াখালী – লক্ষ্মীপুর – ফেনী – কুমিল্লা – চাঁদপুর – বি বাড়িয়ার ) এই সকল জেলার আঞ্চলিক অফিস হচ্ছে কুমিল্লাতে।
এই আঞ্চলিক অফিস গুলো চলে উপরের উল্লেখিত ৬ জেলার Tax এর টাকায়। অতএব কুমিল্লাতে এই আঞ্চলিক অফিস গুলোর মালিক ৬ জেলার মানুষ।
কিন্তু আপসোস যে কুমিল্লার কিছু মূর্খ মানুষ আছে যারা ৬ জেলার মালিকানা অফিস গুলোকে নিজের বাপদাদার কিনা সম্পত্তি মনে করে। তাদের মধ্যে নূন্যতম জ্ঞান নেই যে সরকারি অবকাঠামো কখনো বাপদাদার সম্পত্তি হয় না। শিক্ষা বোর্ড থেকে কি লাভ হলো যদি এটা জানা না থাকে যে সরকারি অবকাঠামো কখনো বাপদাদার সম্পত্তি হয় না।
কুমিল্লার ভাই- বোনদের বলছি — সরকারি অবকাঠামো ছাড়া আপনাদের কি আছে সেটার প্রচারণা করেন।
কখনো অযুক্তি দাবি করবেন না।
আর একটা কথা বলি — ষড়যন্ত্র না করে সকল জেলা একসাথে যাতে এগুতে পারা যায় সেই কাজ করেন।
অন্য জেলার মানুষকে সম্মান দিয়ে কথা বলার অনুরোধ করছি কুমিল্লাবাসিকে।
পোস্টটি বেশি বেশি করে শেয়ার করে দিন যাতে করে সবার কাছে পৌঁছে যায়।
আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানাতে পারেন কমেন্ট।
আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমাকে ফলো করুণ।

NK Nirob Chowdhury’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

দুই বাটপার মন্ত্রী লোটাস কামাল এবং তাজুল ইসলাম

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬

নোয়াখালী- কুমিল্লা মহাসড়কের ৯ কিলোমিটার সড়ক এখনো চার লেন উন্নীতকরণ করতে দেয়নি কুমিল্লার সাবেক দুই বাটপার মন্ত্রী লোটাস কামাল এবং তাজুল ইসলাম।
কুমিল্লার নেতারা মন্ত্রীরা বরাবরই নোয়াখালী বিদ্বেষী।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেও ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি’র স্বাস্থ্যমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ নোয়াখালী মেডিকেল কলেজটি হতে দেন নি।
২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সালে পর্যন্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রী থাকাকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী হতে কুমিল্লার দাউদকান্দি পর্যন্ত চারলেনে রাস্তা করেছিল এই খন্দকার মোশারফ।
দাউদকান্দি থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই অংশটি কার দ্বারা চার লাইনের উন্নতকরণ করা হয়েছিল এটা আপনি ভালো করে জানেন।
কুমিল্লার লোকজন বরাবরই নোয়াখালী বিদ্বেষী।
এরা কোনকালেই নোয়াখালীর উন্নয়ন চায়নি।
এরা যখনই সুযোগ পেয়েছে নোয়াখালীকে বঞ্চিত করে রেখেছে।
সকল সুযোগ সুবিধা এক জায়গায় কুক্ষিগত থাকবে কেন?
যশোরে রয়েছে শিক্ষা বোর্ড খুলনায় তাদের বিভাগ।
আবার দিনাজপুরে শিক্ষা বোর্ড আছে তাদের বিভাগ কিন্তু রংপুরে।
বৃহত্তম ময়মনসিংহের নিজের জেলা হয়েও
টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জ জেলা
ঢাকা বিভাগে রয়ে গেছে। তারা ময়মনসিংহ বিভাগে যায়নি।
একইভাবে কুমিল্লাতে শিক্ষা বোর্ড আছে সুতরাং বিভাগ হতে হবে নোয়াখালীতে। সরকারের সুযোগ-সুবিধা গুলি এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত না করে ছড়িয়ে দিতে হবে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে।
সারা বাংলাদেশের সকল সরকারি অবকাঠামো – শিক্ষা – স্ব্যাস্থ – যোগাযোগ – রেল – ব্যাংক – ব্যবসা বানিজ থেকে শুরু কর সব কিছুর হেড অফিস রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
সব কিছু থাকার পরেও ঢাকার মানুষ কখনো দাবি করেনি এই অবকাঠামো ঢাকার মানুষের বাপদাদার সম্পদ।
তারা কখনো অন্য জেলার মানুষকে ছোট করে তিরুষ্কার করে বলেনি আমাদের এটা আছে – ঐটা আছে।
কারণ ঢাকার মানুষ জানে যে এগুলোর মালিক সরকার তথা ৬৪ জেলার জনগণ।
কিন্তু কুমিল্লার মানুষের দেখা যায় উল্টো চিত্র।
বৃহত্তর নোয়াখালী ও বৃহত্তর কুমিল্লা ( নোয়াখালী – লক্ষ্মীপুর – ফেনী – কুমিল্লা – চাঁদপুর – বি বাড়িয়ার ) এই সকল জেলার আঞ্চলিক অফিস হচ্ছে কুমিল্লাতে।
এই আঞ্চলিক অফিস গুলো চলে উপরের উল্লেখিত ৬ জেলার Tax এর টাকায়। অতএব কুমিল্লাতে এই আঞ্চলিক অফিস গুলোর মালিক ৬ জেলার মানুষ।
কিন্তু আপসোস যে কুমিল্লার কিছু মূর্খ মানুষ আছে যারা ৬ জেলার মালিকানা অফিস গুলোকে নিজের বাপদাদার কিনা সম্পত্তি মনে করে। তাদের মধ্যে নূন্যতম জ্ঞান নেই যে সরকারি অবকাঠামো কখনো বাপদাদার সম্পত্তি হয় না। শিক্ষা বোর্ড থেকে কি লাভ হলো যদি এটা জানা না থাকে যে সরকারি অবকাঠামো কখনো বাপদাদার সম্পত্তি হয় না।
কুমিল্লার ভাই- বোনদের বলছি — সরকারি অবকাঠামো ছাড়া আপনাদের কি আছে সেটার প্রচারণা করেন।
কখনো অযুক্তি দাবি করবেন না।
আর একটা কথা বলি — ষড়যন্ত্র না করে সকল জেলা একসাথে যাতে এগুতে পারা যায় সেই কাজ করেন।
অন্য জেলার মানুষকে সম্মান দিয়ে কথা বলার অনুরোধ করছি কুমিল্লাবাসিকে।
পোস্টটি বেশি বেশি করে শেয়ার করে দিন যাতে করে সবার কাছে পৌঁছে যায়।
আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানাতে পারেন কমেন্ট।
আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে আমাকে ফলো করুণ।

NK Nirob Chowdhury’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।