, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

ভাষাসৈনিক আয়েশা বেগম মারা গেছেন

  • প্রকাশের সময় : ১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ৫৬ পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ

ভাষাসৈনিক আয়েশা বেগম। সংগৃহীত ছবি
ভাষা আন্দোলনের গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী ভাষাসৈনিক আয়েশা আক্তার খাতুন ওরফে আয়েশা বেগম (৯০) মারা গেছেন। শনিবার (৬ জুন) বিভিন্ন স্থানে জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

তার প্রথম জানাজা সকাল ৮টায় রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সকাল ১০টায় বাসাবো কদমতলা জামে মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা এবং পরে বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামের জামে মসজিদে তৃতীয় ও শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তিনি কর্মজীবনে মহা-হিসাবরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের পরও তিনি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

ভাষাসৈনিক আয়েশা বেগম মারা গেছেন

প্রকাশের সময় : ১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ

ভাষাসৈনিক আয়েশা বেগম। সংগৃহীত ছবি
ভাষা আন্দোলনের গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী ভাষাসৈনিক আয়েশা আক্তার খাতুন ওরফে আয়েশা বেগম (৯০) মারা গেছেন। শনিবার (৬ জুন) বিভিন্ন স্থানে জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

তার প্রথম জানাজা সকাল ৮টায় রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সকাল ১০টায় বাসাবো কদমতলা জামে মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা এবং পরে বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামের জামে মসজিদে তৃতীয় ও শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

তিনি কর্মজীবনে মহা-হিসাবরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের পরও তিনি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন।