, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

যুক্তরাষ্ট্রের দুই মন্ত্রী ডোনাল্ড লু, আজরা জাবিন ও রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।

  • প্রকাশের সময় : ০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৯ পড়া হয়েছে
অনলাইন বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এই ছবিটি সেই ঐতিহাসিক ছবি যা ৩০ মে ২০২৪ সালে গণভবনে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই মন্ত্রী ডোনাল্ড লু, আজরা জাবিন এবং দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী রজার খলিলের ভাষ্য অনুযায়ী বিএনপি জামাতের সম্মতিতে কুখ্যাত দালাল ইউনুস যে গোপন চুক্তি করেছে সেদিনের বৈঠকে সেই চুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে।
কিন্তু শেখের বেটি সেই প্রস্তাব তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান করেন।
কারণ জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজের মাতৃভূমির বিনিময়ে কোন গোপন চুক্তি করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকতে চায়না। তারপর ডিপস্টেড আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার ব্যবস্থা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেদিনের প্রস্তাব পুরোপুরি না হলেও আংশিক মেনে নিলেও হয়তো সরকারকে এভাবে বিদায় নিতে হতোনা।
কিছুক্ষণ আগে চ্যানেল আইয়ের একটি পোস্টারে দেখলাম যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বর্তমান সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ওই কর্মকর্তা বলেছেন জুলাই এর পরে নাকি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে ! প্রধান রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পরে এটা কোন ধরনের গণতন্ত্র ?
ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে সারা পৃথিবীতে লুটপাটের মহড়া চালাচ্ছে। বিনা প্রয়োজনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারে ২৫ টি বোয়িং, দ্বিগুণ দামে এলএনজি, অতিরিক্ত দামে ভুট্টা সয়াবিন, রপ্তানি গার্মেন্টস এর উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ, অস্ত্রের ব্যাপারে গোপন চুক্তি তো এখনো জনগণকে জানানোই হয়নি।
এভাবে যে রক্ত চুষে নিতে পারবে সেই ভালো বলবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবচিত্র তারা জেনেও অন্ধের মত চোখ বন্ধ করে বসে আছে। অথচ দেশের অবস্থা যখন ভালো থাকে তখন হিরো আলমকে কেউ ধাক্কা দিলে তখন তারা প্রতিবাদ করে।
সাম্রাজ্যবাদের আচরণ বিশ্বের মানুষ এখন জানে তারা কখন কোথায় কিভাবে কি আচরণ করে। এবং নিজেদের স্বার্থের জন্য কত মানুষ হত্যা করতে পারে কতটুকু নিচে নামতে পারে। আফগানিস্তান ইরাক লিবিয়া সিরিয়া ভেনিজুয়েলা তার অন্যতম উদাহরণ। নিশ্চিত থাকুন বাংলাদেশের এই মেরুদণ্ডহীন সরকারকে ব্যবহার করে পরবর্তীতে তারা মিয়ানমারে যুদ্ধে জড়াবে কারণ সেখানেও প্রাকৃতিক সম্পদ আছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থাকে যারা সমর্থন করে তারা আর যাই হোক নিজেদেরকে সভ্য ও গণতান্ত্রিক বলে দাবি করতে পারেনা।

Asha Shahanaj’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

যুক্তরাষ্ট্রের দুই মন্ত্রী ডোনাল্ড লু, আজরা জাবিন ও রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।

প্রকাশের সময় : ০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এই ছবিটি সেই ঐতিহাসিক ছবি যা ৩০ মে ২০২৪ সালে গণভবনে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই মন্ত্রী ডোনাল্ড লু, আজরা জাবিন এবং দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী রজার খলিলের ভাষ্য অনুযায়ী বিএনপি জামাতের সম্মতিতে কুখ্যাত দালাল ইউনুস যে গোপন চুক্তি করেছে সেদিনের বৈঠকে সেই চুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে।
কিন্তু শেখের বেটি সেই প্রস্তাব তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান করেন।
কারণ জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজের মাতৃভূমির বিনিময়ে কোন গোপন চুক্তি করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকতে চায়না। তারপর ডিপস্টেড আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার ব্যবস্থা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেদিনের প্রস্তাব পুরোপুরি না হলেও আংশিক মেনে নিলেও হয়তো সরকারকে এভাবে বিদায় নিতে হতোনা।
কিছুক্ষণ আগে চ্যানেল আইয়ের একটি পোস্টারে দেখলাম যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বর্তমান সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ওই কর্মকর্তা বলেছেন জুলাই এর পরে নাকি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে ! প্রধান রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পরে এটা কোন ধরনের গণতন্ত্র ?
ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে সারা পৃথিবীতে লুটপাটের মহড়া চালাচ্ছে। বিনা প্রয়োজনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারে ২৫ টি বোয়িং, দ্বিগুণ দামে এলএনজি, অতিরিক্ত দামে ভুট্টা সয়াবিন, রপ্তানি গার্মেন্টস এর উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ, অস্ত্রের ব্যাপারে গোপন চুক্তি তো এখনো জনগণকে জানানোই হয়নি।
এভাবে যে রক্ত চুষে নিতে পারবে সেই ভালো বলবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবচিত্র তারা জেনেও অন্ধের মত চোখ বন্ধ করে বসে আছে। অথচ দেশের অবস্থা যখন ভালো থাকে তখন হিরো আলমকে কেউ ধাক্কা দিলে তখন তারা প্রতিবাদ করে।
সাম্রাজ্যবাদের আচরণ বিশ্বের মানুষ এখন জানে তারা কখন কোথায় কিভাবে কি আচরণ করে। এবং নিজেদের স্বার্থের জন্য কত মানুষ হত্যা করতে পারে কতটুকু নিচে নামতে পারে। আফগানিস্তান ইরাক লিবিয়া সিরিয়া ভেনিজুয়েলা তার অন্যতম উদাহরণ। নিশ্চিত থাকুন বাংলাদেশের এই মেরুদণ্ডহীন সরকারকে ব্যবহার করে পরবর্তীতে তারা মিয়ানমারে যুদ্ধে জড়াবে কারণ সেখানেও প্রাকৃতিক সম্পদ আছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থাকে যারা সমর্থন করে তারা আর যাই হোক নিজেদেরকে সভ্য ও গণতান্ত্রিক বলে দাবি করতে পারেনা।

Asha Shahanaj’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।