
অনলাইন বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কিছু ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনে করিয়ে দেই।
২০০৯ সালে পিলখানা বিদ্রোহের সময় সাগর-রুনি দম্পতি দেশেই ছিলেন না। সেসময় সাগর সরোয়ার জার্মানিতে DW’র রেডিও হোস্ট এবং সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এই দম্পতি ২০০৯ এর পিলখানার ঘটনার আগে থেকেই জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন।
৩ বছর জার্মানীতে বসবাসের পর, ২০১১ সালের জুন মাসে এই দম্পতি বাংলাদেশে ফেরত আসেন। এর কিছুদিন পর সাগর মাছরাঙা টিভিতে ‘বার্তা সম্পাদক’ হিসেবে যোগ দেন এবং রুনি এটিএন বাংলায় যোগ দেন৷ এর মাত্র ৭ মাস পরেই তারা নির্মমভাবে নি*হ*ত হন৷
এদিকে ২০১২ সালে রোকেয়া প্রাচী আসিফ নজরুলের ঘরনী ছিলেন। ২০১২ এর আগষ্ট থেকে তারা আলাদা থাকতে শুরু করেন এবং ২০১৩ এর মাঝামাঝি সময়ে তারা অফিসিয়ালি বিচ্ছেদ ঘটান। এসময় পর্যন্ত তিনি কোন মেইনস্ট্রীম রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে সংযুক্ত ছিলেন না। তাকে আওয়ামী লীগের ধারে কাছেও তখন দেখা যায় নি।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছাত্র ইউনিয়নের সাথে যুক্ত এই শিল্পী বাম ঘরানার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্লাটফর্মে মোটামুটি সরব ছিলেন। ২০১১ সালে ছাত্র ইউনিয়ন নেতা এস এম শামীম নিখোঁজ হলে, ছাত্র ইউনিয়নের প্রোগ্রামে রোকেয়া প্রাচী উপস্থিত থেকে প্রতিবাদ জানান।
বিবাহ বিচ্ছেদের পরে রোকেয়া প্রাচী ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে যুক্ত হন এবং ২০১৭ সালে অফিসিয়ালি তিনি সাংস্কৃতিক সম্পাদকের পদ পান৷ তবে ২-৩ বার মনোনয়নপত্র নিলেও কখনো মনোনয়ন পান নি।
এবার আসেন ডটগুলো মিলাই৷
পিলখানা বিদ্রোহের সময় দেশে না থাকা সাংবাদিক দম্পতি ৩ বছর পর ফিরেই ৭ মাসের মধ্যে পিলখানা রহস্যের চাঞ্চল্যকর প্রমাণ জোগাড় করলেন৷ এই ৭ মাসের মধ্যে সাগর সরোয়ার ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম’ বিষয়ক একটি বইয়ের পান্ডুলিপিও লেখেন, যা তার ল্যাপটপে ছিল এবং সেই ল্যাপটপ আর পাওয়া যায়নি।
ছাত্রজীবনে বামপন্থী রোকেয়া প্রাচী তখন সাংসারিক টানাপোড়েন নিয়ে ব্যস্ত। তাই হঠাৎ তার মনে হলো যাই,”যাই৷ সাগর-রুনিকে খু**ন করিয়ে পিলখানা রহস্যের পেনড্রাইভ টা নিয়ে আসি৷” এরপর কাজ সেরে মাসখানেক পর আসিফ নজরুলের সাথে ছাড়াছাড়ি করলেন। এরও কয়েক বছর পর এসব পেনড্রাইভ নিয়ে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সংযুক্ত হলেন। সেই থেকে আজ অব্দি এই পেনড্রাইভ তাকে একখানা মনোনয়ন এর ব্যবস্থা করে দিতে পারেনি৷ এমনকি সংরক্ষিত মহিলা আসনও নয়।
উল্লেখ্য এই সব অপকর্ম করেও তিনি ৫ আগষ্টের পর দেশে ছিলেন। শেখ হাসিনার পতনের মাত্র ৯দিন পর দেশে যখন মবের তান্ডব চলছে, যখন বায়তুল মোকাররমের খতিবও নিরাপদ নন,তখন প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে ফুল দিতে যান এবং আক্রমনের শিকার হন। এরপর মাসখানেক দেশে অবস্থান করেন৷ অতঃপর দেশত্যাগ করেন।
Extra Footage’s Post
মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।





















