, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

কেরানীগঞ্জসহ সারাদেশে অপ-সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরামের নিন্দা ও প্রতিবাদ

  • প্রকাশের সময় : ০৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৩ পড়া হয়েছে

সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে দালালি বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম। সংগঠনটি বলছে, সাংবাদিকরা কেবল সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের স্বার্থেই দপ্তরে যেতে পারবেন। জনগণের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দিয়ে কাজ করানো সাংবাদিকতার নীতিবহির্ভূত এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

গত বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সংগঠনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।

বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মো. কুতুব উদ্দিন বলেন, কেরানীগঞ্জসহ সারাদেশে এক শ্রেণির মানুষ সাংবাদিকতার সত্যতা যাচাই না করেই পেশাটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। তারা সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দালি করে বেড়াচ্ছেন। জনসেবার নামে চলছে দুর্নীতি। এতে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ের সকল সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে সাংবাদিকরা অবশ্যই যাবেন। তবে তা হতে হবে কেবল সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে। সংবাদ সংগ্রহ করবেন, তথ্য যাচাই করবেন এবং বস্তুনিষ্ঠভাবে তা প্রকাশ করবেন। কোনোভাবেই অযথা সরকারি কর্মচারীকে হয়রানি করা যাবে না।

সভাপতি বলেন, সাংবাদিকতার নীতিমালায় জনগণের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে দপ্তরের কাজ করিয়ে দেওয়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি দেওয়া, ভয় দেখিয়ে ফাইল আটকে রাখা বা দ্রুত করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যারা এসব করছেন, তারা সাংবাদিকতার নামে অপ-সাংবাদিকতা করছেন।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, শুধু কেরানীগঞ্জ নয়, সারাদেশেই এখন এক ধরনের নৈরাজ্যের চিত্র দেখা যাচ্ছে। ভূমি অফিস, উপজেলা, থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে মামলা-হামলার কাজে ‘সহযোগিতা’র নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

*রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও কর্মগুণে বিশ্বাসী ফোরাম*
বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং কর্মগুণে বিশ্বাসী একটি পেশাজীবী সংগঠন। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটি জনকল্যাণ, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ, সাংবাদিকদের আইনি সহায়তা প্রদান এবং পেশাগত অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে।

সংগঠনের নেতারা বলেন, কোনো সাংবাদিক বিপদে পড়লে তার পাশে দাঁড়ানো, নির্যাতনের শিকার হলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং আইনি সহায়তা দেওয়া ফোরামের অন্যতম দায়িত্ব। পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা এবং গণমাধ্যমের ভাবমূর্তি রক্ষায়ও সংগঠন সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে অপরাধে জড়াতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

সরকার, প্রশাসন এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফোরাম বলেছে, অপ-সাংবাদিকতা দ্রুত বন্ধ করে প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য সম্মানজনক ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

কেরানীগঞ্জসহ সারাদেশে অপ-সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরামের নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রকাশের সময় : ০৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে দালালি বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম। সংগঠনটি বলছে, সাংবাদিকরা কেবল সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের স্বার্থেই দপ্তরে যেতে পারবেন। জনগণের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দিয়ে কাজ করানো সাংবাদিকতার নীতিবহির্ভূত এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

গত বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সংগঠনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।

বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মো. কুতুব উদ্দিন বলেন, কেরানীগঞ্জসহ সারাদেশে এক শ্রেণির মানুষ সাংবাদিকতার সত্যতা যাচাই না করেই পেশাটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। তারা সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দালি করে বেড়াচ্ছেন। জনসেবার নামে চলছে দুর্নীতি। এতে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ের সকল সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে সাংবাদিকরা অবশ্যই যাবেন। তবে তা হতে হবে কেবল সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে। সংবাদ সংগ্রহ করবেন, তথ্য যাচাই করবেন এবং বস্তুনিষ্ঠভাবে তা প্রকাশ করবেন। কোনোভাবেই অযথা সরকারি কর্মচারীকে হয়রানি করা যাবে না।

সভাপতি বলেন, সাংবাদিকতার নীতিমালায় জনগণের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে দপ্তরের কাজ করিয়ে দেওয়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি দেওয়া, ভয় দেখিয়ে ফাইল আটকে রাখা বা দ্রুত করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যারা এসব করছেন, তারা সাংবাদিকতার নামে অপ-সাংবাদিকতা করছেন।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, শুধু কেরানীগঞ্জ নয়, সারাদেশেই এখন এক ধরনের নৈরাজ্যের চিত্র দেখা যাচ্ছে। ভূমি অফিস, উপজেলা, থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে মামলা-হামলার কাজে ‘সহযোগিতা’র নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

*রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও কর্মগুণে বিশ্বাসী ফোরাম*
বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং কর্মগুণে বিশ্বাসী একটি পেশাজীবী সংগঠন। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটি জনকল্যাণ, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ, সাংবাদিকদের আইনি সহায়তা প্রদান এবং পেশাগত অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে।

সংগঠনের নেতারা বলেন, কোনো সাংবাদিক বিপদে পড়লে তার পাশে দাঁড়ানো, নির্যাতনের শিকার হলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং আইনি সহায়তা দেওয়া ফোরামের অন্যতম দায়িত্ব। পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা এবং গণমাধ্যমের ভাবমূর্তি রক্ষায়ও সংগঠন সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে অপরাধে জড়াতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

সরকার, প্রশাসন এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফোরাম বলেছে, অপ-সাংবাদিকতা দ্রুত বন্ধ করে প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য সম্মানজনক ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।