, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

হত্যা মামলার আসামি বিএনপি নেতাকে গুলি করেহত্যা

  • প্রকাশের সময় : ১১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৯ পড়া হয়েছে
অনলাইন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিএনপি নেতা আদম আলীর মরদেহ দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়। আজ সোমবার বিকেলে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চণ্ডীপাশা

পাবনার আটঘরিয়ায় এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের চণ্ডীপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আদম আলী (৬০) একদন্ত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও একই ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তাঁর বাড়ি ইউনিয়নের ষাটগাছা গ্রামে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হত্যা মামলায় জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়িতেই ছিলেন আদম আলী। আজ দুপুরে তিনি স্থানীয় একদন্ত বাজারে যান। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে চণ্ডীপাশা গ্রামে একদল দুর্বৃত্ত তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে দুর্বৃত্তরা চাকু দিয়ে কুপিয়ে তাঁকে ফেলে রেখে চলে যায়।

একদন্ত ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আদম আলী একদন্ত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। আমাদের এলাকাটি সন্ত্রাসকবলিত। তবে কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা আমরা নিশ্চিত নই। আইশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি দেখবে, এটাই আমরা চাই।’

আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হোসেন বলেন, হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ওসি আরও বলেন, কী কারণে ও কারা তাঁকে হত্যা করেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

আটঘরিয়া থানা–পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে আটঘরিয়া উপজেলার ষাটগাছা গ্রামের একটি বাঁশঝাড় থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার চার দিন পর ২৮ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাস এলাকা থেকে আদম আলীকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি জামিন পান।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন আদম আলী। পরে মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। এতে আদম আলীকে প্রধান আসামি করা হয়।

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

হত্যা মামলার আসামি বিএনপি নেতাকে গুলি করেহত্যা

প্রকাশের সময় : ১১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিএনপি নেতা আদম আলীর মরদেহ দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়। আজ সোমবার বিকেলে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার চণ্ডীপাশা

পাবনার আটঘরিয়ায় এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের চণ্ডীপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আদম আলী (৬০) একদন্ত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও একই ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তাঁর বাড়ি ইউনিয়নের ষাটগাছা গ্রামে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হত্যা মামলায় জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়িতেই ছিলেন আদম আলী। আজ দুপুরে তিনি স্থানীয় একদন্ত বাজারে যান। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে চণ্ডীপাশা গ্রামে একদল দুর্বৃত্ত তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে দুর্বৃত্তরা চাকু দিয়ে কুপিয়ে তাঁকে ফেলে রেখে চলে যায়।

একদন্ত ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আদম আলী একদন্ত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। আমাদের এলাকাটি সন্ত্রাসকবলিত। তবে কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা আমরা নিশ্চিত নই। আইশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি দেখবে, এটাই আমরা চাই।’

আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হোসেন বলেন, হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ওসি আরও বলেন, কী কারণে ও কারা তাঁকে হত্যা করেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

আটঘরিয়া থানা–পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে আটঘরিয়া উপজেলার ষাটগাছা গ্রামের একটি বাঁশঝাড় থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার চার দিন পর ২৮ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাস এলাকা থেকে আদম আলীকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি জামিন পান।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেন আদম আলী। পরে মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। এতে আদম আলীকে প্রধান আসামি করা হয়।