, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আমেরিকা এটা চালু করতে দিবে না

  • প্রকাশের সময় : ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৭ পড়া হয়েছে

 
জনগণের হোগা মারা যাক, আমেরিকা এটা চালু করতে দিবে না। এরকম ত্রুটির ওপর রাখবে।
আমাগ চাঁদপুর ব্রিজের মত, একটা ৯১ বিএনপি সরকার শুরু করে শেষ করতে না করতে সরকার পরিবর্তন, আওয়ামী ৯৬ সরকার তা চালু করেনি, আরেকটা ৯৬ আওয়ামী সরকার শুরু করে শেষ করতে না করতে সরকার চেঞ্জ, বিএনপি ২০০১ সরকার তা আর চালু করেনি, ৯১ সরকার সময়ের তারা যেটা শুরু করেছিল সেটা চালু করে। আওয়ামী ২০০৯ সরকার তাদের শুরু করাটি চালু করে।
তবে এটা তো ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প। চালু করতে দেরী হলে জনগণের হোগায় বাঁশ হবে টাকার সুদের পরিমাণে।
বিমান বন্দর থার্ড টার্মিনাল কি যে দরকারী, আগেরটায় যাত্রী দাঁড়ানোর যায়গা হয় না। আওয়ামীরা করেছে, ড. ইউনূস সরকার চালু করেনি। বিএনপি সরকারেরও লজ্জা কাটেনি। তাই চালু না করার ধান্ধা। ভেঙে ফেলে পারলে। বিএনপির কে একজন বলছিল পদ্মা ব্রিজ ভেঙে ফেলতে, ইন্টরিম এর একজন বলছিল (মনে হয় আকিজের লোকটা) মেট্রো রেল ভেঙে ফেলতে, যেহেতু এটা শেখ হাসিনার সময়ে হয়েছিল।
এদেশে সস্তা প্রতিহিংসা কমবে কিভাবে? বুদ্ধিমানরা রাজনীতি করে না, বিদেশে চেল গেছে/যায়। সে ফিল্ডে কমবুদ্ধির লোকগুলো বুদ্ধিজীবি, নোবেলও পায়।

Mohammad Amin’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আমেরিকা এটা চালু করতে দিবে না

প্রকাশের সময় : ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 
জনগণের হোগা মারা যাক, আমেরিকা এটা চালু করতে দিবে না। এরকম ত্রুটির ওপর রাখবে।
আমাগ চাঁদপুর ব্রিজের মত, একটা ৯১ বিএনপি সরকার শুরু করে শেষ করতে না করতে সরকার পরিবর্তন, আওয়ামী ৯৬ সরকার তা চালু করেনি, আরেকটা ৯৬ আওয়ামী সরকার শুরু করে শেষ করতে না করতে সরকার চেঞ্জ, বিএনপি ২০০১ সরকার তা আর চালু করেনি, ৯১ সরকার সময়ের তারা যেটা শুরু করেছিল সেটা চালু করে। আওয়ামী ২০০৯ সরকার তাদের শুরু করাটি চালু করে।
তবে এটা তো ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প। চালু করতে দেরী হলে জনগণের হোগায় বাঁশ হবে টাকার সুদের পরিমাণে।
বিমান বন্দর থার্ড টার্মিনাল কি যে দরকারী, আগেরটায় যাত্রী দাঁড়ানোর যায়গা হয় না। আওয়ামীরা করেছে, ড. ইউনূস সরকার চালু করেনি। বিএনপি সরকারেরও লজ্জা কাটেনি। তাই চালু না করার ধান্ধা। ভেঙে ফেলে পারলে। বিএনপির কে একজন বলছিল পদ্মা ব্রিজ ভেঙে ফেলতে, ইন্টরিম এর একজন বলছিল (মনে হয় আকিজের লোকটা) মেট্রো রেল ভেঙে ফেলতে, যেহেতু এটা শেখ হাসিনার সময়ে হয়েছিল।
এদেশে সস্তা প্রতিহিংসা কমবে কিভাবে? বুদ্ধিমানরা রাজনীতি করে না, বিদেশে চেল গেছে/যায়। সে ফিল্ডে কমবুদ্ধির লোকগুলো বুদ্ধিজীবি, নোবেলও পায়।

Mohammad Amin’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।