, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

যে নারীকে গোটা পৃথিবী ভালোবেসেছিল

  • প্রকাশের সময় : ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫৯ পড়া হয়েছে

Screenshot

অনলাইন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যে নারীকে গোটা পৃথিবী ভালোবেসেছিল, তাঁর নিজের ঘরটাই ছিল সবচেয়ে বড় কারাগার!—কেট উইন্সলেটের জীবনের এক যন্ত্রণাক্ত গল্প!💔
১৯৯৭ সালে ‘Titanic’ মুক্তির পর রাতারাতি পুরো বিশ্বের কোটি মানুষের ভালোবাসায় ভেসেছিলেন কেট উইন্সলেট।
কিন্তু পর্দার বাইরে বাস্তব জীবনে তাঁর গল্পটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বেদনাময়। ১৯৯৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর নিজের ঘরের ভেতরেই শুরু হয় তাঁর মানসিক নি/র্যা/ত/ন ও অবমূল্যায়নের কঠিন এক লড়াই।
বাইরের পৃথিবীর ভালোবাসার চেয়েও ঘরের ভেতরের এই নিঃসঙ্গতা কেটকে ক্রমেই ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিল।
একজন নারী যখন নিজের যোগ্যতায় সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছান, তখন কখনো কখনো তাঁর সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় একেবারে কাছের মানুষটি!
কেট উইন্সলেটের প্রথম দাম্পত্য জীবন ও ২০০১ সালের বিবাহবিচ্ছেদের স্মৃতি আজও এক অমীমাংসিত প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসে।
বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করার পরও নিজের জীবনসঙ্গীর কাছ থেকে মানসিক সাপোর্ট না পেয়ে নিজের ঘরেই নিজেকে বন্দী ও বিচ্ছিন্ন অনুভব করতেন তিনি।
স্ত্রী বা মা হওয়ার আগে একজন নারী যে স্বাধীন একজন মানুষ—এই সত্যটি মেনে নিতে আজও পিছপা হয় সমাজ।
সফল নারীর সাফল্যকে অনেক পুরুষই আজও নিজের পরাজয় মনে করে! প্রযুক্তি ও যুগ বদলালেও একজন নারীর নিজস্ব পরিচয় ও সম্মানের লড়াই কি আদৌ শেষ হয়েছে?
কেট উইন্সলেটের মতো মহাতারকার জীবনের এই সত্যি আমাদের ভাবতে বাধ্য করে—যেসব সাধারণ নারীর নীরব কান্না কোনো ক্যামেরায় ধরা পড়ে না, তাঁদের লড়াই কতটা কঠিন!

Adv Tamanna Afrin’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

যে নারীকে গোটা পৃথিবী ভালোবেসেছিল

প্রকাশের সময় : ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যে নারীকে গোটা পৃথিবী ভালোবেসেছিল, তাঁর নিজের ঘরটাই ছিল সবচেয়ে বড় কারাগার!—কেট উইন্সলেটের জীবনের এক যন্ত্রণাক্ত গল্প!💔
১৯৯৭ সালে ‘Titanic’ মুক্তির পর রাতারাতি পুরো বিশ্বের কোটি মানুষের ভালোবাসায় ভেসেছিলেন কেট উইন্সলেট।
কিন্তু পর্দার বাইরে বাস্তব জীবনে তাঁর গল্পটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বেদনাময়। ১৯৯৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর নিজের ঘরের ভেতরেই শুরু হয় তাঁর মানসিক নি/র্যা/ত/ন ও অবমূল্যায়নের কঠিন এক লড়াই।
বাইরের পৃথিবীর ভালোবাসার চেয়েও ঘরের ভেতরের এই নিঃসঙ্গতা কেটকে ক্রমেই ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিল।
একজন নারী যখন নিজের যোগ্যতায় সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছান, তখন কখনো কখনো তাঁর সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় একেবারে কাছের মানুষটি!
কেট উইন্সলেটের প্রথম দাম্পত্য জীবন ও ২০০১ সালের বিবাহবিচ্ছেদের স্মৃতি আজও এক অমীমাংসিত প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসে।
বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করার পরও নিজের জীবনসঙ্গীর কাছ থেকে মানসিক সাপোর্ট না পেয়ে নিজের ঘরেই নিজেকে বন্দী ও বিচ্ছিন্ন অনুভব করতেন তিনি।
স্ত্রী বা মা হওয়ার আগে একজন নারী যে স্বাধীন একজন মানুষ—এই সত্যটি মেনে নিতে আজও পিছপা হয় সমাজ।
সফল নারীর সাফল্যকে অনেক পুরুষই আজও নিজের পরাজয় মনে করে! প্রযুক্তি ও যুগ বদলালেও একজন নারীর নিজস্ব পরিচয় ও সম্মানের লড়াই কি আদৌ শেষ হয়েছে?
কেট উইন্সলেটের মতো মহাতারকার জীবনের এই সত্যি আমাদের ভাবতে বাধ্য করে—যেসব সাধারণ নারীর নীরব কান্না কোনো ক্যামেরায় ধরা পড়ে না, তাঁদের লড়াই কতটা কঠিন!

Adv Tamanna Afrin’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।