, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আইগ্যাজ, ওমেরা, পেট্রোম্যাক্স, বিএম এনার্জি ও যমুনা এলপিজি মজুদ করছে:গোয়েন্দা প্রতিবেদন

  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ পড়া হয়েছে
অনলাইন শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
দেশের শীর্ষ পাঁচটি কম্পানি আমদানি করা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে জানিয়ে সরকারকে তা খতিয়ে দেখতে বলেছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে দেওয়া এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি পাঁচটি বড় এলপিজি কম্পানির নাম উল্লেখ করেছে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দুই হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সেপ্টেম্বরে এই সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি দেখছি।’

সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে এনএসআই জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে দেশে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলওএবি) তথ্যের সঙ্গেও এই হিসাবের মিল রয়েছে। সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, দেশে এলপিজি আমদানি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে এবং সেপ্টেম্বরে আমদানি হওয়া এলপিজি চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট।এনএসআই বলেছে, এলপিজি আটকে রাখার অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করা প্রয়োজন। কারণ অক্টোবর থেকে প্রতি টন এলপিজির অতিরিক্ত দাম প্রায় ৬৪ ডলার বেড়েছে।

অক্টোবরে দাম বাড়ার আগে কোনো আমদানি করা এলপিজি ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে সরকারকে বলেছে এনএসআই। দাম বাড়ার পর এসব চালান বাজারে ছাড়া হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্ত করতে বলা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ সত্য হলে আমদানিকারকেরা বাড়তি বাণিজ্যিক সুবিধা পেতে পারেন। এতে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়তে পারে। এনএসআই বলেছে, বর্তমানে বাজার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যে হারে দাম বাড়ার চাপ সামলাতে পারে, তার চেয়েও বেশি হারে এলপিজির দাম বাড়ছে। এর ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে এবং শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব পড়ছে ভোক্তাদের ওপর।

দাম বাড়ার পেছনে প্রকৃত সরবরাহ সংকট রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছে এনএসআই। একই সঙ্গে পণ্য মজুদ করে রাখা, চালান বাজারে ছাড়তে দেরি করা বা অন্য কোনো কারণে দাম বাড়ছে কি না, সেটিও তদন্ত করতে বলা হয়েছে।

২২ সেপ্টেম্বর থেকে বড় আমদানিকারকদের কাছে থাকা এলপিজির মজুদের জরুরি হিসাব করার নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলেছে সংস্থাটি। এতে প্রতিটি চালান কখন এসেছে, কখন খালাস হয়েছে, কত পণ্য মজুদ রয়েছে এবং কবে বাজারে ছাড়া হয়েছে—এসব তথ্য রাখতে বলা হয়েছে।

অক্টোবরে দাম বাড়ার আগে আমদানি করা কত পরিমাণ এলপিজি দাম সমন্বয়ের পরও বাজারে ছাড়া হয়নি, তা বের করতেও বলেছে এনএসআই। বাড়তি দাম বা বেশি মুনাফার আশায় কোনো আমদানিকারক বা বাজারের অন্য কোনো পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে চালান ছাড়তে দেরি করেছে কি না, সেটিও তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাজারে যে পরিমাণ এলপিজি মজুদ থাকার কথা বলা হচ্ছে, তা স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রয়োজন ও বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাই করতে বলেছে সংস্থাটি।

বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এলপিজি আমদানি, মজুদ ও বাজারে সরবরাহের তথ্য নজরদারির সুপারিশ করেছে এনএসআই। সরবরাহে বাধা বা অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

সংস্থাটি পর্যাপ্ত আমদানি করা এলপিজি বাজারে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে। এতে অতিরিক্ত মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি ঠেকানো সম্ভব হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি বা অনুমোদন ছাড়া এলপিজি মজুদ করলে সংশ্লিষ্ট অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতারা আইন লঙ্ঘন করবেন বলেও সতর্ক করেছে এলওএবি। এ ক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

সরকারও এলপিজির বাজারে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এলওএবি জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর অনলাইনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের এলপিজির বাজার পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।

ওমেরা পেট্রোলিয়ামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে এলপিজির সরবরাহ নিশ্চিত করাকে তারা সব সময় অগ্রাধিকার দেন। বাজারে অস্থিরতা বা সরবরাহে সমস্যা হলেও এই নীতি থেকে তারা সরে আসেননি।

প্রতিবেদনে নাম থাকা আরেকটি কম্পানির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, প্রতিটি চালানের গতিবিধি নথিভুক্ত থাকে। তাই অভিযোগটি তাদের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মেলে না। তিনি আরো বলেন, কর্তৃপক্ষ কোনো প্রশ্ন করলে প্রয়োজনীয় নথিপত্র দিয়ে তারা তার জবাব দিতে পারবেন।

\

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আইগ্যাজ, ওমেরা, পেট্রোম্যাক্স, বিএম এনার্জি ও যমুনা এলপিজি মজুদ করছে:গোয়েন্দা প্রতিবেদন

প্রকাশের সময় : ০৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
দেশের শীর্ষ পাঁচটি কম্পানি আমদানি করা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে জানিয়ে সরকারকে তা খতিয়ে দেখতে বলেছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে দেওয়া এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি পাঁচটি বড় এলপিজি কম্পানির নাম উল্লেখ করেছে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দুই হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সেপ্টেম্বরে এই সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি দেখছি।’

সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে এনএসআই জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে দেশে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলওএবি) তথ্যের সঙ্গেও এই হিসাবের মিল রয়েছে। সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, দেশে এলপিজি আমদানি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে এবং সেপ্টেম্বরে আমদানি হওয়া এলপিজি চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট।এনএসআই বলেছে, এলপিজি আটকে রাখার অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করা প্রয়োজন। কারণ অক্টোবর থেকে প্রতি টন এলপিজির অতিরিক্ত দাম প্রায় ৬৪ ডলার বেড়েছে।

অক্টোবরে দাম বাড়ার আগে কোনো আমদানি করা এলপিজি ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে সরকারকে বলেছে এনএসআই। দাম বাড়ার পর এসব চালান বাজারে ছাড়া হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্ত করতে বলা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ সত্য হলে আমদানিকারকেরা বাড়তি বাণিজ্যিক সুবিধা পেতে পারেন। এতে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়তে পারে। এনএসআই বলেছে, বর্তমানে বাজার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যে হারে দাম বাড়ার চাপ সামলাতে পারে, তার চেয়েও বেশি হারে এলপিজির দাম বাড়ছে। এর ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে এবং শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব পড়ছে ভোক্তাদের ওপর।

দাম বাড়ার পেছনে প্রকৃত সরবরাহ সংকট রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছে এনএসআই। একই সঙ্গে পণ্য মজুদ করে রাখা, চালান বাজারে ছাড়তে দেরি করা বা অন্য কোনো কারণে দাম বাড়ছে কি না, সেটিও তদন্ত করতে বলা হয়েছে।

২২ সেপ্টেম্বর থেকে বড় আমদানিকারকদের কাছে থাকা এলপিজির মজুদের জরুরি হিসাব করার নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলেছে সংস্থাটি। এতে প্রতিটি চালান কখন এসেছে, কখন খালাস হয়েছে, কত পণ্য মজুদ রয়েছে এবং কবে বাজারে ছাড়া হয়েছে—এসব তথ্য রাখতে বলা হয়েছে।

অক্টোবরে দাম বাড়ার আগে আমদানি করা কত পরিমাণ এলপিজি দাম সমন্বয়ের পরও বাজারে ছাড়া হয়নি, তা বের করতেও বলেছে এনএসআই। বাড়তি দাম বা বেশি মুনাফার আশায় কোনো আমদানিকারক বা বাজারের অন্য কোনো পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে চালান ছাড়তে দেরি করেছে কি না, সেটিও তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাজারে যে পরিমাণ এলপিজি মজুদ থাকার কথা বলা হচ্ছে, তা স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রয়োজন ও বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাই করতে বলেছে সংস্থাটি।

বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এলপিজি আমদানি, মজুদ ও বাজারে সরবরাহের তথ্য নজরদারির সুপারিশ করেছে এনএসআই। সরবরাহে বাধা বা অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

সংস্থাটি পর্যাপ্ত আমদানি করা এলপিজি বাজারে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে। এতে অতিরিক্ত মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি ঠেকানো সম্ভব হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি বা অনুমোদন ছাড়া এলপিজি মজুদ করলে সংশ্লিষ্ট অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতারা আইন লঙ্ঘন করবেন বলেও সতর্ক করেছে এলওএবি। এ ক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

সরকারও এলপিজির বাজারে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এলওএবি জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর অনলাইনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের এলপিজির বাজার পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।

ওমেরা পেট্রোলিয়ামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে এলপিজির সরবরাহ নিশ্চিত করাকে তারা সব সময় অগ্রাধিকার দেন। বাজারে অস্থিরতা বা সরবরাহে সমস্যা হলেও এই নীতি থেকে তারা সরে আসেননি।

প্রতিবেদনে নাম থাকা আরেকটি কম্পানির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, প্রতিটি চালানের গতিবিধি নথিভুক্ত থাকে। তাই অভিযোগটি তাদের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মেলে না। তিনি আরো বলেন, কর্তৃপক্ষ কোনো প্রশ্ন করলে প্রয়োজনীয় নথিপত্র দিয়ে তারা তার জবাব দিতে পারবেন।

\