, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

পাকিস্তান “বেইলআউট রাষ্ট্র’কতদিন টিকেথাকে?

  • প্রকাশের সময় : ১২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
পাকিস্তানের বৈদেশিক তারল্য এখন মূলত দুটি ভঙ্গুর অবলম্বনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—বারবার নেওয়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ এবং মিত্র রাষ্ট্রগুলোর আমানত পুনঃতফসিল বা মেয়াদ বাড়ানো। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক—দুই দিক থেকেই এসব ব্যবস্থার বড় মূল্য দিতে হচ্ছে দেশটিকে।

মুর্তাজার মতে, ২০১৬ সালে স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের রিজার্ভের ৩৬ শতাংশের সমপরিমাণ বিদেশি রাষ্ট্রের আমানত ছিল, যা ২০২৩ সালের শুরুতে প্রায় ৬০০ শতাংশে পৌঁছে যায়।

তিনি দাবি করেন, এসব আমানত বা ঋণ সরাসরি উৎপাদন, কর্মসংস্থান কিংবা রাজস্ব আয়ের প্রকল্পে ব্যবহৃত হয় না। বরং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবেলায় এগুলো নেওয়া হয়। ফলে রিজার্ভ বাড়লেও অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা দূর হচ্ছে না।

তবে পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে বলেও মনে করেন পাকিস্তানি এই গবেষক। তার মতে, বাংলাদেশের বিদেশি রাষ্ট্রের এমন আমানত নেই এবং আইএমএফের ঋণ রিজার্ভের তুলনায় অনেক কম। একই সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের রপ্তানি প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে তিনি দাবি করেন, গত চার বছরে পাকিস্তানের বর্তমান ব্যবস্থার প্রধান অর্জন স্থিতিশীলতা ধরে রাখা। কিন্তু শক্তিশালী রপ্তানি ভিত্তি ও টেকসই প্রবৃদ্ধি না থাকায় সেই স্থিতিশীলতাই শেষ পর্যন্ত স্থবিরতায় পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

আইএমএফের শর্ত এবং বিদেশি রাষ্ট্রের আমানতের ওপর নির্ভরতা পাকিস্তানের অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে বলেও তিনি মনে করেন।

সব মিলিয়ে পাকিস্তানের সামনে দুটি কঠিন পথ রয়েছে—ধীর প্রবৃদ্ধি নিয়ে এগিয়ে গিয়ে সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকি নেওয়া, অথবা আমদানিনির্ভর প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে আবারও বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে পড়া। এই দুই ভঙ্গুর অবলম্বনের ওপর দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের ‘বেইলআউট রাষ্ট্র’ আর কতদিন টিকে থাকতে পারবে বলেও প্রশ্ন রাখলেন তিনি।

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

পাকিস্তান “বেইলআউট রাষ্ট্র’কতদিন টিকেথাকে?

প্রকাশের সময় : ১২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
পাকিস্তানের বৈদেশিক তারল্য এখন মূলত দুটি ভঙ্গুর অবলম্বনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—বারবার নেওয়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ এবং মিত্র রাষ্ট্রগুলোর আমানত পুনঃতফসিল বা মেয়াদ বাড়ানো। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক—দুই দিক থেকেই এসব ব্যবস্থার বড় মূল্য দিতে হচ্ছে দেশটিকে।

মুর্তাজার মতে, ২০১৬ সালে স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের রিজার্ভের ৩৬ শতাংশের সমপরিমাণ বিদেশি রাষ্ট্রের আমানত ছিল, যা ২০২৩ সালের শুরুতে প্রায় ৬০০ শতাংশে পৌঁছে যায়।

তিনি দাবি করেন, এসব আমানত বা ঋণ সরাসরি উৎপাদন, কর্মসংস্থান কিংবা রাজস্ব আয়ের প্রকল্পে ব্যবহৃত হয় না। বরং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবেলায় এগুলো নেওয়া হয়। ফলে রিজার্ভ বাড়লেও অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা দূর হচ্ছে না।

তবে পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে বলেও মনে করেন পাকিস্তানি এই গবেষক। তার মতে, বাংলাদেশের বিদেশি রাষ্ট্রের এমন আমানত নেই এবং আইএমএফের ঋণ রিজার্ভের তুলনায় অনেক কম। একই সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের রপ্তানি প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে তিনি দাবি করেন, গত চার বছরে পাকিস্তানের বর্তমান ব্যবস্থার প্রধান অর্জন স্থিতিশীলতা ধরে রাখা। কিন্তু শক্তিশালী রপ্তানি ভিত্তি ও টেকসই প্রবৃদ্ধি না থাকায় সেই স্থিতিশীলতাই শেষ পর্যন্ত স্থবিরতায় পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

আইএমএফের শর্ত এবং বিদেশি রাষ্ট্রের আমানতের ওপর নির্ভরতা পাকিস্তানের অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে বলেও তিনি মনে করেন।

সব মিলিয়ে পাকিস্তানের সামনে দুটি কঠিন পথ রয়েছে—ধীর প্রবৃদ্ধি নিয়ে এগিয়ে গিয়ে সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকি নেওয়া, অথবা আমদানিনির্ভর প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে আবারও বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে পড়া। এই দুই ভঙ্গুর অবলম্বনের ওপর দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের ‘বেইলআউট রাষ্ট্র’ আর কতদিন টিকে থাকতে পারবে বলেও প্রশ্ন রাখলেন তিনি।