, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

খাল নেই, তবুও কোটি টাকার সেতু! সরকারী অর্থ অপচয়ের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : ০২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ৪৫ পড়া হয়েছে
আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠি’র নলছিটি  উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের গোডন্দা এলাকায় খালের অস্তিত্ব প্রায় বিলীন হলেও সেখানে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ১০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি স্ল্যাব সেতু নির্মাণ করায় সরকারি অর্থের অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ নিয়ে নতুন জটিলতায় পড়েছেন আশপাশের কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা জিসি–তালতলা–ভবানীপুর হয়ে নাচনমহল ইউনিয়ন সড়কে বিডিআইআরডবলুএসপি প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
৭ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। ইতিমধ্যে ঠিকাদারকে ৭৪ লাখ ১৬ হাজার ১৭৯ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যেখানে একসময় ছোট একটি খালের ওপর বক্স কালভার্ট ছিল, সেখানে এখন খাল প্রায় বিলুপ্ত। এমন স্থানে নতুন সেতু নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া সেতুটি চালু করতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হলে কয়েকটি পরিবারের বাড়ির সামনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ভুক্তভোগী আব্বাস হাওলাদার, মোর্শেদা বেগম, জামাল ও সবুজ জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হলে তাদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হবে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান চান।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, যথাযথ পরিকল্পনা ও বাস্তবতা যাচাই ছাড়া প্রকল্পটি গ্রহণ করায় এখন জনদুর্ভোগ ও সরকারি অর্থ অপচয়ের প্রশ্ন সামনে এসেছে।
 স্থানীয়দের মধ্যে আরো অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসও) উপসহকারী প্রকৌশলী মঈনুল আযম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম তালুকদারের সঙ্গে যোগসাজশে অনিয়ম করেছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে উপসহকারী প্রকৌশলী মঈনুল আযম বলেন, আমি কোনো অনিয়ম করিনি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য বিকল্প চলাচলের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।
 এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুল হক বলেন, সেতুটি পূর্বের একটি কালভার্টের স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে ঠিকই, তবে আমরা ইতোমধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। স্থানীয়দের ক্ষতি না করে কীভাবে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

খাল নেই, তবুও কোটি টাকার সেতু! সরকারী অর্থ অপচয়ের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠি’র নলছিটি  উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের গোডন্দা এলাকায় খালের অস্তিত্ব প্রায় বিলীন হলেও সেখানে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ১০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি স্ল্যাব সেতু নির্মাণ করায় সরকারি অর্থের অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ নিয়ে নতুন জটিলতায় পড়েছেন আশপাশের কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা।
এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা জিসি–তালতলা–ভবানীপুর হয়ে নাচনমহল ইউনিয়ন সড়কে বিডিআইআরডবলুএসপি প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
৭ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। ইতিমধ্যে ঠিকাদারকে ৭৪ লাখ ১৬ হাজার ১৭৯ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যেখানে একসময় ছোট একটি খালের ওপর বক্স কালভার্ট ছিল, সেখানে এখন খাল প্রায় বিলুপ্ত। এমন স্থানে নতুন সেতু নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া সেতুটি চালু করতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হলে কয়েকটি পরিবারের বাড়ির সামনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ভুক্তভোগী আব্বাস হাওলাদার, মোর্শেদা বেগম, জামাল ও সবুজ জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হলে তাদের স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হবে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান চান।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, যথাযথ পরিকল্পনা ও বাস্তবতা যাচাই ছাড়া প্রকল্পটি গ্রহণ করায় এখন জনদুর্ভোগ ও সরকারি অর্থ অপচয়ের প্রশ্ন সামনে এসেছে।
 স্থানীয়দের মধ্যে আরো অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসও) উপসহকারী প্রকৌশলী মঈনুল আযম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম তালুকদারের সঙ্গে যোগসাজশে অনিয়ম করেছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে উপসহকারী প্রকৌশলী মঈনুল আযম বলেন, আমি কোনো অনিয়ম করিনি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য বিকল্প চলাচলের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।
 এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুল হক বলেন, সেতুটি পূর্বের একটি কালভার্টের স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে ঠিকই, তবে আমরা ইতোমধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। স্থানীয়দের ক্ষতি না করে কীভাবে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।