, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

আওয়ামী লীগের ফেরা

  • প্রকাশের সময় : ০২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ১১৬ পড়া হয়েছে

Shaugat Ali Sagor

আওয়ামী লীগের ফেরা নিয়ে অনেককেই আজকাল উদ্বিগ্ন দেখা যায়।ঢাকার অনেকগুলো পত্রিকায় দলটির সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে দীর্ঘ এমন কী ধারাবাহিক নিবন্ধও প্রকাশিত হয়েছে।এইসব নিবন্ধের মূল সুরটিই হচ্ছে- আওয়ামী লীগ পারলো না, আওয়ামী লীগ কেন নেতৃত্ব পরিবর্তন করলো না, আওয়ামী লীগ কেন জোর করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলো না ইত্যাদি ইত্যাদি।
মজার ব্যাপার হচ্ছে আওয়ামী লীগ নিয়ে যারাই লিখছেন, যে পত্রিকাগুলো এসব লেখা প্রকাশ করছেন- তারা কিন্তু আওয়ামী লীগের কার্যক্রম কেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে- তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে না। তাদের কেউই বলছে না- আওয়ামী লীগকে তাদের আইনানুগ নিয়মতান্ত্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হোক। আওয়ামী লীগের নাম গন্ধ পেলেই যে নিপীড়ন চালানো হয়েছে দুই বছর ধরে- তার বিরুদ্ধে এদের কেউই কোনো প্রতিবাদ করেনি, এগুলো বন্ধ করার দাবি তুলে নি। আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থক দিয়ে যে জেলখানা ভরে ফেলা হয়েছে- সেগুলো নিয়ে কতজন, কয়টি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে? পরীক্ষার হল থেকে ছাত্রলীগের সমর্থকদের ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া,পাইকারি হারে ছাত্রলীগের সমর্থকদের ছাত্রত্ব বাতিল করা নিয়ে এরা কিন্তু টু শব্দটিও করেনি। এরা ই এখন আওয়ামী লীগ কেন ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না তা নিয়ে গবেষণা নিবন্ধ লিখছে এবং প্রকাশ করছে।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

আওয়ামী লীগের ফেরা

প্রকাশের সময় : ০২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

Shaugat Ali Sagor

আওয়ামী লীগের ফেরা নিয়ে অনেককেই আজকাল উদ্বিগ্ন দেখা যায়।ঢাকার অনেকগুলো পত্রিকায় দলটির সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে দীর্ঘ এমন কী ধারাবাহিক নিবন্ধও প্রকাশিত হয়েছে।এইসব নিবন্ধের মূল সুরটিই হচ্ছে- আওয়ামী লীগ পারলো না, আওয়ামী লীগ কেন নেতৃত্ব পরিবর্তন করলো না, আওয়ামী লীগ কেন জোর করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলো না ইত্যাদি ইত্যাদি।
মজার ব্যাপার হচ্ছে আওয়ামী লীগ নিয়ে যারাই লিখছেন, যে পত্রিকাগুলো এসব লেখা প্রকাশ করছেন- তারা কিন্তু আওয়ামী লীগের কার্যক্রম কেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে- তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে না। তাদের কেউই বলছে না- আওয়ামী লীগকে তাদের আইনানুগ নিয়মতান্ত্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হোক। আওয়ামী লীগের নাম গন্ধ পেলেই যে নিপীড়ন চালানো হয়েছে দুই বছর ধরে- তার বিরুদ্ধে এদের কেউই কোনো প্রতিবাদ করেনি, এগুলো বন্ধ করার দাবি তুলে নি। আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থক দিয়ে যে জেলখানা ভরে ফেলা হয়েছে- সেগুলো নিয়ে কতজন, কয়টি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে? পরীক্ষার হল থেকে ছাত্রলীগের সমর্থকদের ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া,পাইকারি হারে ছাত্রলীগের সমর্থকদের ছাত্রত্ব বাতিল করা নিয়ে এরা কিন্তু টু শব্দটিও করেনি। এরা ই এখন আওয়ামী লীগ কেন ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না তা নিয়ে গবেষণা নিবন্ধ লিখছে এবং প্রকাশ করছে।