, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

ইবলিশ পাগল ছিল না, সে আলেম ছিল।

  • প্রকাশের সময় : ০৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

ইবলিশ পাগল ছিল না, সে আলেম ছিল।
ইবলিশ কাফের ছিল না, সে আল্লাহকে চিনতো।
তাহলে সে ধ্বংস হলো কেন?🥀
এই একটা প্রশ্ন বুঝলে
তুমি তোমার পুরো জীবন বুঝে যাবে।
.
ইবলিশ জানতো আল্লাহ এক।
সে আল্লাহর সাথে কথা বলেছে।
সে জান্নাত দেখেছে, জাহান্নাম দেখেছে।
ফেরেশতাদের ওস্তাদ ছিল সে।
তার ইবাদতের কোনো কমতি ছিল না।
.
তাহলে তার অভাব কিসের ছিল?
তার অভাব ছিল একটা জিনিসের – সে নিজেকে চিনতে পারেনি।
.
আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করেননি – “তুই সিজদা করলি না কেন?”
আল্লাহ জিজ্ঞেস করেছেন – *”মা মানা’আকা?”
তোকে কিসে বাধা দিল?*
.
মানে তোর ভিতরে এমন কি ঢুকলো যে – তুই আমাকে মানতে পারলি না?
.
সেই বাধাটা ছিল – “আনা খাইরুম মিনহু – আমি তার চেয়ে উত্তম।”
.
ইবলিশ আগুনের তৈরি, আদম (আ) মাটির তৈরি – এটা ছিল তার যুক্তি।
কিন্তু তার ভিতরের রোগ ছিল –
সে নিজের একটা ইমেজ বানিয়ে ফেলেছিল।
“আমি অনেক ইবাদত করেছি,
আমি ফেরেশতাদের সাথে থাকি,
আমি ভিআইপি।
আমি কেন মাটির আদমের (আ) সামনে মাথা নত করবো?”
.
আল্লাহর দরবারে ভিআইপি বলে কিছু নাই।
আল্লাহর দরবারে যে নিজেকে ছোট মনে করে, আল্লাহ তাকে বড় করেন।
যে নিজেকে বড় মনে করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দেন।
.
আর তারপর ইবলিশ কি করলো জানো?
সে তওবা করলো না।
সে বললো না – “আল্লাহ ভুল হয়ে গেছে।”
.
সে উল্টা দোষ দিল।
প্রথমে আদমকে (আ) দোষ দিল,
তারপর আল্লাহকে বললো – “আপনি আমাকে গোমরাহ করেছেন।”
নাউযুবিল্লাহ।
.
এইখানেই আদম (আ) আর ইবলিশের পার্থক্য।
আদম (আঃ) ভুল করে বলেছিলেন – “রব্বানা জলামনা আনফুসানা –
হে আল্লাহ আমরা নিজের উপর জুলুম করেছি।”
আর ইবলিশ ভুল করে বলেছিল – “আপনি আমাকে দিয়ে ভুল করিয়েছেন।”
.
একজন নিজের দিকে আঙুল তুললো, সে নবী হয়ে গেল।
আরেকজন অন্যের দিকে আঙুল তুললো, সে শয়তান হয়ে গেল।
.
“ইবলিশ মরেনি, ইবলিশ তোমার ভিতরেই থাকে।”*
.
যখন তুমি বলো –
“আমি ঠিক, ও ভুল।”
“আমি এটা করেছি ওর জন্য।”
“আমার কোনো দোষ নাই, পরিস্থিতি খারাপ ছিল।”
“আমি ওর চেয়ে ভালো।”
.
তখন বুঝবে তোমার ভিতরে ইবলিশ কথা বলছে।
.
শয়তান চায় তুমি কখনো নিজের ভুলটা স্বীকার না করো।
কারণ যে নিজের ভুল স্বীকার করে না, সে কখনো তওবা করে না। আর যে তওবা করে না, সে কখনো আল্লাহর কাছে ফিরতে পারে না।
তাই আজই নিজেকে জিজ্ঞেস করো – আমার ভিতরে “আনা খাইরুম মিনহু” টা কোথায় লুকিয়ে আছে?
.
ওইটাকে মারতে পারলেই তুমি মানুষ।
ওইটাকে পুষে রাখলেই তুমি ইবলিশ।
লেখাটা কালেক্টেড অবস্থায় পেয়েছি আরেকজনের কাছে, তাই প্রকৃত লেখকের নামটা মেনশন করতে পারলাম না, আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দিক যিনি লিখেছেন 🧡

Sumona Islam’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

ইবলিশ পাগল ছিল না, সে আলেম ছিল।

প্রকাশের সময় : ০৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

অনলাইন রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

ইবলিশ পাগল ছিল না, সে আলেম ছিল।
ইবলিশ কাফের ছিল না, সে আল্লাহকে চিনতো।
তাহলে সে ধ্বংস হলো কেন?🥀
এই একটা প্রশ্ন বুঝলে
তুমি তোমার পুরো জীবন বুঝে যাবে।
.
ইবলিশ জানতো আল্লাহ এক।
সে আল্লাহর সাথে কথা বলেছে।
সে জান্নাত দেখেছে, জাহান্নাম দেখেছে।
ফেরেশতাদের ওস্তাদ ছিল সে।
তার ইবাদতের কোনো কমতি ছিল না।
.
তাহলে তার অভাব কিসের ছিল?
তার অভাব ছিল একটা জিনিসের – সে নিজেকে চিনতে পারেনি।
.
আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করেননি – “তুই সিজদা করলি না কেন?”
আল্লাহ জিজ্ঞেস করেছেন – *”মা মানা’আকা?”
তোকে কিসে বাধা দিল?*
.
মানে তোর ভিতরে এমন কি ঢুকলো যে – তুই আমাকে মানতে পারলি না?
.
সেই বাধাটা ছিল – “আনা খাইরুম মিনহু – আমি তার চেয়ে উত্তম।”
.
ইবলিশ আগুনের তৈরি, আদম (আ) মাটির তৈরি – এটা ছিল তার যুক্তি।
কিন্তু তার ভিতরের রোগ ছিল –
সে নিজের একটা ইমেজ বানিয়ে ফেলেছিল।
“আমি অনেক ইবাদত করেছি,
আমি ফেরেশতাদের সাথে থাকি,
আমি ভিআইপি।
আমি কেন মাটির আদমের (আ) সামনে মাথা নত করবো?”
.
আল্লাহর দরবারে ভিআইপি বলে কিছু নাই।
আল্লাহর দরবারে যে নিজেকে ছোট মনে করে, আল্লাহ তাকে বড় করেন।
যে নিজেকে বড় মনে করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দেন।
.
আর তারপর ইবলিশ কি করলো জানো?
সে তওবা করলো না।
সে বললো না – “আল্লাহ ভুল হয়ে গেছে।”
.
সে উল্টা দোষ দিল।
প্রথমে আদমকে (আ) দোষ দিল,
তারপর আল্লাহকে বললো – “আপনি আমাকে গোমরাহ করেছেন।”
নাউযুবিল্লাহ।
.
এইখানেই আদম (আ) আর ইবলিশের পার্থক্য।
আদম (আঃ) ভুল করে বলেছিলেন – “রব্বানা জলামনা আনফুসানা –
হে আল্লাহ আমরা নিজের উপর জুলুম করেছি।”
আর ইবলিশ ভুল করে বলেছিল – “আপনি আমাকে দিয়ে ভুল করিয়েছেন।”
.
একজন নিজের দিকে আঙুল তুললো, সে নবী হয়ে গেল।
আরেকজন অন্যের দিকে আঙুল তুললো, সে শয়তান হয়ে গেল।
.
“ইবলিশ মরেনি, ইবলিশ তোমার ভিতরেই থাকে।”*
.
যখন তুমি বলো –
“আমি ঠিক, ও ভুল।”
“আমি এটা করেছি ওর জন্য।”
“আমার কোনো দোষ নাই, পরিস্থিতি খারাপ ছিল।”
“আমি ওর চেয়ে ভালো।”
.
তখন বুঝবে তোমার ভিতরে ইবলিশ কথা বলছে।
.
শয়তান চায় তুমি কখনো নিজের ভুলটা স্বীকার না করো।
কারণ যে নিজের ভুল স্বীকার করে না, সে কখনো তওবা করে না। আর যে তওবা করে না, সে কখনো আল্লাহর কাছে ফিরতে পারে না।
তাই আজই নিজেকে জিজ্ঞেস করো – আমার ভিতরে “আনা খাইরুম মিনহু” টা কোথায় লুকিয়ে আছে?
.
ওইটাকে মারতে পারলেই তুমি মানুষ।
ওইটাকে পুষে রাখলেই তুমি ইবলিশ।
লেখাটা কালেক্টেড অবস্থায় পেয়েছি আরেকজনের কাছে, তাই প্রকৃত লেখকের নামটা মেনশন করতে পারলাম না, আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দিক যিনি লিখেছেন 🧡

Sumona Islam’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।