, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পূর্ণাঙ্গ রায়:ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর লাশের পাশে ধূমপান করছেন স্বামী:আটক কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রোটনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ কোনো মন্তব্য করতে রা‌জি নয়: শামা ওবায়েদ জিএম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হামলা গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ?

ইরানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশের জোট, কমান্ডার নিয়োগ

  • প্রকাশের সময় : ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬
  • ৩৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬

বাব এল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশকে নিয়ে সৌদি আরবের উদ্যোগে গঠিত প্রতিরক্ষা জোটের প্রধান কমান্ডার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সৌদি নৌবাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরিকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথে অবরোধ আরোপ করে ইয়েমেনভিত্তিক সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হুথি। লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা বাব এল-মান্দেব প্রণালিও এই বাণিজ্যপথের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সৌদি নৌবাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরি

সৌদি আরবের জন্য বাব এল-মান্দেব প্রণালির গুরুত্বের আরেকটি কারণ হলো, দেশটির অন্যতম প্রধান সমুদ্রবন্দর ইয়ানাবু এই জলপথের কাছে অবস্থিত। জুলাইয়ের শেষ দিকে ইয়ানাবু বন্দরে ড্রোন হামলা চালায় হুথি গোষ্ঠী।

ইয়ানাবুতে হামলার পরই নতুন প্রতিরক্ষা জোট গঠনের উদ্যোগ নেয় রিয়াদ। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সৌদির মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে ৬০টি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এর মধ্যে ১৪টি দেশ জোটে যোগ দিতে সম্মতি জানায়।

জোটের সদস্য দেশগুলো হলো—বাহরাইন, বাংলাদেশ, কোমোরোস, জিবুতি, মিসর, জর্ডান, কুয়েত, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সোমালিয়া, সুদান, তুরস্ক ও ইয়েমেন। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আরও কয়েকটি দেশ এই জোটে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশের পশ্চিমমুখী রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৭০ শতাংশ, বিশেষ করে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারমুখী পণ্য, লোহিত সাগর ও এর আশপাশের নৌপথ ব্যবহার করে পরিবহন করা হয়। ফলে এই জলপথের নিরাপত্তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের পাশাপাশি বৈশ্বিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।

সূত্র: আলজাজিরা

জনপ্রিয়

পূর্ণাঙ্গ রায়:ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে

ইরানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশের জোট, কমান্ডার নিয়োগ

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬

বাব এল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশকে নিয়ে সৌদি আরবের উদ্যোগে গঠিত প্রতিরক্ষা জোটের প্রধান কমান্ডার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সৌদি নৌবাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরিকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথে অবরোধ আরোপ করে ইয়েমেনভিত্তিক সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হুথি। লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা বাব এল-মান্দেব প্রণালিও এই বাণিজ্যপথের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সৌদি নৌবাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ বিন সালেম আল-শেহরি

সৌদি আরবের জন্য বাব এল-মান্দেব প্রণালির গুরুত্বের আরেকটি কারণ হলো, দেশটির অন্যতম প্রধান সমুদ্রবন্দর ইয়ানাবু এই জলপথের কাছে অবস্থিত। জুলাইয়ের শেষ দিকে ইয়ানাবু বন্দরে ড্রোন হামলা চালায় হুথি গোষ্ঠী।

ইয়ানাবুতে হামলার পরই নতুন প্রতিরক্ষা জোট গঠনের উদ্যোগ নেয় রিয়াদ। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সৌদির মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে ৬০টি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এর মধ্যে ১৪টি দেশ জোটে যোগ দিতে সম্মতি জানায়।

জোটের সদস্য দেশগুলো হলো—বাহরাইন, বাংলাদেশ, কোমোরোস, জিবুতি, মিসর, জর্ডান, কুয়েত, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সোমালিয়া, সুদান, তুরস্ক ও ইয়েমেন। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আরও কয়েকটি দেশ এই জোটে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশের পশ্চিমমুখী রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৭০ শতাংশ, বিশেষ করে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারমুখী পণ্য, লোহিত সাগর ও এর আশপাশের নৌপথ ব্যবহার করে পরিবহন করা হয়। ফলে এই জলপথের নিরাপত্তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের পাশাপাশি বৈশ্বিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।

সূত্র: আলজাজিরা