, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
৪ ঘণ্টাতেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট রোটন ভাইর জানাজায়:মোটা অংকের মুক্তিপণ মব মারধর ১০হাজারে ছাড় দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটিতে সরকারে বইসা আছেন, আর নিজের ক্যাপিটালেই বিরোধীদলের রাজত্ব? চ্যানেল আইয়ের গণভবন প্রবেশাধিকার শেখ হাসিনার ,নিরাপত্তার অন্তরায় শেখ হাসিনা আসার আগে১৬৬জন পাকিস্তানি ২০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ ঢাকায় কেন? সেনা অফিসারদের নোংরা ও কদর্য মানসিকতার চরিত্র খুলে দিয়েছিলেন কাজী গুলশান আরা গুওয়ালা রাজাকারদের পক্ষেই বিশ্বাস করা সম্ভব! হুজুর-আলেমদের যৌন কেলেঙ্কারি ইসলামকেই কলঙ্কিতকরে? জামাত শিবির যেখানেই হাত দেয় সেখানেই পায়খানার পয়দা হয়। ফাঁস হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে ,যে গিলাফ জড়িয়ে থাকে পবিত্র কাবাঘরে,

কর্নেল (অব.) অলি জামায়াতের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী

  • প্রকাশের সময় : ০৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
  • ২৩ পড়া হয়েছে
রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ক্ষমতাসীন বিএনপির অনীহার কারণেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য আলাদাভাবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দিয়েছে বলে জানিয়েছেন জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। এই জোটের পক্ষ থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের এক বৈঠকে অলি আহমদকে প্রার্থী করার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে দুপুরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে আলাদা প্রার্থী দেওয়ার পেছনের রাজনৈতিক কারণগুলো তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সনদ এবং রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে বিএনপি কোনো আগ্রহ দেখায়নি। বরং তারা পূর্ববর্তী সরকারগুলোর প্রথাগত পথেই হাঁটছে। জোটের পক্ষ থেকে আশা করা হয়েছিল যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটি জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংস্কারের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বিরোধীদলীয় এই চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘বিএনপি যদি সংস্কারের পথে অগ্রসর হতো, তবে সরকারি ও বিরোধী দল মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্রপতি পদে একক প্রার্থী দেওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু তারা সেই পথ পরিহার করায় ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে হলে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজন সংসদ সদস্যকে সমর্থক হিসেবে প্রয়োজন হয়।

জাতীয় সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাদের প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এর আগে জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছিল যে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার বাস্তবতায় তারা প্রার্থী দেবে না। তবে রাষ্ট্র সংস্কার ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে মতপার্থক্যের কারণে শেষ মুহূর্তে ১১ দলীয় জোট তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে অলি আহমদকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামিয়েছে।

জনপ্রিয়

৪ ঘণ্টাতেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি চকবাজারের আগুন, সরু গলি ও পানি স্বল্পতায় বেগ পাচ্ছে ১০ ইউনিট

কর্নেল (অব.) অলি জামায়াতের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী

প্রকাশের সময় : ০৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ক্ষমতাসীন বিএনপির অনীহার কারণেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য আলাদাভাবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দিয়েছে বলে জানিয়েছেন জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। এই জোটের পক্ষ থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের এক বৈঠকে অলি আহমদকে প্রার্থী করার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে দুপুরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে আলাদা প্রার্থী দেওয়ার পেছনের রাজনৈতিক কারণগুলো তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সনদ এবং রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে বিএনপি কোনো আগ্রহ দেখায়নি। বরং তারা পূর্ববর্তী সরকারগুলোর প্রথাগত পথেই হাঁটছে। জোটের পক্ষ থেকে আশা করা হয়েছিল যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটি জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংস্কারের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বিরোধীদলীয় এই চিফ হুইপ আরও বলেন, ‘বিএনপি যদি সংস্কারের পথে অগ্রসর হতো, তবে সরকারি ও বিরোধী দল মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্রপতি পদে একক প্রার্থী দেওয়া সম্ভব ছিল। কিন্তু তারা সেই পথ পরিহার করায় ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে হলে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজন সংসদ সদস্যকে সমর্থক হিসেবে প্রয়োজন হয়।

জাতীয় সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাদের প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এর আগে জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছিল যে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার বাস্তবতায় তারা প্রার্থী দেবে না। তবে রাষ্ট্র সংস্কার ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে মতপার্থক্যের কারণে শেষ মুহূর্তে ১১ দলীয় জোট তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে অলি আহমদকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামিয়েছে।