, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে  ৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যু

  • প্রকাশের সময় : ০২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
  • ৭০ পড়া হয়েছে
অনলাইন বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬,
ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি বহুতল হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে  ৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যের হোটেলগুলির আগুন নেভানোর ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। হোটেলের অতিথিদের অনেকেরই অভিযোগ, হোটেলে যথাযথ আগুন নেভানোর ব্যবস্থা ছিল না।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, নিহতরা চিকিৎসা কিংবা ব্যবসার কাজে কলকাতায় এসেছিলেন। কয়েক জনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
রাত প্রায় ২টা নাগাদ হোটেলের তৃতীয় তলায় আগুন লাগে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান দমকলের। পরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ধোঁয়া। ঘুমন্ত আবাসিকদের অনেকেই ঘরের ভিতরে আটকে পড়েন। আগুনের উৎস বা পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় হোটেলের একাধিক অংশ।
কয়েক জনের শরীরে পোড়ার চিহ্ন মিলেছে। তবে মৃত্যুর কারণ আগুনে দগ্ধ হওয়া, নাকি ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ- তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই হোটেলটি আগে একটি আবাসিক ভবন ছিল। কিন্তু গত তিন-চার বছরে তা বাণিজ্যিক হয়ে উঠেছে।  ভবন দুটো ইংরেজি অক্ষর ‘এল’ আকৃতিতে তৈরি করা হয়েছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, আগুনের চেয়ে ধোঁয়াই পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছিল। এক আবাসিকের কথায়, হোটেলের ভিতর এতটাই ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছিল যে সামনে কী রয়েছে, তা দেখা যাচ্ছিল না। শ্বাস নিতেও সমস্যা হচ্ছিল। দমকলকর্মীদের হস্তক্ষেপেই তারা বেরিয়ে আসতে পেরেছেন বলে দাবি তার। ঘটনার পর নিউমার্কেট এলাকার অন্য হোটেলগুলির অগ্নিনিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, অনেক হোটেলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকলেও সেগুলি কার্যকর কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা হয় না। কোথাও আবার প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাই নেই। তারাপীঠের ঘটনার পর মাত্র দু’দিনের মধ্যে কলকাতায় একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় উদ্বেগ আরো বেড়েছে।

তারাপীঠ থেকে কলকাতায় এসেছিলেন দুই বন্ধু। তাদের একজন আমিরুল করিমের দাবি, আগুন লাগার পর ধোঁয়ার কারণে হোটেলের ভিতরে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। কোনও মতে প্রাণ বাঁচিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন তারা। ওই ঘটনার আতঙ্ক এখনও কাটেনি বলেও জানান তিনি। অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেলের আবাসিকদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ছয় জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে  ৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
অনলাইন বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬,
ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি বহুতল হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে  ৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যের হোটেলগুলির আগুন নেভানোর ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। হোটেলের অতিথিদের অনেকেরই অভিযোগ, হোটেলে যথাযথ আগুন নেভানোর ব্যবস্থা ছিল না।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, নিহতরা চিকিৎসা কিংবা ব্যবসার কাজে কলকাতায় এসেছিলেন। কয়েক জনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
রাত প্রায় ২টা নাগাদ হোটেলের তৃতীয় তলায় আগুন লাগে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান দমকলের। পরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ধোঁয়া। ঘুমন্ত আবাসিকদের অনেকেই ঘরের ভিতরে আটকে পড়েন। আগুনের উৎস বা পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায় হোটেলের একাধিক অংশ।
কয়েক জনের শরীরে পোড়ার চিহ্ন মিলেছে। তবে মৃত্যুর কারণ আগুনে দগ্ধ হওয়া, নাকি ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ- তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই হোটেলটি আগে একটি আবাসিক ভবন ছিল। কিন্তু গত তিন-চার বছরে তা বাণিজ্যিক হয়ে উঠেছে।  ভবন দুটো ইংরেজি অক্ষর ‘এল’ আকৃতিতে তৈরি করা হয়েছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, আগুনের চেয়ে ধোঁয়াই পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছিল। এক আবাসিকের কথায়, হোটেলের ভিতর এতটাই ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছিল যে সামনে কী রয়েছে, তা দেখা যাচ্ছিল না। শ্বাস নিতেও সমস্যা হচ্ছিল। দমকলকর্মীদের হস্তক্ষেপেই তারা বেরিয়ে আসতে পেরেছেন বলে দাবি তার। ঘটনার পর নিউমার্কেট এলাকার অন্য হোটেলগুলির অগ্নিনিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, অনেক হোটেলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকলেও সেগুলি কার্যকর কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা হয় না। কোথাও আবার প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাই নেই। তারাপীঠের ঘটনার পর মাত্র দু’দিনের মধ্যে কলকাতায় একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় উদ্বেগ আরো বেড়েছে।

তারাপীঠ থেকে কলকাতায় এসেছিলেন দুই বন্ধু। তাদের একজন আমিরুল করিমের দাবি, আগুন লাগার পর ধোঁয়ার কারণে হোটেলের ভিতরে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। কোনও মতে প্রাণ বাঁচিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন তারা। ওই ঘটনার আতঙ্ক এখনও কাটেনি বলেও জানান তিনি। অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেলের আবাসিকদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ছয় জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।