, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

টুনা শিল্প ও নীল অর্থনীতি বিকাশে বাংলাদেশের সহযোগী হবে মালদ্বীপ

  • প্রকাশের সময় : ১১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ৫৫ পড়া হয়েছে

 অনলাইন সোমবার, ০৮ জুন, ২০২৬

সোমবার মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের মৎস্য, কৃষি ও মহাসাগরীয় সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ শিয়ামের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে মালদ্বীপের পক্ষ থেকে এই সহযোগিতার আশ্বাস ও আগ্রহ ব্যক্ত করা হয়।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মৎস্য ও সামুদ্রিক সম্পদ খাতের দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার বলেন, টেকসই টুনা মৎস্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে মালদ্বীপ আন্তর্জাতিকভাবে একটি সফল মডেল। মালদ্বীপের এই বিশ্বখ্যাত টুনা শিল্পের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমায় টুনা মাছ আহরণ, বাণিজ্য, যৌথ বিনিয়োগ, আধুনিক মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক খাদ্য শিল্প দুই দেশের পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্বের বড় ক্ষেত্র হতে পারে।

সাক্ষাতে মালদ্বীপের মৎস্য ও কৃষি মন্ত্রী বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি এবং মৎস্য শিল্পের বিকাশে সব ধরনের সহযোগিতার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি জেলে ও মৎস্যকর্মীদের কঠোর পরিশ্রম, পেশাদারিত্ব এবং নিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ খাতে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি করতে বিশেষায়িত যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতামূলক উদ্যোগসমূহ বাস্তবায়নের জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি যৌথ সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন তিনি।

উভয় পক্ষ নীল অর্থনীতি ও সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে এ লক্ষ্যে প্রযুক্তিগত বিনিময়, যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন। সমুদ্রভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ একসঙ্গে কাজ করবে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে মৎস্য খাতের পাশাপাশি মালদ্বীপের কৃষি উৎপাদন সম্প্রসারণে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন ও কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে দেশটির সরকার।

এ বিষয়ে ভবিষ্যৎ সহযোগিতাকে আরও কাঠামোগত করতে একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়েও নীতিগত আলোচনা হয়।

উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন, মৎস্য, বিশেষ করে টুনা শিল্প এবং সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক পরিপূরক সক্ষমতা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

 

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

টুনা শিল্প ও নীল অর্থনীতি বিকাশে বাংলাদেশের সহযোগী হবে মালদ্বীপ

প্রকাশের সময় : ১১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

 অনলাইন সোমবার, ০৮ জুন, ২০২৬

সোমবার মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মালদ্বীপ প্রজাতন্ত্রের মৎস্য, কৃষি ও মহাসাগরীয় সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ শিয়ামের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে মালদ্বীপের পক্ষ থেকে এই সহযোগিতার আশ্বাস ও আগ্রহ ব্যক্ত করা হয়।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মৎস্য ও সামুদ্রিক সম্পদ খাতের দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার বলেন, টেকসই টুনা মৎস্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে মালদ্বীপ আন্তর্জাতিকভাবে একটি সফল মডেল। মালদ্বীপের এই বিশ্বখ্যাত টুনা শিল্পের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমায় টুনা মাছ আহরণ, বাণিজ্য, যৌথ বিনিয়োগ, আধুনিক মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক খাদ্য শিল্প দুই দেশের পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্বের বড় ক্ষেত্র হতে পারে।

সাক্ষাতে মালদ্বীপের মৎস্য ও কৃষি মন্ত্রী বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি এবং মৎস্য শিল্পের বিকাশে সব ধরনের সহযোগিতার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি জেলে ও মৎস্যকর্মীদের কঠোর পরিশ্রম, পেশাদারিত্ব এবং নিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ খাতে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি করতে বিশেষায়িত যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতামূলক উদ্যোগসমূহ বাস্তবায়নের জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি যৌথ সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন তিনি।

উভয় পক্ষ নীল অর্থনীতি ও সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে এ লক্ষ্যে প্রযুক্তিগত বিনিময়, যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন। সমুদ্রভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ একসঙ্গে কাজ করবে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে মৎস্য খাতের পাশাপাশি মালদ্বীপের কৃষি উৎপাদন সম্প্রসারণে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন ও কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে দেশটির সরকার।

এ বিষয়ে ভবিষ্যৎ সহযোগিতাকে আরও কাঠামোগত করতে একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়েও নীতিগত আলোচনা হয়।

উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেন, মৎস্য, বিশেষ করে টুনা শিল্প এবং সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক পরিপূরক সক্ষমতা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।