, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে৪ মানবাধিকার সংস্থার মামলা

  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
  • ৫৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে আদালতে লড়াই শুরু করেছে দেশের চারটি শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিউ ইয়র্কের আদালতে দায়ের করা এই মামলায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জারি করা নিষেধাজ্ঞাকে অসাংবিধানিক বলে দাবি করা হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, ওপেন সোসাইটি ইনস্টিটিউট, আমেরিকান ফ্রেন্ডস সার্ভিস কমিটি এবং সেন্টার ফর কনস্টিটিউশনাল রাইটস নামের এই সংস্থাগুলোর ভাষ্যমতে, ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা বিশ্বজুড়ে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আইসিসির সাথে কাজ করতে পারছেন না।

বাদীপক্ষের আইনজীবীদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার পরিধি লঙ্ঘন করেছে এবং আন্তর্জাতিক ও মার্কিন আইনের পাশাপাশি বাক ও ধর্মের স্বাধীনতাও ক্ষুণ্ণ করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল—উভয় দেশই আইসিসির সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলার পথ বেছে নেয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন আইসিসির প্রসিকিউটর ও বিচারকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর আগে ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা অন্যান্য সংগঠন এবং তিনজন আইসিসি বিচারকও এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেছেন।

ট্রাম্পের আইসিসি বিরোধিতার সূত্রপাত তার প্রথম মেয়াদের সময়ই। ২০২০ সালে তিনি একই ধরনের নির্বাহী আদেশ জারি করলেও তা আদালতের রায়ে স্থগিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে ২০২১ সালে বাইডেন প্রশাসন তা বাতিল করে দেয়। তবে বর্তমান প্রশাসন দ্য হেগভিত্তিক এই আদালতকে দুর্বল করতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে এবং অন্যান্য দেশগুলোকেও আইসিসি ত্যাগ করতে উৎসাহিত করছে।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই আদালত মার্কিন সার্বভৌমত্ব ও কর্মীদের জন্য হুমকিস্বরূপ। তবে গত জুলাইয়ে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন যে এই প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও অন্যদের সুরক্ষা প্রদান করা।

সূত্র: রয়টার্স।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে৪ মানবাধিকার সংস্থার মামলা

প্রকাশের সময় : ১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে আদালতে লড়াই শুরু করেছে দেশের চারটি শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিউ ইয়র্কের আদালতে দায়ের করা এই মামলায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জারি করা নিষেধাজ্ঞাকে অসাংবিধানিক বলে দাবি করা হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, ওপেন সোসাইটি ইনস্টিটিউট, আমেরিকান ফ্রেন্ডস সার্ভিস কমিটি এবং সেন্টার ফর কনস্টিটিউশনাল রাইটস নামের এই সংস্থাগুলোর ভাষ্যমতে, ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা বিশ্বজুড়ে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আইসিসির সাথে কাজ করতে পারছেন না।

বাদীপক্ষের আইনজীবীদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার পরিধি লঙ্ঘন করেছে এবং আন্তর্জাতিক ও মার্কিন আইনের পাশাপাশি বাক ও ধর্মের স্বাধীনতাও ক্ষুণ্ণ করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল—উভয় দেশই আইসিসির সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলার পথ বেছে নেয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন আইসিসির প্রসিকিউটর ও বিচারকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর আগে ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা অন্যান্য সংগঠন এবং তিনজন আইসিসি বিচারকও এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেছেন।

ট্রাম্পের আইসিসি বিরোধিতার সূত্রপাত তার প্রথম মেয়াদের সময়ই। ২০২০ সালে তিনি একই ধরনের নির্বাহী আদেশ জারি করলেও তা আদালতের রায়ে স্থগিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে ২০২১ সালে বাইডেন প্রশাসন তা বাতিল করে দেয়। তবে বর্তমান প্রশাসন দ্য হেগভিত্তিক এই আদালতকে দুর্বল করতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে এবং অন্যান্য দেশগুলোকেও আইসিসি ত্যাগ করতে উৎসাহিত করছে।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই আদালত মার্কিন সার্বভৌমত্ব ও কর্মীদের জন্য হুমকিস্বরূপ। তবে গত জুলাইয়ে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন যে এই প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও অন্যদের সুরক্ষা প্রদান করা।

সূত্র: রয়টার্স।