, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পূর্ণাঙ্গ রায়:ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর লাশের পাশে ধূমপান করছেন স্বামী:আটক কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রোটনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ কোনো মন্তব্য করতে রা‌জি নয়: শামা ওবায়েদ জিএম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হামলা গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ?

বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকীথাযোগ্য মর্যাদা সহকারেপালনে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের আহ্বান

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
  • ৮১ পড়া হয়েছে
বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকীথাযোগ্য মর্যাদা সহকারেপালনে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের আহ্বান
অনলাইন শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান
পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ডাঃ জামাল উদ্দিন চৌধুরী, কো-আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম. অহিদুজ্জামান এবং সদস্য সচিব কৃষিবিদ মিজানুর রহমান আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট ২০২৬) এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, দীর্ঘ ২৩ বছরের পাকিস্তানী শাসকগুষ্ঠির শোষণ নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙ্গালী জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে ধাপে ধাপে আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য জাতিকে প্রস্তুত করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলার নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষের জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে তাকে জীবনের মুল্যবান যৌবনকালের সুদীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর কাটাতে হয়েছে কারা প্রকোষ্ঠে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে হানাদার পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে আমাদের গর্বিত মুক্তিযোদ্ধাদের  অনুপ্রেরণা ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৩০ লাখ শহীদ আর লক্ষ লক্ষ নারীর সম্ভ্রম হারানোর বিনিময়ে আমরা পেয়েছিলাম স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তিলাভের পর কৃতজ্ঞ জাতি সর্বসম্মতভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে “ জাতির পিতা “ উপাধিতে ভূষিত করে। এর পূর্বে ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তিলাভের পর তাকে বাঙ্গালী জাতি “ বঙ্গবন্ধু “ উপাধিতে ভূষিত করে। বঙ্গবন্ধু তার সাড়ে ৩ বছরের শাসনামলে যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশের আর্থিক অবস্থার ধাপে ধাপে উন্নতি সাধন করে দেশকে স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা এনে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। জনজীবনে স্বস্তি যখন ফিরে আসছিল তখনি জাতির জনককে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা। এই বেদনাবিদুর ঘটনা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গ এবং অন্যান্য যারা নিহত হয়েছিলেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
বাঙ্গালী জাতির ভাগ্য পরির্বতন, দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, এবং অত্যাচার নির্যাতন বিহীন শান্তিময় বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বার্থে জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদৎবার্ষিকী যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান  জানাচ্ছি।
বার্তা প্রেরক
শেখ জামাল
যুগ্ম-আহ্বায়ক
পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ
ফোন নং – ০১৭৬৪২০৩৮৭৫
জনপ্রিয়

পূর্ণাঙ্গ রায়:ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে

বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকীথাযোগ্য মর্যাদা সহকারেপালনে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের আহ্বান

প্রকাশের সময় : ০৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকীথাযোগ্য মর্যাদা সহকারেপালনে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের আহ্বান
অনলাইন শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান
পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ডাঃ জামাল উদ্দিন চৌধুরী, কো-আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম. অহিদুজ্জামান এবং সদস্য সচিব কৃষিবিদ মিজানুর রহমান আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট ২০২৬) এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, দীর্ঘ ২৩ বছরের পাকিস্তানী শাসকগুষ্ঠির শোষণ নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙ্গালী জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে ধাপে ধাপে আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য জাতিকে প্রস্তুত করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলার নিপীড়িত বঞ্চিত মানুষের জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে তাকে জীবনের মুল্যবান যৌবনকালের সুদীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর কাটাতে হয়েছে কারা প্রকোষ্ঠে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে হানাদার পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে আমাদের গর্বিত মুক্তিযোদ্ধাদের  অনুপ্রেরণা ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৩০ লাখ শহীদ আর লক্ষ লক্ষ নারীর সম্ভ্রম হারানোর বিনিময়ে আমরা পেয়েছিলাম স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তিলাভের পর কৃতজ্ঞ জাতি সর্বসম্মতভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে “ জাতির পিতা “ উপাধিতে ভূষিত করে। এর পূর্বে ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তিলাভের পর তাকে বাঙ্গালী জাতি “ বঙ্গবন্ধু “ উপাধিতে ভূষিত করে। বঙ্গবন্ধু তার সাড়ে ৩ বছরের শাসনামলে যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশের আর্থিক অবস্থার ধাপে ধাপে উন্নতি সাধন করে দেশকে স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা এনে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। জনজীবনে স্বস্তি যখন ফিরে আসছিল তখনি জাতির জনককে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা। এই বেদনাবিদুর ঘটনা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গ এবং অন্যান্য যারা নিহত হয়েছিলেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
বাঙ্গালী জাতির ভাগ্য পরির্বতন, দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, এবং অত্যাচার নির্যাতন বিহীন শান্তিময় বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বার্থে জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদৎবার্ষিকী যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান  জানাচ্ছি।
বার্তা প্রেরক
শেখ জামাল
যুগ্ম-আহ্বায়ক
পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ
ফোন নং – ০১৭৬৪২০৩৮৭৫