, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

বেনজীর আহমেদ কে ছেড়ে দিয়েছে দুবাই পুলিশ

  • প্রকাশের সময় : ০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ৮০ পড়া হয়েছে
বেনজীর আহমেদ কে ছেড়ে দিয়েছে দুবাই পুলিশ।
বেনজীর ইস্যু এবং একচোখা রাজনীতির নির্লজ্জ বাস্তবতা
দুবাই একটি রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সেখানকার আইনি প্রক্রিয়া বা একজন বিদেশি নাগরিকের প্রকৃত অবস্থা সেখানে যিনি থাকেন, তিনিই সবচেয়ে ভালো বলতে পারবেন। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা কী দেখছি? ড. ইউনূস গং নিয়ন্ত্রিত বর্তমান সরকারের আদেশে দেশের তথাকথিত মূলধারার গণমাধ্যমগুলো একযোগে প্রচার শুরু করেছে যে— বাংলাদেশের প্রাক্তন পুলিশ ও র‍্যাব প্রধান বেনজীর আহমেদকে নাকি দুবাইতে গ্রেফতার করা হয়েছে!
অথচ বিশ্বরাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক শিষ্টাচারের দিকে তাকালে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। পশ্চিমা বিশ্বে, বিশেষ করে আমেরিকার কোনো সংস্থার প্রধান যদি অন্য কোনো দেশে আটক বা আইনি জটিলতায় পড়েন, তবে সেই দেশের সরকার সবার আগে তার নাগরিকের সম্মান ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষায় সর্বোচ্চ কূটনৈতিক তৎপরতা চালায়। কিন্তু আমাদের দেশে চলছে ঠিক তার উল্টো— রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষার চেয়ে সস্তা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টাটাই এখানে মুখ্য।
সর্বশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদের বিষয়টি কোনো ‘গ্রেফতার’ ছিল না। দুবাইয়ের অভিবাসন সংস্থার সাথে তার আইনি উপস্থিতি সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে আলোচনার জন্য তাকে সশরীরে তাদের কার্যালয়ে যেতে হয়েছিল। সেখানে সাধারণ নিয়মে সাক্ষাৎকার ও প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ করে তিনি নিজ গন্তব্যে ফিরেও এসেছেন। মার্কিন মুল্লুকে বা উন্নত বিশ্বে অভিবাসন সংক্রান্ত এমন সাধারণ প্রক্রিয়া হরহামেশাই ঘটে থাকে, যা কোনোভাবেই ‘গ্রেফতার’ বা ‘আটক’ নয়।
এখানে আসল মুদ্দা কথা বা মূল বিষয় এটি নয় যে— বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার হয়েছেন কি হননি। আসল ট্র্যাজেডি হলো, তাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য বাংলাদেশের তথাকথিত ‘নির্বাচিত’ সংসদে পর্যন্ত তুমুল আলাপ-আলোচনা ও শোরগোল করা হচ্ছে। অথচ বর্তমান প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা ও খামখেয়ালিপনায় দেশে যে ‘হামের টীকা’ (Measles Vaccine) সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি, যার কারণে সঠিক চিকিৎসার অভাবে হাজার হাজার নিষ্পাপ শিশু অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে— তা নিয়ে এই ডামি সংসদে বা গণমাধ্যমে একটা ‘টু’ শব্দটিও নেই!
জনগণের মৌলিক অধিকার আর শিশুর জীবন বাঁচানোর চেয়ে যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা করাই সরকারের প্রধান এজেন্ডা হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেই ব্যবস্থার দেউলিয়াত্ব আড়াল করা কঠিন হয়ে পড়ে। এটিই আজকের বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্মম ও নগ্ন বাস্তবতা।
(কপি সংগহ)
Delwar Hossain Cip
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

বেনজীর আহমেদ কে ছেড়ে দিয়েছে দুবাই পুলিশ

প্রকাশের সময় : ০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
বেনজীর আহমেদ কে ছেড়ে দিয়েছে দুবাই পুলিশ।
বেনজীর ইস্যু এবং একচোখা রাজনীতির নির্লজ্জ বাস্তবতা
দুবাই একটি রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সেখানকার আইনি প্রক্রিয়া বা একজন বিদেশি নাগরিকের প্রকৃত অবস্থা সেখানে যিনি থাকেন, তিনিই সবচেয়ে ভালো বলতে পারবেন। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা কী দেখছি? ড. ইউনূস গং নিয়ন্ত্রিত বর্তমান সরকারের আদেশে দেশের তথাকথিত মূলধারার গণমাধ্যমগুলো একযোগে প্রচার শুরু করেছে যে— বাংলাদেশের প্রাক্তন পুলিশ ও র‍্যাব প্রধান বেনজীর আহমেদকে নাকি দুবাইতে গ্রেফতার করা হয়েছে!
অথচ বিশ্বরাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক শিষ্টাচারের দিকে তাকালে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। পশ্চিমা বিশ্বে, বিশেষ করে আমেরিকার কোনো সংস্থার প্রধান যদি অন্য কোনো দেশে আটক বা আইনি জটিলতায় পড়েন, তবে সেই দেশের সরকার সবার আগে তার নাগরিকের সম্মান ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষায় সর্বোচ্চ কূটনৈতিক তৎপরতা চালায়। কিন্তু আমাদের দেশে চলছে ঠিক তার উল্টো— রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষার চেয়ে সস্তা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টাটাই এখানে মুখ্য।
সর্বশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদের বিষয়টি কোনো ‘গ্রেফতার’ ছিল না। দুবাইয়ের অভিবাসন সংস্থার সাথে তার আইনি উপস্থিতি সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে আলোচনার জন্য তাকে সশরীরে তাদের কার্যালয়ে যেতে হয়েছিল। সেখানে সাধারণ নিয়মে সাক্ষাৎকার ও প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ করে তিনি নিজ গন্তব্যে ফিরেও এসেছেন। মার্কিন মুল্লুকে বা উন্নত বিশ্বে অভিবাসন সংক্রান্ত এমন সাধারণ প্রক্রিয়া হরহামেশাই ঘটে থাকে, যা কোনোভাবেই ‘গ্রেফতার’ বা ‘আটক’ নয়।
এখানে আসল মুদ্দা কথা বা মূল বিষয় এটি নয় যে— বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার হয়েছেন কি হননি। আসল ট্র্যাজেডি হলো, তাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য বাংলাদেশের তথাকথিত ‘নির্বাচিত’ সংসদে পর্যন্ত তুমুল আলাপ-আলোচনা ও শোরগোল করা হচ্ছে। অথচ বর্তমান প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা ও খামখেয়ালিপনায় দেশে যে ‘হামের টীকা’ (Measles Vaccine) সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি, যার কারণে সঠিক চিকিৎসার অভাবে হাজার হাজার নিষ্পাপ শিশু অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে— তা নিয়ে এই ডামি সংসদে বা গণমাধ্যমে একটা ‘টু’ শব্দটিও নেই!
জনগণের মৌলিক অধিকার আর শিশুর জীবন বাঁচানোর চেয়ে যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা করাই সরকারের প্রধান এজেন্ডা হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেই ব্যবস্থার দেউলিয়াত্ব আড়াল করা কঠিন হয়ে পড়ে। এটিই আজকের বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্মম ও নগ্ন বাস্তবতা।
(কপি সংগহ)
Delwar Hossain Cip