, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

মক্কা চুক্তিতে যোগ দিলে বাংলাদেশ কিভাবে লাভবান হবে প্রশ্নে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : ০৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
  • ৪৬ পড়া হয়েছে

অনলাইন বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

আলোচিত মক্কা চুক্তিকে বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, এতে বাংলাদেশের যোগদান নির্ভর করছে সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার বীর বিক্রম মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা স্পিকারের মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, অলোচিত মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। এতে যোগ দিলে বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হবে সে সম্পর্কে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

জবাবে স্পিকারের প্রতি ধন্যবাদ জানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই প্যাক্টকে (চুক্তি) বাংলাদেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এটি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়।

এই চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করতে সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

প্রায় এক বছর ধরে আলোচনার পর গত ৭ আগস্ট চুক্তিতে সই করেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

মুসলমানদের পবিত্র শহর মক্কায় এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় এর কৌশলগত গুরুত্বের পাশাপাশি এর তাৎপর্য নিয়েও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, হঠাৎ-ই এই তিনটি দেশ এই ধরনের চুক্তিতে একমত হয়নি। ২০২৩ সালে গাজা-ইসরাইল যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতেই এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীত সময়ে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব ও পাকিস্তান পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। তারই ধারাবাহিকতাই এই মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি।

এই চুক্তি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নানা আলোচনা চলছে। এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি এই প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। তবে, এই মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ যুক্ত হওয়া নিয়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই ধরনের বক্তব্যই পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাহাব এনাম খান বলেন, এই প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশে যুক্ত হলে সামরিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে, এই বাংলাদেশ যুক্ত হলে দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও শঙ্কা করছেন বিশ্লেষক

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

মক্কা চুক্তিতে যোগ দিলে বাংলাদেশ কিভাবে লাভবান হবে প্রশ্নে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬

আলোচিত মক্কা চুক্তিকে বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, এতে বাংলাদেশের যোগদান নির্ভর করছে সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার বীর বিক্রম মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা স্পিকারের মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, অলোচিত মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। এতে যোগ দিলে বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হবে সে সম্পর্কে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

জবাবে স্পিকারের প্রতি ধন্যবাদ জানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই প্যাক্টকে (চুক্তি) বাংলাদেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এটি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়।

এই চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করতে সম্প্রতি সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, স্বাক্ষরকারী তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

প্রায় এক বছর ধরে আলোচনার পর গত ৭ আগস্ট চুক্তিতে সই করেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

মুসলমানদের পবিত্র শহর মক্কায় এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় এর কৌশলগত গুরুত্বের পাশাপাশি এর তাৎপর্য নিয়েও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, হঠাৎ-ই এই তিনটি দেশ এই ধরনের চুক্তিতে একমত হয়নি। ২০২৩ সালে গাজা-ইসরাইল যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতেই এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীত সময়ে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব ও পাকিস্তান পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। তারই ধারাবাহিকতাই এই মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি।

এই চুক্তি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নানা আলোচনা চলছে। এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি এই প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। তবে, এই মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ যুক্ত হওয়া নিয়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুই ধরনের বক্তব্যই পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাহাব এনাম খান বলেন, এই প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশে যুক্ত হলে সামরিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে, এই বাংলাদেশ যুক্ত হলে দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও শঙ্কা করছেন বিশ্লেষক